Bangladesh Pratidin

প্রকাশ : বৃহস্পতিবার, ১২ জুলাই, ২০১৮ ০০:০০ টা প্রিন্ট ভার্সন আপলোড : ১১ জুলাই, ২০১৮ ২৩:৩২
রাজশাহী
রাতারাতি বদলে গেছে শহর
নিজস্ব প্রতিবেদক, রাজশাহী
bd-pratidin

সিটি করপোরেশন নির্বাচনকে ঘিরে একদিনেই বদলে গেছে রাজশাহী নগরীর চেহারা। প্রার্থীদের পোস্টার, ব্যানার, ফেস্টুনে ছেয়ে গেছে পুরো নগরী। একই সঙ্গে চলছে প্রার্থীদের গণসংযোগ তৎপরতা।

প্রচারণার দ্বিতীয় দিনে গতকাল বিএনপির মেয়র প্রার্থী মোসাদ্দেক হোসেন বুলবুল নগরীর ১ নম্বর ওয়ার্ডে গণসংযোগ করেছেন। সকাল ৮টা থেকে দুপুর পর্যন্ত তিনি ওই ওয়ার্ডের কাশিয়াডাঙ্গা, আদুবুড়ি, কাঁঠালবাড়িয়া, সাহজীপাড়া, হারুপুর, সায়েরগাছা, রায়পাড়া, পূর্বপাড়া, গোলজারবাগ, পুরাপাড়া, মুন্সিপাড়া, হড়গ্রাম ও পীরসাহেব পাড়ায় গণসংযোগ করেন। এ সময় বাড়ি বাড়ি দিয়ে বুলবুল ভোটারদের কাছে দোয়া ও ধানের শীষে ভোট চান। পরে তিনি সাংবাদিকদের বলেন, সরকার দলীয় মেয়র প্রার্থীর পক্ষ থেকে তার পোস্টার, ব্যানার ও ফেস্টুন টানাতে বাধা দেওয়া হচ্ছে। কোথাও কোথাও টানানো পোস্টার ছিঁড়ে নষ্ট করে ফেলা হয়েছে। এছাড়াও রাতারাতি সব জায়গা দখল করে সরকার দলীয় প্রার্থীর পোস্টার, ব্যানার, ফেস্টুন টানানো হয়েছে। তারগুলো লাগানোর কোনো জায়গা রাখা হয়নি। তিনি সুষ্ঠু নির্বাচন নিয়ে সংশয় প্রকাশ করেন। বিএনপি চেয়ারপার্সনের উপদেষ্টা মিজানুর রহমান মিনু অভিযোগ করেন, প্রশাসনের পক্ষ থেকে নেতা-কর্মীদের বাড়ি বাড়ি গিয়ে হুমকি দিচ্ছে। এরই মধ্যে ১৫ জন নেতা-কর্মীকে গ্রেফতার করেছে। তারপরেও এই নির্বাচন থেকে তারা সরে যাবেন  না। এ জন্য তিনস্তরের নেতা-কর্মী প্রস্তুত রাখা হয়েছে।

তবে আওয়ামী লীগ প্রার্থী এএইচএম খায়রুজ্জামান লিটনের প্রধান সমন্বয়কারী ডাবলু সরকার বলেন, বিএনপি নির্বাচনে বিজয়ী হতে পারবে না বুঝতে পেরে আগে থেকে বিতর্কের জন্ম দিতে চাইছে।

 তিনি বলেন, বিএনপি প্রার্থীর কোনো পোস্টার, ফেস্টুন ছিঁড়ে ফেলা হচ্ছে না। তারা এমন কোনো অভিযোগ নির্বাচন কমিশনেও করেনি। তারা আগে থেকেই ইস্যু করতে করতে মিথ্যা প্রচারণা চালাচ্ছে। তিনি আরও বলেন, সরকারের উন্নয়ন কর্মকাণ্ডই তাদের প্রচারণার মূল টার্গেট। এদিকে আওয়ামী লীগের প্রার্থী এএইচএম খায়রুজ্জামান লিটন গতকাল প্রচারণা চালিয়েছেন নগরীর আরডিএ মার্কেট এলাকায়। তিনি ভোটারদের কাছে আরেকটিবার সুযোগ চান। এসময় তিনি বলেন, এবার ভোটারদের কাছ থেকে ভালো সাড়া পাচ্ছেন। উন্নয়নের জন্যই তারা নৌকায় ভোট দেবে। জানা গেছে, এছাড়া নির্বাচনী আচরণবিধি মেনে চলতে ১০ জন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট কাজ শুরু করেছেন। সহকারী রিটার্নিং অফিসার দেলোয়ার হোসেন বলেন, প্রার্থীরা যাতে নির্বাচনী আচরণবিধি মেনে চলেন, সেজন্য তারা কাজ শুরু করেছেন। বিএনপি তাদের কাছে কোনো অভিযোগ করেনি বলেও জানান তিনি।

সংশ্লিষ্ট সংবাদ

এই পাতার আরো খবর
up-arrow