Bangladesh Pratidin

ঢাকা, সোমবার, ১১ ডিসেম্বর, ২০১৭

ঢাকা, সোমবার, ১১ ডিসেম্বর, ২০১৭
প্রকাশ : রবিবার, ৩ জুলাই, ২০১৬ ০০:০০ টা আপলোড : ২ জুলাই, ২০১৬ ২৩:৫৯
সারিয়াকান্দিতে যমুনার ভাঙন থামছে না
নিজস্ব প্রতিবেদক, বগুড়া
সারিয়াকান্দিতে যমুনার ভাঙন থামছে না
বগুড়ার সারিয়াকান্দিতে যমুনার অব্যাহত ভাঙন। ছবিটি চন্দনবাইশা ঘুঘুমারি গ্রামের

বগুড়ার সারিয়াকান্দিতে যমুনা নদীর অব্যাহত ভাঙনে উপজেলার শতাধিক পরিবার গৃহহীন হয়ে পড়েছে। নদীতে বিলীন হয়েছে শত শত একর ফসলি জমি। ভাঙনের কারণে পাঁচটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ইতিমধ্য অন্যত্র সরিয়ে নেওয়া হয়েছে। জানা যায়, চলতি বছরও যমুনার ভাঙন অব্যাহত আছে। ভাঙন প্রতিরোধে পানি উন্নয়ন বোর্ড (পাউবো) প্রতি বছর শত শত কোটি টাকা ব্যয় করছে। এর পরও সারিয়াকান্দি কর্ণিবাড়ী ইউনিয়নের মথুরাপাড়া বাজারের দক্ষিণ পাশ থেকে কামালপুর ইউনিয়নের দড়িপাড়া পর্যন্ত ১০ কি.মি. জুড়ে বিভিন্ন স্থানে ফসলি জমি, বিভিন্ন স্কুল ও বাড়িঘর নদীতে চলে হচ্ছে। বেশি ভাঙন দেখা দিয়েছে ধলিরকান্দি, কর্ণিবাড়ী মরচা, বয়রাকান্দি, ঘুঘুমারি, শেখপাড়া, রৌহাদহ, ইছামারা ও দড়িপাড়ায়। নিজচন্দনবাইশা প্রাথমিক বিদ্যালয়, নওখিলা পিএন প্রাথমিক বিদ্যালয়, চন্দনবাইশা প্রাথমিক বিদ্যালয়, চর চন্দনবাইশা প্রাথমিক বিদ্যালয়, আয়েশা ওসমান বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ভবন নদীগর্ভে বিলীন হওয়ায় প্রতিষ্ঠানগুলো স্থানান্তর করা হয়েছে। ভাঙনের মুখে রয়েছে ঘুঘুমারি দক্ষিণপাড়া প্রাথমিক বিদ্যালয়, শেখপাড়া প্রাথমিক বিদ্যালয়, আটাচর প্রাথমিক বিদ্যালয়, রৌহাদহ প্রাথমিক বিদ্যালয়। পাউবোর কর্মকর্তারা বালিভর্তি বস্তা ফেলে যমুনার ডান তীর ভাঙন রোধের চেষ্টা করছেন। ভুক্তভোগীরা জানান, ভাঙন প্রতিরোধের জন্য সরকার তো এলাকায় বছর বছর কম টাকা খরচ করে না।

বরাদ্দ টাকার বস্তা যদি যমুনায় ফেলা হতো তাহলেও ভাঙন বন্ধ হতো। কিন্তু দুর্ভাগ্য আমাদের, টাকা খরচ করার পরও সুফল পাচ্ছি না। পাউবোর উপবিভাগীয় প্রকৌশলী আবু সাঈদ জানান, যমুনার ডান তীর ভাঙন প্রতিরোধ জটিল সমস্যা। তিন বছর মেয়াদি ২৬৩ কোটি টাকা প্রকল্প বাস্তবায়িত হলে ঝুঁকিপূর্ণ প্রায় ছয় কি.মি. এলাকার ভাঙন প্রতিরোধ সম্ভব হবে।

এই পাতার আরো খবর
up-arrow