Bangladesh Pratidin

ঢাকা, মঙ্গলবার, ২৪ জানুয়ারি, ২০১৭

প্রকাশ : রবিবার, ২৬ জুন, ২০১৬ ০০:০০ টা আপলোড : ২৫ জুন, ২০১৬ ২৩:৪৭
শিবগঞ্জে শ্মশানের জমি দখল!
নিজস্ব প্রতিবেদক, বগুড়া

আওয়ামী লীগ নেতার কবল থেকে শিবগঞ্জ উপজেলার বানাইল মৌজার শ্মশানঘাট উদ্ধারের দাবিতে উপজেলার সনাতন ধর্মাবলম্বীরা গতকাল ঘণ্টাব্যাপী মানববন্ধন করেছেন। এ ব্যাপারে ব্যবস্থার আবেদন জানিয়ে তারা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও)কে স্মারকলিপিও দিয়েছেন। মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, শিবগঞ্জ উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি আজিজুল হক ১০৬ বছরের পুরোনো শ্মশানঘাটের ৪ শতাংশ জমি দখল করে মাটি ভরাট করেছেন। এখন তিনি সেখানে দালানকোঠা তোলার পরিকল্পনা করছেন। তবে আজিজুল হক বলেন, তিনি বৈধভাবে শ্মশানের পাশে ৪ শতক জায়গা কিনেছেন। কোনো জায়গা দখল করেননি। তিনি বলেন, ‘আমার কেনা জায়গায় মাটি ভরাট করেছি। আমার বিরুদ্ধে যে অভিযোগ করা হয়েছে তা মিথ্যা। ’ বানাইল মৌজায় ২৫ শতক জমিতে ১৯১০ সালে শ্মশানঘাটটি চালু হয়। ব্রিটিশ আমল থেকে শুরু করে আজ পর্যন্ত ওই সম্পত্তি সনাতন ধর্মের জনসাধারণ ব্যবহার করে আসছে। সিএস-এমআরআর এবং সর্বশেষ মাঠ জরিপও তা বহাল আছে। কিন্তু এখন অভিযোগ উঠেছে উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি আজিজুল হক মহাশ্মশানের উত্তর পাশের বেশকিছু এলাকা জুড়ে মাটি ফেলে ভরাট করে দখল নিতে মরিয়া হয়ে উঠেছেন। প্রায় ৪ শতক জায়গাজুড়ে তিনি মাটি ভরাট করেন। মানববন্ধনে উপস্থিত ছিলেন, রাম নারায়ণ কানু, শিশির সাহা, প্রহলাদ সরকার, দুলাল চন্দ্র অধিকারি, শ্রীকৃষ্ণ মোহন্ত, দুলাল চন্দ্র সরকার, প্রবীণ সাংবাদিক রতন কুমার রায়, গৌরব চন্দ্র দাস, অদ্বৈত কুমার মোহন্ত, গোপাল চন্দ্র মোহন্ত, সাধন কুমার দত্ত, মিলন মোহন্ত, রাজ কুমার কানু, অখিল কুমার সরকার, সমর কুমার মোহন্ত অধির কুমার দেব, বিপ্লব মোহন্ত সুবীর কুমার দত্ত প্রমুখ। বানাইল কেন্দ্রীয় বারোয়ারী শিবমন্দির ও শ্মশান সংরক্ষণ কমিটির সাধারণ সম্পাদক দুলাল চন্দ্র সরকার অবিলম্বে শ্মশানের দখল প্রক্রিয়া বন্ধ, সীমানা প্রাচীর নির্মাণ, করতোয়া নদীর ঘাট পাকাকরণ এবং সড়কবাতি স্থাপনের দাবি জানিয়েছেন।

এই পাতার আরো খবর
up-arrow