Bangladesh Pratidin

ঢাকা, রবিবার, ২৫ সেপ্টেম্বর, ২০১৬

প্রকাশ : সোমবার, ৬ জুন, ২০১৬ ০০:০০ টা আপডেট : ৬ জুন, ২০১৬ ০০:০২
রাজশাহীতে বিএনপিকে আওয়ামী লীগের ধাক্কা
নিজস্ব প্রতিবেদক, রাজশাহী
রাজশাহীতে বিএনপিকে আওয়ামী লীগের ধাক্কা

গত ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে রাজশাহীর তানোর উপজেলার সাতটি ইউনিয়নের মধ্যে চারটিতে বিএনপি ও তিনটিতে আওয়ামী লীগ প্রার্থীরা বিজয়ী হয়েছিলেন। এবারের নির্বাচনে একটিতেও বিজয়ী হতে পারেননি বিএনপি প্রার্থীরা। বাঘা উপজেলার তিনটি ইউনিয়নে গত নির্বাচনে দুটিতে বিজয়ী হয়েছিলেন বিএনপি প্রার্থীরা। এবার একটিতেও বিজয়ী হতে পারেননি। দুটিতে আওয়ামী লীগ সমর্থিত এবং একটিতে আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী প্রার্থী বিজয়ী হয়েছেন। রাজশাহীর সব উপজেলায় এবারের ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে বিএনপিকে ধাক্কা দিয়েছে আওয়ামী লীগ। জেলার ৮টি উপজেলার ৪৫টি ইউনিয়ন পরিষদে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। এর মধ্যে আওয়ামী লীগ সমর্থিত প্রার্থীরা ২৮টিতে, বিএনপি সমর্থিত প্রার্থীরা ৯টিতে, আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী প্রার্থীরা ৬টিতে, বিএনপির বিদ্রোহী প্রার্থী একটি ও জামায়াতের একজন বিজয়ী হয়েছেন।

বিএনপি এবার সবচেয়ে বড় ধাক্কা খেয়েছে জোট সরকারের মন্ত্রী ব্যারিস্টার আমিনুল হকের নির্বাচনী এলাকা তানোর ও জেলা বিএনপির সভাপতি নাদিম মোস্তফার নির্বাচনী এলাকা দুর্গাপুরে। এই দুই উপজেলায় বিএনপি সমর্থিত প্রার্থীরা কেউ বিজয়ী হতে পারেননি। এছাড়া অন্য উপজেলাগুলোতেও আগের চেয়ে বেশি ইউনিয়নে বিজয়ী হয়েছেন আওয়ামী লীগ সমর্থিত প্রার্থীরা।

জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আসাদুজ্জামান আসাদ বলেন, ‘বর্তমান সরকারের উন্নয়ন কর্মকাণ্ড তৃণমূল পর্যন্ত ছড়িয়ে পড়েছে। এ কারণে মানুষ আমাদের প্রার্থীদের বিজয়ী করছেন। তাছাড়া আগে বিএনপির যারা ছিলেন তারা এলাকার উন্নয়ন না করে নিজেদের উন্নয়ন করেছেন।’ বিএনপির তৃণমূল নেতাদের দাবি, প্রার্থী মনোনয়নে ভুল ছিল বিএনপির। অনেক যোগ্য ব্যক্তিকে এবার দল থেকে মনোনয়ন দেওয়া হয়নি। ফলে যারা মনোনয়ন পেয়েছেন তারা বিজয়ী হতে পারেননি। এছাড়া প্রচারণাতেও বিএনপির কর্মীদের তেমন দেখা যায়নি। তবে বিএনপির সাবেক যুগ্ম মহাসচিব ও নগর বিএনপি সভাপতি মিজানুর রহমান মিনু জানান, সরকার প্রশাসনকে ব্যবহার করে নির্বাচন করেছে। বিএনপি কর্মীরা প্রশাসনের ভয়ে মাঠে নামতে পারেনি। এ ছাড়া নির্বাচন কমিশন আওয়ামী লীগের প্রার্থীদের প্রকাশ্যে সহায়তা করেছে। এসব কারণে মানুষ বিএনপিকে ভোট দিলেও বিজয়ী হয়েছেন আওয়ামী লীগের প্রার্থীরা। কেন্দ্র থেকে যোগ্য প্রার্থীদের মনোনয়ন দেওয়া হয়েছে দাবি করে মিনু বলেন, ‘বড় দলে অনেকে মনোনয়ন প্রত্যাশী থাকেন। তারা ক্ষোভ থেকে প্রথমে নানা কথা বললেও শেষ পর্যন্ত সবাই দলের প্রার্থীর পক্ষে কাজ করেছেন।’




এই পাতার আরো খবর
up-arrow