Bangladesh Pratidin

ঢাকা, শনিবার, ১৯ আগস্ট, ২০১৭

ঢাকা, শনিবার, ১৯ আগস্ট, ২০১৭
প্রকাশ : শনিবার, ১৮ মার্চ, ২০১৭ ০০:০০ টা আপলোড : ১৮ মার্চ, ২০১৭ ০১:৫৬
ভ্যাট ফাঁকি বন্ধে ইএফডি যন্ত্র আনছে এনবিআর
রুহুল আমিন রাসেল
ভ্যাট ফাঁকি বন্ধে ইএফডি যন্ত্র আনছে এনবিআর

ভ্যাট বা মূল্য সংযোজন কর (মূসক) ফাঁকি বন্ধে ব্যবসায়ীদের ইলেকট্রনিক ফিসক্যাল ডিভাইস (ইএফডি) নামক এক ধরনের যন্ত্র দেবে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড—এনবিআর। এতে ব্যবসা প্রতিষ্ঠানগুলো প্রযুক্তির জালে আসবে।

১০০ কোটি টাকায় ১০ হাজার ইএফডি দেওয়া হবে ক্রয়মূল্যে। তবে কেউ যেন এই যন্ত্র নষ্ট বা বন্ধ করে ভ্যাট ফাঁকি দিতে না পারে, সেজন্য সার্বক্ষণিক মনিটরিং করবে ভ্যাট প্রশাসন। এনবিআরের তথ্যমতে, মোট দেশজ উৎপাদনে (জিডিপি) খুচরা ও পাইকারি পর্যায়ের ব্যবসায়ীদের অবদান প্রায় ১৩ শতাংশ। অর্থাৎ প্রায় ২ লাখ কোটি টাকা। এর ওপর ১৫ শতাংশ হারে ভ্যাট আহরণ করা সম্ভব হলে বছরে প্রায় ৩০ হাজার কোটি টাকা রাজস্ব আহরণ হতে পারে। এ থেকে অব্যাহতিপ্রাপ্ত অর্থ বাদ দেওয়া হলে বছরে ন্যূনতম ৮ থেকে ১০ হাজার কোটি টাকার ভ্যাট আহরণ করা সম্ভব। কিন্তু বিদ্যমান আইনের সনাতনী করব্যবস্থার সীমাবদ্ধতা ও অন্যান্য প্রায়োগিক সমস্যার কারণে বিপুল সম্ভাবনা থাকার পরও এ খাতে যথাযথ পরিমাণে রাজস্ব আহরণ সম্ভব হচ্ছে না। এই ব্যাপক রাজস্ব সম্ভাবনার বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত খুচরা ও পাইকারি পর্যায়ের ভ্যাট আহরণে আন্তর্জাতিকভাবে পরীক্ষিত ব্যবস্থা হিসেবে ইএফডি সিস্টেম কেনার নির্দেশ দিয়েছেন। এ প্রসঙ্গে এনবিআর চেয়ারম্যান নজিবুর রহমান বাংলাদেশ প্রতিদিনকে বলেন, ইএফডি চালুর মধ্য দিয়ে ভ্যাট আদায়ব্যবস্থা অনেক উন্নত হবে। রাজস্বও অনেক বেড়ে যাবে।

জানা গেছে, বর্তমানে সারা দেশে ভ্যাট নিবন্ধিত প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা ৫ লাখ ৭০ হাজার হলেও নিয়মিত দাখিলপত্র পেশকারী প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা প্রায় ৪১ হাজার। আর সারা দেশে ২৫ লাখ দোকান থাকলেও ভ্যাট দেয় মাত্র ৬০ হাজার দোকান। ২০০৯ সালে ১১টি খাতে ইসিআর ও পিওএস ব্যবহার চালু করা হলেও তাতে বুড়ো আঙুল দেখিয়ে চলেছেন ব্যবসায়ীরা।

up-arrow