Bangladesh Pratidin

প্রকাশ : বৃহস্পতিবার, ১৭ জানুয়ারি, ২০১৯ ০০:০০ টা প্রিন্ট ভার্সন আপলোড : ১৬ জানুয়ারি, ২০১৯ ২২:৪৩
কম দামে সব খবর পাওয়া যায়
কামরুজ্জামান সোহেল, ফরিদপুর
কম দামে সব খবর পাওয়া যায়

আমরা জনগণের পক্ষে - এ স্লোগান নিয়ে পথচলা শুরু হয় বাংলাদেশ প্রতিদিনের। শুরুতেই পত্রিকাটি ফরিদপুরের সব শ্রেণির পাঠকের হৃদয়ে স্থান করে নেয়। আজ অবধি শীর্ষে রয়েছে। বাংলাদেশ প্রতিদিন কেন শীর্ষে-এ বিষয়ে জানতে বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, কম দামে সব রকমের খবর পাওয়া যায় এ পত্রিকাটিতে। গতানুগতিক ধারার কোনো পত্রিকা নয়। রাজনৈতিক খবর যেমন পাওয়া যায় তেমন প্রত্যন্ত গ্রামের ভালো খবরগুলোও গুরুত্বসহকারে প্রকাশ হয়। এ ছাড়া সহজসরল ভাষায় সংবাদ প্রকাশ হওয়ায় সব ধরনের ও সব বয়সী পাঠক রয়েছে। বাংলাদেশ প্রতিদিন এখন ফরিদপুরের বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের হাতে হাতে দেখা যায়। ভোরে পত্রিকাটি ফরিদপুরে আসার সঙ্গে সঙ্গেই সব কপি বিক্রি হয়ে যায় বলে জানান জেলার প্রবীণ পত্রিকা এজেন্ট নারায়ণ চন্দ্র দাস। তিনি বলেন, ‘কম দামে সব ধরনের খবর এ পত্রিকাটিতে পাওয়া যায় বলে মানুষ বাংলাদেশ প্রতিদিন লুফে নেয়।’ আরেক এজেন্ট কার্তিক বলেন, ‘সকাল ১০টার মধ্যেই সব কপি শেষ হয়ে যায়। শহরের পাঠকের কাছে যেমন এ পত্রিকাটির চাহিদা রয়েছে গ্রামের প্রত্যন্ত এলাকায়ও একই রকমের চাহিদা রয়েছে।’

শহর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বরকত ইবনে সালাম বলেন, ‘বাংলাদেশ প্রতিদিন এমন একটি পত্রিকা, যে পত্রিকাটি সাধারণ মানুষের ভাষা বোঝে। এ পত্রিকাটির প্রথম পৃষ্ঠায় “এক্সক্লুসিভ” সংবাদ বেশি থাকে। এ পত্রিকার সম্পাদকীয় অন্য পত্রিকার তুলনায় একেবারেই ভিন্নরকম। আমার জানা মতে, অন্য পত্রিকার সম্পাদকীয় পাতাটি আলাদা গুরুত্ব বহন করে।’

জেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক রশিদুল ইসলাম লিটন বলেন, ‘এ পত্রিকাটি পড়ে আমার মাঝেমধ্যে মনে হয় পত্রিকার সম্পাদক “জাদু” জানেন। তিনি বুঝতে পারেন কোন সময় কোন সংবাদটি দিলে পাঠক লুফে নেবে। এ কারণেই শুরু থেকে এখন পর্যন্ত পত্রিকাটি সকল মহলের গ্রহণযোগ্যতা পেয়েছে।’ ফরিদপুর জেলা পরিষদের সদস্য মহিলা নেত্রী আনজুমান আরা বলেন, ‘পত্রিকাটি সব খবরই সমান গুরুত্ব দিয়ে প্রকাশ করে। ফলে এ পত্রিকাটি পড়ে সবকিছুই জানতে পারি।’ এস এ মান্নান ক্যাডেট স্কুল অ্যান্ড কলেজের প্রতিষ্ঠাতা শেখ সাইফুল ইসলাম অহিদ বলেন, ‘কম দামে, কম পাতার এ পত্রিকাটির খবরের নিরপেক্ষতাই পাঠকের অন্তরে জায়গা করে নিতে সক্ষম হয়েছে।’ পাঠক মাহফুজুর রহমান বলেন, ‘সকালে এ পত্রিকাটি না পড়লে অতৃপ্তি থেকে যায়। অন্য পত্রিকা না পড়লেও বাংলাদেশ প্রতিদিন পড়া মিস করি না।’

এই পাতার আরো খবর
up-arrow