Bangladesh Pratidin

ঢাকা, শনিবার, ১৯ আগস্ট, ২০১৭

ঢাকা, শনিবার, ১৯ আগস্ট, ২০১৭
প্রকাশ : মঙ্গলবার, ১৪ মার্চ, ২০১৭ ০০:০০ টা আপলোড : ১৩ মার্চ, ২০১৭ ২৩:৩০
রাবির উপাচার্য হচ্ছেন কে
লবিং-তদবির আর গুঞ্জন
মর্তুজা নুর, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়

আগামী ১৯ মার্চ শেষ হচ্ছে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের (রাবি) বর্তমান উপাচার্য ও উপ-উপাচার্যের মেয়াদ। বিশ্ববিদ্যালয়ের গুরুত্বপূর্ণ এই দুই পদে কারা আসছেন তা নিয়ে ইতিমধ্যে শুরু হয়েছে নানা গুঞ্জন।

কে হচ্ছেন রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের পরবর্তী উপাচার্য এ প্রশ্ন শিক্ষার্থী ও সংশ্লিষ্ট মহলে। উল্লেখ্য, বিশ্ববিদ্যালয় অধ্যাদেশ-১৯৭৩ অনুযায়ী দেশের চারটি শীর্ষ বিশ্ববিদ্যালয় পরিচালিত হয়। এ অধ্যাদেশের ১১(২) ধারা অনুযায়ী, ‘বিশ্ববিদ্যালয়ের আচার্য (রাষ্ট্রপতি) সিনেট মনোনীত তিনজনের একটি প্যানেল থেকে একজনকে উপাচার্য হিসেবে চার বছরের জন্য নিয়োগ দেন। কিন্তু বিগত দুই দশক ধরে দলীয় বিবেচনায় নিজেদের পছন্দের উপাচার্য দিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়গুলো পরিচালনা করে আসছে সরকারগুলো। এক্ষেত্রে রাজনৈতিক রং দেখেই নিয়োগ দেওয়া হয় উপাচার্য ও উপ-উপাচার্যকে। তাই রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের এই দুই পদে আসার জন্য সরকারদলীয় সমর্থক একাধিক শিক্ষক শুরু করেছে দৌড়ঝাঁপ ও লবিং। গোয়েন্দা সূত্রগুলো বলছে, ‘বর্তমান প্রশাসনের দায়িত্বে থাকা উপ-উপাচার্য চৌধুরী সারওয়ার জাহান এবারে উপাচার্যের দায়িত্বে আসতে পারেন। আর  উপাচার্য অধ্যাপক মুহম্মদ মিজানউদ্দিনকে রাষ্ট্রদূতের দায়িত্ব দেওয়া হতে পারে।   তাদের মেয়াদকালে গত কয়েক বছরে বিশ্ববিদ্যালয় সার্বিকভাবে যে উন্নতি হয়েছে তা সরকারের নজর কেড়েছে। এদিকে বর্তমান সময়ে উপাচার্য নিয়োগের ক্ষেত্রে প্রধানমন্ত্রী একটি সুপারিশ আচার্যের কাছে প্রেরণ করেন। সেই সুপারিশ অনুযায়ী উপাচার্য নিয়োগ দেন আচার্য। বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগের সভাপতি গোলাম কিবরিয়ার দাবি, রাজশাহী মহানগর আওয়ামী লীগের সঙ্গে যাদের সুসম্পর্ক তারই প্রশাসনের দায়িত্বে আসুক।

এই পাতার আরো খবর
up-arrow