Bangladesh Pratidin

প্রকাশ : ১৬ এপ্রিল, ২০১৮ ১৯:০৭ অনলাইন ভার্সন
মার্সেল নিয়ে এলো টারবো কুলিং এয়ার কন্ডিশনার
অনলাইন ডেস্ক
মার্সেল নিয়ে এলো টারবো কুলিং এয়ার কন্ডিশনার
bd-pratidin

 


দেশীয় ব্র্যান্ড মার্সেল বাজারে ছেড়েছে টারবো কুলিং এয়ারকন্ডিশনার। এনেছে সাশ্রয়ী মূল্যের ব্যাপক বিদ্যুৎ সাশ্রয়ী ইন্টেলিজেন্ট ইনর্ভাটার প্রযুক্তির এসি। যা সাধারণ এসির তুলনায় ৬০ শতাংশ পর্যন্ত বিদ্যুৎ সাশ্রয়ী। 

মার্সেল এসির চিফ অপারেটিং অফিসার প্রকৌশলী ইসহাক রনি জানান, নতুন আসা এসিতে ব্যবহৃত হয়েছে ইন্টেলিজেন্ট ইনভার্টার প্রযুক্তি। যা ব্যাপক বিদ্যুৎ সাশ্রয় করে। মার্সেল এসিতে আরো ব্যবহার করা হচ্ছে গোল্ডেন কালার ফিন প্রযুক্তি। যা নিশ্চিত করে এসির দীর্ঘস্থায়ীত্ব। সংযোজন করা হয়েছে আয়নাইজার প্রযুক্তি। যা রুমের বাতাসকে রাখে ধুলা-ময়লা ও ব্যাকটেরিয়ামুক্ত। 

প্রকৌশলীরা জানান, মার্সেলের ইনভার্টার প্রযুক্তির এসির কম্পেসরে রয়েছে টার্বোমুড। যা রুমের তাপমাত্রা দ্রুত কমিয়ে আনে। রুম তাড়াতাড়ি ঠাণ্ডা হয়। এই প্রযুক্তিতে রুমের তাপমাত্রা অনুযায়ী কম্প্রেসরের গতি নিয়ন্ত্রিত হয় পিসিবি বা মাদারবোর্ডে স্থাপিত মাইক্রোপ্রসেসরের বিশেষ প্রোগ্রামিং এর দ্বারা। অর্থাৎ রুমের তাপমাত্রা কমার পাশাপাশি কম্প্রেসরের গতিও কমে আসে। ফলে ব্যাপক বিদ্যুৎ সাশ্রয় হয়। 

এ ছাড়া, মার্সেল এসির কম্প্রেসরে ব্যবহৃত হচ্ছে বিশ্বস্বীকৃত সম্পূর্ণ পরিবেশবান্ধব আর৪১০এ রেফ্রিজারেন্ট। এসব কারণে মার্সেল ইনভার্টার এসিতে একদিকে ৬০ শতাংশ পর্যন্ত বিদ্যুৎ সাশ্রয় হয়; অন্যদিকে কম্প্রেসরের স্থায়িত্বও দ্বিগুণের বেশি বেড়ে যায়। যার ফলে ইনভার্টার এসির কম্প্রেসরে ৮ বছরের গ্যারান্টি দেয়া সম্ভব হচ্ছে।

মার্সেল এসির প্রোডাক্ট ম্যানেজার রায়হান চৌধুরী বলেন, বিগত বছরগুলোর অভিজ্ঞতায় দেখা গেছে গরমে বেড়ে যায় এসির চাহিদা। সেজন্য আগেভাগেই প্রস্তুতি নিয়ে রেখেছে মার্সেল। গাজীপুরের চন্দ্রায় নিজস্ব কারখানায় বাড়ানো হয়েছে উৎপাদন। বাজারের চাহিদা মেটাতে নেয়া হয়েছে সবরকমের প্রস্তুতি। বাড়ানো হয়েছে মজুদ। সেইসঙ্গে ছাড়া হয়েছে দেড় টনের (১৮০০০ বিটিইউ) নতুন মডেলের বিদ্যুৎ সাশ্রয়ী ইনভার্টার প্রযুক্তির এসি। 

