Bangladesh Pratidin

প্রকাশ : সোমবার, ১০ সেপ্টেম্বর, ২০১৮ ০০:০০ টা প্রিন্ট ভার্সন আপলোড : ৯ সেপ্টেম্বর, ২০১৮ ২২:৪৫
দাফনের ১১ দিন পর জীবিত পাওয়া গেল গৃহবধূকে
নিজস্ব প্রতিবেদক, যশোর

যশোর শহরের সিটি কলেজ এলাকায় সাথী খাতুন নামে এক গৃহবধূর লাশ দাফনের ১১ দিন পর তাকে জীবিত উদ্ধার করেছে পুলিশ। গতকাল সকালে যশোর সদর উপজেলার জলকর গ্রামের আজিজুর লস্করের বাড়ি থেকে তাকে উদ্ধার করা হয়।

সাথী খাতুন চৌগাছা উপজেলার নয়ড়া গ্রামের আমজাদ আলীর মেয়ে এবং একই উপজেলার চাঁদপাড়া গ্রামের গোলাম মোস্তফার স্ত্রী। জানা গেছে, গত ১৪ জুলাই সাথী তার স্বামীর বন্ধু একই গ্রামের মানুর সঙ্গে পালিয়ে যান। সাথীর স্বজনরা তখন বলেছিলেন, সাথীর কোনো খোঁজ পাওয়া যাচ্ছে না। এরপর গত ২৯ আগস্ট রাতে যশোর সরকারি সিটি কলেজ মসজিদের পাশ থেকে পলিথিনে মোড়ানো এক নারীর গলা কাটা অর্ধগলিত লাশ উদ্ধার করে পুলিশ। সাথীর বাবা আমজাদ আলী লাশটি তার মেয়ের বলে শনাক্ত করেন। ময়নাতদন্তের পর লাশ তার পিতার জিম্মায় দিয়ে দেওয়া হয়। যশোর কোতোয়ালি থানায় এ ব্যাপারে মামলাও হয়। পরে পুলিশ সাথীর ফোন নম্বর ট্র্যাকিং করে নিশ্চিত হয় যে, তিনি মারা যাননি। প্রেমিক মানুর ধর্মপিতা যশোর সদর উপজেলার জলকর গ্রামের আজিজুর লস্করের বাড়িতে তিনি অবস্থান করছেন। সেখান থেকে উদ্ধার করে গতকাল আদালতে তোলা হলে সাথী প্রকৃত ঘটনা খোলে বলেন। যশোর কোতোয়ালি থানার উপ-পরিদর্শক মো. আমিরুজ্জামান বলেন, ১৪ জুলাই বিকালে বাইরে যাওয়ার কথা বলে সাথী বাড়ি থেকে বের হন।

এরপর সাথী ও মানু স্বামী-স্ত্রী পরিচয়ে সদর উপজেলার জলকর গ্রামের আজিজুর লস্করের বাড়িতে যান। ১৫ দিন পর মানু মালয়েশিয়া চলে গেলে সাথী আর নিজের বাড়িতে ফিরে যাননি।

এদিকে গত ২৯ আগস্ট উদ্ধার হওয়া গলা কাটা নারীর লাশের পরিচয় অজ্ঞাত রয়ে গেছে। পুলিশের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, এ রহস্য উদঘাটনে তদন্ত চলছে।

এই পাতার আরো খবর
up-arrow