Bangladesh Pratidin

ঢাকা, সোমবার, ৫ ডিসেম্বর, ২০১৬

প্রকাশ : বুধবার, ১৫ জুন, ২০১৬ ০০:০০ টা আপলোড : ১৪ জুন, ২০১৬ ২৩:৩০
সেলাই মেশিনটি হবে আমার জীবনযুদ্ধের অবলম্বন
মানিকগঞ্জ প্রতিনিধি
সেলাই মেশিনটি হবে আমার জীবনযুদ্ধের অবলম্বন
মানিকগঞ্জে দিলারা মোস্তফার কাছ থেকে পোশাক নিচ্ছেন এক শিশু

আমার জীবনযুদ্ধে এই সেলাই মেশিনটি হবে একটি অবলম্বন। এখন মনে অনেক সাহস পাচ্ছি। আপাকে কৃতজ্ঞতা জানানোর ভাষা নেই। বিশিষ্ট সমাজসেবী সুইড বাংলাদেশ মানিকগঞ্জ জেলা শাখার সভাপতি দিলারা মোস্তফার কাছ থেকে সেলাই মেশিন পেয়ে এভাবেই অনুভূতি প্রকাশ করলেন আমেনা খানম। আমেনা খানমের মতো মানিকগঞ্জ সরকারি শিশু পরিবারের আরও দশজন সদস্য একই কথা বললেন। এতিম এই মেয়েরা ছোটবেলা থেকেই মানিকগঞ্জ সরকারি  শিশু পরিবারের বাসিন্দা। এখানে পড়াশোনা করে এই ১১ জন এসএসসি পরীক্ষায় পাস করেছেন। এ বছর কেউ কেউ এইচএইচসি পরীক্ষা দিয়েছেন। সপ্তম শ্রেণি থেকে এদের সেলাই প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়েছে। ১৮ বছর বয়স হলেই নিয়ম অনুযায়ী এখান থেকে চলে যেতে হয়। যার ফলে এরা ছিল খুবই দুশ্চিন্তায়। বিষয়টি জানতে পেরে দিলারা মোস্তাফা এই ১১ জনকেই কিনে দিলেন সেলাই মেশিন। গতকাল শিশু পরিবারের আঙিনায় সাদামাটা একটি অনুষ্ঠানের মাধ্যমে সেলাই মেশিন বিতরণ করেন দিলারা মোস্তফা। তবে শিশু পরিবারের আরও ১০০ এতিমকেও খুশি করে দেন ঈদের নতুন জামা কাপড় দিয়ে। নতুন জামা পেয়ে শিশুরাও হাত তুলে দোয়া করলেন তাকে। এ সময় উপস্থিত ছিলেন মানিকগঞ্জ সমাজ সেবা অধিদফতরের উপ-পরিচালক মনোজকুমার ঘরামি, শিশু পরিবারের উপ-তত্ত্বাবধায়ক লাভলী খানম, বিশিষ্ট শিক্ষানুরাগী বজলুর রহমান এবং শিশু পরিবারের কর্মকর্তা কর্মচারীরা। কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে লাভলী খানম জানান, দিলারা মোস্তফা নিয়মিত এই শিশু পরিবারের শিশুদের বিভিন্নভাবে সহযোগিতা করে আসছেন। গত বছরও চার শিশুকে সেলাই মেশিন দান করেছেন। এ ছাড়াও দুই ঈদসহ বিভিন্ন অনুষ্ঠানে জামাকাপড়সহ পুষ্টিকর খাবার দেন। দিলারা মোস্তফা বলেন সামাজিক দায়বদ্ধতা থেকে এতিম শিশুদের জন্য কিছু একটা করার চেষ্টা করছি। তিনি বলেন, আমরা  সবাই মিলে উদ্যোগ নিলে শিশুদের দুর্ভোগ অনেকটা কমানো সম্ভব।

এই পাতার আরো খবর
up-arrow