মার্সেল বিপণন বিভাগের প্রধান ড. মো. সাখাওয়াৎ হোসেন জানান, মার্সেলের রয়েছে সঠিক বিটিইউ সম্পন্ন ৮ মডেলের এসি। এর মধ্যে ভালো চলছে পরিবেশ-বান্ধব আয়নাইজার প্রযুক্তির এসি। নতুন যুক্ত হয়েছে ইনভার্টার প্রযুক্তির এসি। যার ফলে গত মার্চ মাসে লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে তিনগুণ বেশি এসি বিক্রি হয়েছে। চলতি মাসেও বিক্রির এ ধারা অব্যাহত রয়েছে। 

তার মতে, বিক্রি বৃদ্ধিতে বিশেষ ভ‚মিকা রাখছে সর্বাধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার, সঠিক বিটিইউ ও উচ্চ গুণগতমানের নিশ্চয়তা, আকর্ষণীয় ডিজাইন ও আউটলুক, সাশ্রয়ী মূল্য, এসিতে ছয় মাসের রিপ্লেসমেন্ট গ্যারান্টি এবং দেশব্যাপী বিস্তৃত সেলস ও সার্ভিস নেটওয়ার্ক। 

জানা গেছে, আয়নাইজার প্রযুক্তির ২৪০০০ বিটিইউ (২ টন) মার্সেল এসির দাম ৫৬ হাজার ৯০০ টাকা। আর ২১০০০ বিটিইউ (পৌনে দুই টন) এসির দাম ৫২ হাজার ৯০০ টাকা। ১৮০০০ বিটিইউ (দেড় টন) মার্সেল এসির দাম পড়বে ৪৫ হাজার ৯০০ টাকা। ১২০০০ (এক টন) বিটিইউ’র মার্সেল এসি পাওয়া যাচ্ছে ৩৬ হাজার টাকায়।
উল্লেখ্য, মার্সেল এসির কম্প্রেসরে রয়েছে সর্বোচ্চ ৮ বছরের রিপ্লেসমেন্ট গ্যারান্টি। আরো রয়েছে ৩ বছর পর্যন্ত ফ্রি বিক্রয়োত্তর সুবিধা। দেশের প্রতিটি বিভাগীয় শহরসহ বর্তমানে ৪৩টি জেলা শহরে রয়েছে আইএসও সনদপ্রাপ্ত সার্ভিস সেন্টার।

এদিকে, বিক্রয়োত্তর সেবা কার্যক্রম অনলাইনের আওতায় আনতে আবারও ডিজিটাল ক্যাম্পেইন শুরু করেছে মার্সেল। এই ক্যাম্পেইন চলাকালে দেশব্যাপী মার্সেল শোরুম থেকে ক্রেতারা প্রতিদিন মার্সেল ফ্রিজ, টিভি অথবা এসি কিনে তা রেজিস্ট্রেশন করলেই পেতে পারেন ফ্রিজ, টিভি অথবা এসি সম্পূর্ণ ফ্রি। এছাড়াও পেতে পারেন আমেরিকা কিংবা রাশিয়া ভ্রমণের সুযোগ। এসব সুবিধা না পেলেও মিলবে নিশ্চিত ১ হাজার টাকা পর্যন্ত নগদ ছাড়।

ডিজিটাল ক্যাম্পেইনের আওতায় গ্রীষ্মকালের জন্য মার্সেল ফ্রিজ ও এসিতে এবং বিশ্বকাপ ফুটবল উপলক্ষে মার্সেল টিভিতে এসব সুবিধা থাকবে ৩০ জুন পর্যন্ত।

বিডি প্রতিদিন/১৬ এপ্রিল, ২০১৮/ফারজানা  

আপনার মন্তব্য

এই পাতার আরো খবর
up-arrow