Bangladesh Pratidin

ঢাকা, বৃহস্পতিবার, ২৪ আগস্ট, ২০১৭

ঢাকা, বৃহস্পতিবার, ২৪ আগস্ট, ২০১৭
প্রকাশ : শুক্রবার, ১০ মার্চ, ২০১৭ ০০:০০ টা আপলোড : ৯ মার্চ, ২০১৭ ২৩:৩১
প্রতি মাসে ২২০ কোটি টাকার রাজস্ব হারাচ্ছে সরকার
অবৈধ পথে ফল আমদানি
রেজা মুজাম্মেল, চট্টগ্রাম

অবৈধ পন্থায় শুল্ক ফাঁকি দিয়ে ভারত থেকে আসছে ফল। এতে শুধু ফল আমদানিতে প্রতি মাসে প্রায় ২২০ কোটি টাকার রাজস্ব হারাচ্ছে সরকার।

পাশাপাশি বৈধ আমদানিকারকরা ক্ষতির সম্মুখীন হচ্ছেন। অভিযোগ আছে, সুতারকান্দি স্থলবন্দর এবং সীমান্ত দিয়ে একটি সিন্ডিকেট প্রতি ট্রাক দেড় থেকে দুই লাখ টাকা খরচে বাংলাদেশে এসব ফল নিয়ে আসছে। নিয়ম অনুযায়ী ভারত থেকে দেশের সোনামসজিদ ও ভোমরা স্থলবন্দর দিয়ে ফল আমদানিতে প্রতি টন কমলায় প্রায় ২৬ হাজার ৫০০ টাকা এবং আঙ্গুরে প্রায় ৫৫ হাজার টাকা শুল্ক দিতে হয়। এতে ১৬ টনের এক ট্রাক কমলায় চার লাখ ২৫ হাজার টাকা এবং আঙ্গুরে ৮ লাখ ৭৬ হাজার টাকা শুল্ক পরিশোধ করতে হয়। ফল ব্যবসায়ীরা জানান, আমদানিকারকরা চায়না, ব্রাজিল, মিসর, সাউথ আফ্রিকা ও ভারত থেকে ফল আমদানি করেন। কাস্টমসের তথ্য অনুযায়ী, ফল আমদানিতে ৯২ দশমিক ৩০ শতাংশ কাস্টমস শুল্ক দিতে হয়। ফল আমদানিকারক তৌহিদুল আলম বলেন, নিয়ম মতে বন্দর দিয়ে যে ফল আনতে ছয় লাখ টাকা শুল্ক দিতে হতো, অবৈধ সীমান্ত পথে সে ফল আনা হচ্ছে মাত্র দুই লাখ টাকায়।   চট্টগ্রাম ফলমূল ব্যবসায়ী সমিতির সভাপতি হাজী আবদুল মালেক বলেন, সিলেটের সুতারকান্দি স্থলবন্দর দিয়ে অবৈধভাবে ফল আসায় আমরা আর্থিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছি। সরকারও বিপুল অঙ্কের রাজস্ব হারাচ্ছে। চট্টগ্রামের ফল আমদানিকারক সূত্রে জানা যায়, সিলেটের জকিগঞ্জ ও করিমগঞ্জ সীমান্তের সুতারকান্দি, পাতলা শুল্ক স্টেশনসহ আশপাশের সীমান্ত দিয়ে প্রতিদিন ৪৫-৫০ ট্রাক কমলা এবং ৫০-৬০ ট্রাক আঙ্গুর বাংলাদেশে ঢুকছে। প্রতি ট্রাকে ১৫-১৬ টন আঙ্গুর পরিবহন করা হয়। সর্বসাকুল্যে দৈনিক প্রায় ৮০০ টন কমলা এবং প্রায় ১২০০ টন আঙ্গুর দেশে আসছে। হিসাব মতে, চোরাইপথে এসব ফল আমদানিতে মাসে প্রায় ২২০ কোটি টাকার রাজস্ব হারাচ্ছে সরকার।   

এই পাতার আরো খবর
up-arrow