Bangladesh Pratidin

প্রকাশ : বৃহস্পতিবার, ৬ সেপ্টেম্বর, ২০১৮ ০০:০০ টা প্রিন্ট ভার্সন আপলোড : ৫ সেপ্টেম্বর, ২০১৮ ২২:৫০
মায়ের পরকীয়ার বলি দুই কন্যা, বিচার চাইলেন পিতা
সৌদি আরব প্রতিনিধি

দুই কন্যার জন্য ঠিক করা কম্পিউটার শিক্ষকের সঙ্গে পরকীয়ায় জড়িয়ে পড়েন স্ত্রী নাছিমা আক্তার। এর জেরে দুই কন্যাকে হত্যা করা হয়েছে বলে দাবি করেছেন প্রবাসী স্বামী রেজাউল হক হেলাল। তার অভিযোগ স্ত্রী, পরকীয়া প্রেমিক, শ্বশুর ও শাশুড়ি ঠাণ্ডা মাথায় তার দুই কন্যা নাবিলা হক ও জামিলা হক জিমুকে হত্যা করেছে।

গত রবিবার সৌদি আরবের রিয়াদে এক সংবাদ সম্মেলনে এসব অভিযোগ করেন সৌদি প্রবাসী রেজাউল হক  হেলাল। সংবাদ সম্মেলনে তিনি জানান, তার বাড়ি ফেনী  জেলার দাগনভূঞা উপজেলার ৭নং মাতুভূঞা ইউনিয়নের আশ্রাফুরে। তিনি ১৯৮৮ সালে পারিবারিকভাবে লক্ষ্মীপুর জেলার রায়পুর নিবাসী অহিদুল্লার কন্যা নাছিমা আক্তারের সঙ্গে ঢাকার কল্যাণপুরে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হন। ২০০৮ সালে অর্থনৈতিক সমৃদ্ধির জন্য জীবিকার তাগিদে সৌদি আরব চলে যান তিনি। এর আগে ঢাকার দনিয়া কলেজের পাশে ভাড়া বাসায় আদরের দুই কন্যা নাবিলা হক, জামিলা হক ও স্ত্রী নাছিমাকে রেখে যান।  

রেজাউল হক হেলাল বলেন, আমি সৌদি আরব আসার পর বগুড়ার ছেলে কম্পিউটার শিক্ষক মশিউর রহমান  মোহনকে আমার মেয়েদের কম্পিউটার শিখানোর জন্য বাসায় রাখা হয়, সেই সুবাধে সে আমার বাসায় যাতায়াত করতো।

সংবাদ সম্মেলনে হেলাল কান্নাজড়িত কণ্ঠে বলেন, আমি আশঙ্কা করছি, আমার বড় মেয়ে নাবিলা হক ও জামিলা হক জিমুকে পরকীয়ার কারণে পরিকল্পিত ভাবে ঠাণ্ডা মাথায় নাছিমা আক্তার ও মশিউর রহমান মোহন হত্যা করেছে। তারা আমার দুই মেয়েকে পরকীয়ার বলি বানিয়ে দুনিয়া থেকে বিদায় এবং আমার সাজানো সংসার ধ্বংস করে দিয়েছে।   

এসময় তিনি এ ঘটনায় স্ত্রী ও তার পরকীয়া প্রেমিক, শ্বশুর এবং শাশুড়িকে গ্রেফতার করে প্রধানমন্ত্রীর কাছে ন্যায় বিচার দাবি করেন। 

 

 

এই পাতার আরো খবর
up-arrow