Bangladesh Pratidin

ঢাকা, বুধবার, ১৮ জানুয়ারি, ২০১৭

প্রকাশ : সোমবার, ১৮ জুলাই, ২০১৬ ০০:০০ টা আপলোড : ১৮ জুলাই, ২০১৬ ০২:৪৫
পিআইওর বিরুদ্ধে অনিয়মের অভিযোগ
দাউদকান্দি প্রতিনিধি

কুমিল্লার মেঘনা উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তার (পিআইও) বিরুদ্ধে প্রতি প্রকল্প থেকে ১০ থেকে ১১% উেকাচ নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। তবে পিআইও সব অভিযোগ অস্বীকার করেছেন। লুটেরচর ইউপি চেয়ারম্যান ও উপজেলা আওয়ামী লীগ সদস্য ইঞ্জিনিয়ার সানাউল্যাহ শিকদার অভিযোগ করেন, তিনি গত রবিবার পিআইও আইরিন সুলতানার কার্যালয়ে যান তার ইউনিয়নের ছোট বড় পাঁচটি প্রকল্পের বিল উত্তোলনের জন্য। এ সময় তার কাছে প্রতি প্রকল্পে শতকরা ১১% উেকাচ দাবি করলে এ নিয়ে উত্তেজনা দেখা দেয়। পরে বিষয়টি উপজেলা চেয়ারম্যান মীমাংসা করেন। উপজেলা যুবলীগের আহ্বায়ক মুজিবুর রহমান বলেন, আমার ইউনিয়নে দৌলদ্দী গ্রামে জামে মসজিদের নামে বরাদ্দকৃত ৪০ হাজার টাকার মধ্যে ওই কর্মকর্তাকে ১১% হারে ৪ হাজার ৪০০ টাকা উেকাচ দিতে হয়েছে। উপজেলার আওয়ামী লীগের সদস্য মো. আলমের অভিযোগ, ‘কান্দারগাঁও উত্তরপাড়া মসজিদের ৪০ হাজার টাকা বরাদ্দের মধ্যে পিআইও ১১% দাবি করলে ১০% হারে চার হাজার টাকা উেকাচ দিয়ে বিল উত্তোলন করি’। বড়কান্দা ঈদগাহের মাটি ভরাট প্রকল্পের কাজেও ১০% হারে ঘুষ দিতে হয়েছে। জেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের যুগ্ম আহ্বায়ক আবুল কাশেম বলেন, আমার এলাকার তিনটি প্রকল্পের তাকে ১১% হারে উেকাচ দিয়ে তিনটি প্রকল্পের সভাপতি বিল ছাড়িয়ে নেন। উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তা শাহিনা আক্তার সুমি বলেন, পিআইও আইরিন সুলতানার অফিসিয়াল বিভিন্ন অনিয়ম-দুর্নীতির অভিযোগ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের অবহিত করা হয়েছে। পরবর্তী আদেশ পেলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে। আইরিন সুলতানার সঙ্গে কথা হলে তিনি বলেন, ‘আমার বিরুদ্ধে ১১% উেকাচ নেওয়ার অভিযোগ মিথ্যা। আমি কোনো প্রজেক্ট সভাপতির কাছ থেকে উেকাচ (ঘুষ) নেইনি। ’

up-arrow