Bangladesh Pratidin

ঢাকা, বুধবার, ১৬ আগস্ট, ২০১৭

ঢাকা, বুধবার, ১৬ আগস্ট, ২০১৭
প্রকাশ : বৃহস্পতিবার, ২ মার্চ, ২০১৭ ০০:০০ টা আপলোড : ২ মার্চ, ২০১৭ ০২:২৮
পল্লবীতে বাবার সামনে ছুরিকাঘাতে ছেলে খুন
বনশ্রীতে যুবককে পিটিয়ে হত্যা
নিজস্ব প্রতিবেদক

রাজধানীর পল্লবীতে বাবার সামনে ছেলেকে ছুরিকাঘাতে খুন করেছে দুর্বৃত্তরা। নিহতের নাম সাইফুল ইসলাম (৩৫)।

গতকাল রাতে পল্লবীর ১২ নম্বর সেকশনে এ ঘটনা ঘটেছে। নিহতের বাবা সামসুর রহমান পল্লবীর সেকশন ১২ এর ই ব্লকের পানির ট্যাঙ্কির সামনে কাঁচামাল বিক্রি করেন। তিনি জানান, তার ছেলে সাইফুল ইসলাম মিরপুর বেনারসি পল্লীতে একটি শাড়ির কারখানায় কম্পিউটার অপারেটর হিসেবে কাজ করতেন। গতকাল রাত সাড়ে ৭টার দিকে সাইফুল ইসলাম কর্মস্থল থেকে বের হয়ে তার কাঁচামালের দোকানের সামনে যান। এ সময় সেখানে সাইফুল ইসলামকে দুই যুবক এসে চড়থাপ্পড় মারে। এ সময় সামসুর রহমান এগিয়ে গেলে এক যুবক সাইফুল ইসলামের বুকে ছুরিকাঘাত করে। তাদের ধাওয়া করলে দুই যুবক দৌড়ে পালিয়ে যায়। এরপর সাইফুলকে উদ্ধার করে প্রথমে স্থানীয় ক্লিনিক ও পরে রাত ১০টায় ঢাকা মেডিকেলে নিয়ে আসেন। বাড়ি ময়মনসিংহের নান্দাইল উপজেলার আটারবাড়ি গ্রামে।

এদিকে রাজধানীর বনশ্রী এলাকায় বাইসাইকেল চুরির অভিযোগে মানিক মিয়া (২৫) নামে এক যুবককে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগ পাওয়া গেছে। গতকাল দুপুরে এ ঘটনায় রিমন ও সফিকুল ইসলাম নামে দুজনকে আটক করেছে পুলিশ। জানা গেছে, নিহত মানিক বরগুনা সদরের খাকবুনিয়া গ্রামের আলী আকবরের ছেলে। তার স্ত্রীর নাম কলি। ওই দম্পতির এক ছেলে রয়েছে। মানিক দক্ষিণ বনশ্রীর এ ব্লকের এফ-৩১ এর ৫ম তলা বাড়ির চতুর্থ তলায় থাকতেন।

পুলিশ জানায়, বনশ্রীর ই ব্লকের ৯/৫ নম্বর রোডের বাসিন্দা নিজাম উদ্দিনের ছেলে শাহনেওয়াজ রিমনের একটি বাইসাইকেল ২০/২৫ দিন আগে চুরি হয়। এ ঘটনায় মানিককে সন্দেহ করতেন তিনি। গতকাল বেলা ১১টার দিকে মানিককে রাস্তা থেকে ধরে নিয়ে বাড়ির গ্যারেজে ঢুকিয়ে বেদম প্রহার করে শাহনেওয়াজ রিমন ও তার বন্ধু সফিকুল ইসলামসহ অন্য সহযোগীরা। এতে গুরুতর আহত হন মানিক। মুমূর্ষু অবস্থায় তাকে মুগদা জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মানিককে মৃত ঘোষণা করেন। ময়নাতদন্তের জন্য তার লাশ ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) মর্গে পাঠিয়েছে পুলিশ।

খিলগাঁও থানার এসআই মনির হোসেন জানান, গতকাল বিকালে এ ঘটনায় রিমন ও তার বন্ধু সফিকুল ইসলামকে আটক করা হয়েছে। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে তারা হত্যার দায় স্বীকার করেছে। এ ঘটনার সঙ্গে আরও ৪/৫ জন জড়িত। তাদের ধরতে অভিযান চলছে।

এই পাতার আরো খবর
up-arrow