Bangladesh Pratidin

ঢাকা, বৃহস্পতিবার, ৩০ মার্চ, ২০১৭

প্রকাশ : শনিবার, ২ জুলাই, ২০১৬ ০০:০০ টা আপলোড : ২ জুলাই, ২০১৬ ০০:১৮
বিলুপ্ত বাঁশকাটা ছিটের ৩৫ বসতভিটা নদীগর্ভে
লালমনিরহাট প্রতিনিধি
বিলুপ্ত বাঁশকাটা ছিটের ৩৫ বসতভিটা নদীগর্ভে
পাটগ্রাম উপজেলার জোংড়া ইউনিয়নে ধরলা নদীর ভাঙনে হুমকিতে আঞ্চলিক সড়ক

লালমনিরহাটের পাটগ্রাম উপজেলার জোংড়া ইউনিয়নের বুক চিরে বয়ে গেছে খরস্রোতা ধরলা নদী। এ নদীর তীব্র ভাঙনে বসতভিটা, আবাদি জমি ও রাস্তা হারিয়ে আতঙ্কিত বিলুপ্ত ছিটমহলের বাসিন্দারা। এ আতঙ্কে যে শুধু সাবেক ছিটমহলের বাসিন্দারা। সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, পাটগ্রাম উপজেলার জোংড়া ইউনিয়নের অভ্যন্তরে থাকা ভারতীয় ছোট-বড় ১৮টি বিলুপ্ত ছিটমহল এ ইউনিয়নে যুক্ত হয়েছে। এসব ছিটমহলে প্রায় সহস্রাধিক পরিবারের বসবাস। বিলুপ্ত এসব ছিটমহলগুলোর নাম-বাঁশকাটা (১২১ বাঁশকাটা, ১২২ বাঁশকাটা, ১১৯ বাঁশকাটা ইত্যাদি)। ধরলা নদীর কোল ঘেঁষে এসব বিলুপ্ত ছিটমহল। সাবেক ছিটবাসীরা এবার বর্ষা মৌসুমের শুরুতেই ধরলা নদীর তীব্র ভাঙনের কবলে পড়েছেন। গত তিন দিনে বিলীন হয়েছে ৩৫টি বসতভিটা। বসতভিটা, আবাদি জমি ও রাস্তা হারিয়ে আতঙ্কে-উদ্বিগ্ন হয়ে পড়েছে সাবেক ছিটমহলের বাসিন্দারা।   এদিকে উপজেলার জোংড়া সরকারেরহাট-বাউরা বাজার পর্যন্ত ২২ কিলোমিটার আঞ্চলিক পাকা সড়কটি অর্ধশত কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত আঞ্চলিক সড়কটিও ধসে যাওয়ার উপক্রম অবস্থায় রয়েছে। যে কোনো মুহূর্তে নদীগর্ভে চলে যেতে পারে পাকা রাস্তার অর্ধ কিলোমিটার অংশ।   এ ব্যাপারে জানতে চাইলে পাটগ্রাম উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা নুর কুতুবুল আলম সরেজমিন পরিদর্শনের কথা জানিয়ে বলেন, কাফিরবাজার নামকস্থানে আঞ্চলিক পাকা রাস্তাটি ও সাবেক বাঁশকাটা ছিটমহলগুলো ধরলা নদীর ভাঙন থেকে রক্ষায় বাঁশ ও বালুর বস্তা দিয়ে পাইলিং করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

এই পাতার আরো খবর
up-arrow