Bangladesh Pratidin

ঢাকা, বৃহস্পতিবার, ২৪ আগস্ট, ২০১৭

ঢাকা, বৃহস্পতিবার, ২৪ আগস্ট, ২০১৭
প্রকাশ : বুধবার, ১ মার্চ, ২০১৭ ০০:০০ টা আপলোড : ১ মার্চ, ২০১৭ ০১:৩৬
মূসার কাছে সাংবাদিকতা ছিল একটা ব্রত
জন্মদিনে গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন
নিজস্ব প্রতিবেদক

সাংবাদিক এবিএম মূসা সাংবাদিকতাকে ধ্যান-জ্ঞান করতেন। তিনি সমাজ থেকে অন্যায়-অনাচার দুর্নীতি দূর করতে কলম ধরেছিলেন।

সাংবাদিকতা তার কাছে শুধু পেশা ছিল না, ছিল একটি ব্রতও। বক্তারা এই অভিমত ব্যক্ত করেছে গতকাল তার ৮৬তম জন্মদিন উপলক্ষে জাতীয় প্রেস ক্লাবে আয়োজিত এক সম্মাননা ও স্মারক বক্তৃতা অনুষ্ঠানে। অনুষ্ঠানের আয়োজক এবিএম মূসা-সেতারা মূসা ফাউন্ডেশন। সভাপতিত্ব করেন সৈয়দ আবুল মকসুদ। এবিএম মূসার জীবনী পাঠ করেন সাংবাদিক হাসান হাফিজ। বক্তৃতা করেন, জনকণ্ঠের উপদেষ্টা সম্পাদক তোয়াব খান, প্রবীণ সাংবাদিক আবুদর রহিম, নিউজ টুডে সম্পাদক রিয়াজ উদ্দিন আহমেদ, সাংবাদিক নেতা শওকত মাহমুদ, জাতীয় প্রেস ক্লাবের সাধারণ সম্পাদক ফরিদা ইয়াসমিন, নারী সাংবাদিক কেন্দ্রের সভাপতি নাসিমুন আরা হক মিনু প্রমুখ। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন, বিশিষ্ট সাংবাদিক পীর হাবিবুর রহমান, সাংবাদিক মূসার সহধর্মিণী সেতারা মূসা, কন্যা মরিয়ম মূসা, অধ্যাপক ড. শারমিন মূসা, জামাতা সেলিম আজাদ চৌধুরী, ব্যারিস্টার আফতাব, নাতনি আরিবা শারমিন আফতাব প্রমুখ। অনুষ্ঠানে তোয়াব খানকে আজীবন সম্মাননা দেওয়া হয়। তাকে ক্রেস্ট ও উত্তরীয় পরিয়ে দেন অতিথিরা। ‘সংবাদপত্রে বাংলা ভাষার প্রয়োগ : পরিপ্রেক্ষিত বাংলাদেশ’ শীর্ষক স্মারক বক্তব্য দেন ড. সৌমিত্র শেখর। তোয়াব খান বলেন, এবিএম মূসা সাংবাদিকতার বিকাশ ও উৎকর্ষ সাধনে যে উচ্চতর ধারা সৃষ্টি করে গেছেন সেই পথ অনুসরণ করেই আমার নিরন্তর অভিযাত্রা। তার প্রত্যাশা, সাংবাদিকতার বিপদসংকুল পথে সত্য ও ন্যায়ের অভিমুখ যেন বিপথগামী না হয়। ফরিদা ইয়াসমিন বলেন, জাতীয় প্রেস ক্লাব ছিল এবিএম মূসার সেকেন্ড হোম। বেশিরভাগ সময় তিনি এখানে কাটাতেন। সিনিয়র-জুনিয়র সব সাংবাদিকের সঙ্গেই তিনি আড্ডা দিতেন। তার সঙ্গে আড্ডায় তার অভিজ্ঞতার কথা শুনে ধন্য হতাম আমরা। যে কেউ তার কাছে সমস্যা নিয়ে গেলে তিনি সাধ্যমতো সমাধানের চেষ্টা করতেন। আমরা তাকে হারিয়ে অভিভাবককে হারালাম।   আবদুর রহিম বলেন, মূসা ছিলেন দক্ষ এক সেনাপতি ও উঁচু মানের মানুষ। তার হাতে অনেক সাংবাদিক তৈরি হয়েছে। শওকত মাহমুদ বলেন, এবিএম মূসা অন্যায়, ফ্যাসিবাদের বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়েছেন। অন্যায় দেখলেই প্রতিবাদ করেছেন। সৈয়দ আবুল মকসুদ সভাপতির ভাষণে বলেন, বহুমাত্রিক ব্যক্তিত্ব ছিলেন এবিএম মূসা। একসময় তিনি জাতীয় ব্যক্তিত্বে পরিণত হয়েছিলেন। বাঙালির জাতীয় আন্দোলনের সময় সাংবাদিকতায় যোগ দেন তিনি। শুধু পেশার খাতিরে নয় মিশন নিয়ে সাংবাদিকতা করে গেছেন তিনি।

উল্লেখ্য, এবিএম মূসা ২০১৪ সালের ৯ এপ্রিল ইন্তেকাল করেন।

up-arrow