Bangladesh Pratidin || Highest Circulated Newspaper
শিরোনাম
প্রকাশ : ১৩ মার্চ, ২০১৯ ১৬:২৩

করতোয়ার তীরে ‘ফ্রুটিকা ইসলামিক জিনিয়াস’

প্রেস বিজ্ঞপ্তি

করতোয়ার তীরে ‘ফ্রুটিকা ইসলামিক জিনিয়াস’

করতোয়া নদীর বিধৌত অঞ্চলের সেরা ইসলামী প্রতিভা খুঁজে আনতে বগুড়ায় অনুষ্ঠিত হলো দেশের সবচেয়ে বড় ইসলামী প্রতিযোগীতা ‘ফ্রুটিকা ইসলামিক জিনিয়াস। 

বুধবার নগরীর শহীদ টিটু অডিটরিয়ামে আঞ্চলিক বাছাই পর্বে তিনশোর অধিক প্রতিযোগী অংশগ্রহণ করে বলে এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়।

প্রাথমিক বাছাইয়ে ২৩ জন প্রতিযোগী নির্বাচিত করা হয় যাদের মধ্য থেকে সেরা ছয় জন ঢাকায় চূড়ান্ত পর্বে সরাসরি অংশগ্রহণ করবেন জানান কর্মকর্তারা। 
আকিজ ফুড এন্ড বেভারেজের (এএফবিএল) উদ্যোগে ‘ফ্রুটিকা ইসলামিক জিনিয়াস’ নবীন শিক্ষার্থীদের মাঝে ইসলামী আদর্শ তৈরিতে ভুমিকা রাখছে বলে বলে আয়োজকদের ভাষ্য।  বিদ্যালয় এবং মাদ্রাসার ১২-১৮ বছর বয়সী শিক্ষার্থীরা এই প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণ করছেন, যারা ক্বিরাত, ইসলামিক জ্ঞান, হামদ-নাত এবং আযান এ সমানভাবে পারদর্শী।  
আয়োজকরা জানান প্রতিযোগিতার চুড়ানত পর্বে বিজয়ী ৫ লাখ, দ্বিতীয় ও তৃতীয় বিজয়ীকে যথাক্রমে দুই ও এক লাখ টাকা পুরস্কার দেওয়া হবে। পাশাপাশি বিজয়ীদের স্কলারশিপের সুযোগ দেওয়া হবে। 

এএফবিএলের সহকারি ব্যবস্থাপক মোহাম্মদ আরিফুল হক বলেন, শিশুদের মাঝে শুদ্ধ ইসলামিক মানবিক মূল্যবোধ বিকাশ ও জাগ্রত করার লক্ষ্যে এমন উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে যাতে করে নবীন শিক্ষার্থীরা প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষার বাইরে ধর্মীয় বিষয়ে নিজেদের পারদর্শী হিসেবে গড়ে তুলতে পারবে।

বগুড়ার বাছাই পর্বে বিচারক হিসেবে দায়িত্বপালন করেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইসলামী ইতিহাস বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ওমর ফারুক, ইসলামী সংগীত শিল্পী জাফর সাদেক এবং এটিএন বাংলার এসিস্ট্যান্ট ভাইস প্রেসিডেন্ট ক্বারী একেএম ফিরোজ।

এমাসের মধ্য রাজশাহীতে ১৬ মার্চ , খুলনয় ১৯ মার্চ  এবং ঢাকা বিভাগে ২২ মার্চ বাছাই পর্ব অনুষ্ঠিত হবে বলে জানান আয়োজকরা।  এর আগে কুমিল্লা থেকে শুরূ হয়ে চট্টগ্রাম, সিলেট এবং ময়মনসিংহে অনুষ্ঠিত হয়েছে আঞ্চলিক পর্ব। 

আঞ্চলিক সেরা প্রতিযোগিদের নিয়ে পরবর্তীতে ঢাকায় আয়োজন করা হবে কিশোর শিক্ষার্থীদের মধ্যে জনপ্রিয় হয়ে ওঠা এই ইসলামী প্রতিযোগিতার চূড়ান্ত পর্ব।
দেশের নবীন শিক্ষার্থীদের মাঝে ইসলামী আদর্শ তুলে ধরার জন্য ২০১৬ সাল থেকে ‘ফ্রুটিকা ইসলামিক জিনিয়াস’ প্রতিযোগিতার আয়োজন করে আসছে। আয়োজকরা বলছেন প্রতিযোগিতাটি শিশুদের মানবিক বিকাশে অবদান রাখছে বলে বিভিন্ন মহল থেকে প্রশংসিত হয়েছে।

বিডি প্রতিদিন/এ মজুমদার


আপনার মন্তব্য