Bangladesh Pratidin

প্রকাশ : রবিবার, ২ সেপ্টেম্বর, ২০১৮ ০০:০০ টা প্রিন্ট ভার্সন আপলোড : ১ সেপ্টেম্বর, ২০১৮ ২২:৫৪
আইন বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা সময়ের দাবি
—প্রধান বিচারপতি
নিজস্ব প্রতিবেদক
bd-pratidin

দেশে একটি স্বতন্ত্র আইন বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন প্রধান বিচারপতি সৈয়দ মাহমুদ হোসেন। তিনি বলেন, আইন ও বিচার বিভাগের উন্নয়নের লক্ষ্যে প্রতিবেশী দেশের আদলে একটি স্বতন্ত্র আইন বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা এখন সময়ের দাবি। বিশিষ্ট সমাজ সেবক ও আইনজীবী ব্যারিস্টার রফিক-উল হককে গতকাল খানবাহাদুর আহছ্ানউল্লাহ স্বর্ণপদক ২০১৭ প্রদান অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন। রাজধানীর আহছ্ানউল্লাহ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় মিলনায়তনে এর আয়োজন করা হয়। ঢাকা আহছ্ানিয়া মিশন জাতীয় পর্যায়ে কৃতী ব্যক্তিদের প্রতিভা এবং দেশ ও সমাজে বিশেষ অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ ১৯৮৬ সাল থেকে এই স্বর্ণপদক প্রদান করছে। এ পর্যন্ত ২৬ জনকে পদক প্রদান করা হলো।

আইন বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার ওপর গুরুত্বারোপ করে প্রধান বিচারপতি বলেন, ব্যারিস্টার রফিক-উল হকসহ এদেশের জ্ঞানতাপস ও আইনজ্ঞদের কাছে নিবেদন করব তারা যেন আমাদের প্রতিবেশী দেশের আদলে অন্তত একটি স্বয়ংসম্পূর্ণ আইন বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা করেন, যা আইন শিক্ষার গুণগতমান ও গবেষণাকে আরও সমৃদ্ধ করবে। তাদের এ কর্মের জন্য ভবিষ্যৎ প্রজন্ম, যারা আইনকে পেশা হিসেবে গ্রহণ করবে—তাদের কাছে তারা প্রাতঃস্মরণীয় হয়ে থাকবেন বলে আমার বিশ্বাস।

প্রধান বিচারপতি বলেন, বিচার বিভাগের ভাবমূর্তি রক্ষা, বিচার বিভাগ পৃথকীকরণ ও আইনের শাসন প্রতিষ্ঠায় ব্যারিস্টার রফিক-উল হকের ভূমিকা অপরিসীম। বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ মামলায় অ্যামিকাস কিউরি হিসেবে আদালতকে তিনি মতামত দিয়েছেন। তার দেওয়া মতামত বিভিন্ন সময়ে গুরুত্বপূর্ণ মামলার রায়ে প্রতিফলিত হয়েছে। জাতীয় ক্রান্তিলগ্নে তিনি অনুঘটকের ভূমিকা পালন করেছেন। জীবনে উপার্জিত অর্থ থেকে তিনি সমাজ সেবায় ব্যয় করেছেন। প্রতিষ্ঠা করেছেন বেশ কিছু হাসপাতাল, মেডিকেল কলেজ, এতিমখানা ও মসজিদ।

জাতীয় অধ্যাপক ড. আনিসুজ্জামানের সভাপতিত্বে সভায় আলোচনায় অংশ নেন সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী এ এফ হাসান আরিফ, জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের সাবেক চেয়ারম্যান ড. মোহাম্মদ আবদুল মজিদ, আহছ্ানউল্লাহ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য অধ্যাপক কাজী শরিফুল আলম, ঢাকা আহ্ছানিয়া মিশনের প্রেসিডেন্ট কাজী রফিকুল আলম প্রমুখ।

এই পাতার আরো খবর
up-arrow