Bangladesh Pratidin

ঢাকা, শনিবার, ২১ অক্টোবর, ২০১৭

ঢাকা, শনিবার, ২১ অক্টোবর, ২০১৭
প্রকাশ : সোমবার, ১১ জুলাই, ২০১৬ ০০:০০ টা আপলোড : ১১ জুলাই, ২০১৬ ০০:১০
লক্ষ্মীপুরে বেড়িবাঁধে ভাঙন
বিস্তীর্ণ এলাকা প্লাবিত হওয়ার আশঙ্কা
লক্ষ্মীপুর প্রতিনিধি
লক্ষ্মীপুরে বেড়িবাঁধে ভাঙন
লক্ষ্মীপুর সদর উপজেলার ঝুঁকিপূর্ণ বেড়িবাঁধ। ছবিটি মজু চৌধুরীর হাটের উত্তরের চর রমনী মোহন থেকে তোলা —বাংলাদেশ প্রতিদিন

লক্ষ্মীপুরে মেঘনার অব্যাহত ভাঙনে রামগতি ও কমলনগরে পানি উন্নয়ন বোর্ডের বেড়িবাঁধের ৩৭ কিলোমিটার ব্যাপক ভাঙনের কবলে পড়ে নদীগর্ভে বিলীন হয়ে গেছে। এদিকে সদর উপজেলার ১৩ কিলোমিটার বেড়িবাঁধের ৫টি পয়েন্ট এখন ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থায় রয়েছে।

এমন পরিস্থিতিতে রোয়ানুর মতো যে কোনো দুর্যোগ মুহূর্তে বিস্তীর্ণ এলাকা প্লাবিতসহ বহু প্রাণহানির আশঙ্কা করছেন মেঘনা উপকূলের বাসিন্দারা। এদিকে সংস্কার কাজের নামে সংশ্লিষ্টরা বাণিজ্য করছেন বলেও অভিযোগ রয়েছে স্থানীয়দের। তবে লক্ষ্মীপুর পানি উন্নয়ন বোর্ডের  নির্বাহী প্রকৌশলী গাজী ইয়ার আলী তা অস্বীকার করে বলছেন, টেন্ডার প্রক্রিয়াসহ কিছু কাজ বাস্তবায়নের পথে রয়েছে। লক্ষ্মীপুর পওর বিভাগ সূত্রে জানা যায়, মেঘনা উপকূলীয় এলাকায় নিরাপদ বসবাস নিশ্চিত ও শহর রক্ষায় পানি উন্নয়ন বোর্ডের আওতাধীন ৫০ কিলোমিটার বেড়িবাঁধ (বন্যা বাঁধ) নির্মাণ করা হয়, যা সদর উপজেলার চর রমনী মোহন ইউনিয়ন থেকে শুরু হয়ে মতির হাট পর্যন্ত ১৩ কিলোমিটার এবং কমলনগর থেকে রামগতি পর্যন্ত ৩৭ কিলোমিটার বিস্তৃত। গত কয়েক বছর ধরে মেঘনার অব্যাহত ভাঙনে রামগতি ও কমলনগর উপজেলার প্রায় ৩৭ কিলোমিটার এলাকার বেড়িবাঁধ এখন পুরোটাই নদীগর্ভে বিলীন হয়ে গেছে। এর মধ্যে বর্তমান সরকারের আমলে প্রায় ২০০ কোটি টাকা ব্যয়ে রামগতির আলেকজান্ডার থেকে সাড়ে ৫ কিলোমিটার বাঁধ নির্মাণের কাজ চলমান থাকলেও টেন্ডার প্রক্রিয়াসহ নানা জটিলতায় কমলনগরসহ বাকি এলাকার বাঁধ নির্মাণের কাজ  করা হয়নি এখনো। এতে করে এ দুই উপজেলার কয়েক লাখ মানুষ এখন অরক্ষিত ও ঝুঁকিপূর্ণভাবে বসবাস করছেন। পানি উন্নয়ন বোর্ডের লক্ষ্মীপুর পওর বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী গাজী ইয়ার আলী বলেন, পানি উন্নয়ন বোর্ডের কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে অর্থ হাতিয়ে নেওয়ার বিষয়টি সঠিক নয়। কমলনগর ও রামগতি এলাকার ৩৭ কিলোমিটার বন্যা বাঁধের মধ্যে সাড়ে ৫ কিলোমিটার ইতিমধ্যে টেন্ডার প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে কাজ বাস্তবায়নের পথে রয়েছে। এ ছাড়া সাড়ে ৩১ কিলোমিটার বাঁধের জন্য ডেলটা প্ল্যান প্রকল্পের  অধীনে দেওয়া হয়েছে, যা প্রক্রিয়াধীন। সদর উপজেলার ১৩ কিলোমিটার বাঁধের মধ্যে কিছুটা অংশ মেরামত করা হয়েছে।

এই পাতার আরো খবর
up-arrow