Bangladesh Pratidin

ঢাকা, শনিবার, ১০ ডিসেম্বর, ২০১৬

প্রকাশ : মঙ্গলবার, ৬ সেপ্টেম্বর, ২০১৬ ০০:০০ টা আপলোড : ৬ সেপ্টেম্বর, ২০১৬ ০০:০৫
থাকল পাকা বসতি, উচ্ছেদ হলো ভাসমান স্থাপনা
নিজস্ব প্রতিবেদক, বগুড়া
থাকল পাকা বসতি, উচ্ছেদ হলো ভাসমান স্থাপনা
বগুড়ায় উচ্ছেদ অভিযান —বাংলাদেশ প্রতিদিন

বগুড়া রেল স্টেশন এলাকায় অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ অভিযান চালিয়েছে রেলওয়ে কর্তৃপক্ষ। অভিযান শেষে দেখা গেছে রেললাইনের দুই পাশে গড়ে ওঠা শত শত পাকা দোকান, ব্যবসা প্রতিষ্ঠান, বাড়ি, আগেরমতোই থেকে গেছে।

উচ্ছেদ হয়েছে শুধু চার শতাধিক ভাসমান অস্থায়ী ও ছয়টি পাকা স্থাপনা। গতকাল সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত চলে এ অভিযান।

বাংলাদেশ রেলওয়ের নিয়মানুযায়ী রেললাইন থেকে ২০ ফুটের মধ্যে কোনো স্থায়ী বা অস্থায়ী স্থাপনা নির্মাণ করা যাবে না। ট্রেন নির্বিঘ্নে চলাচল করতে এ সীমানার মধ্যে স্থাপনা নির্মিত হলে তা উচ্ছেদ করার কথা বলা হয়েছে। কিন্তু বগুড়া রেলওয়ে স্টেশনের আশপাশে প্রায় পাঁচ কিলোমিটারজুড়ে রেললাইনের দুই পাশে কোথাও পাঁচ, কোথাও ১০ আবার কোথাও ১৫ ফুটের মধ্যে পাকা স্থাপনা গড়ে উঠেছে। জেলা শহরের অদূরে তিন মাথা মোড়ে তিন শতাধিক স্থাপনা তৈরি করা হয়েছে রেললাইন ঘেঁষে। একইভাবে সাবগ্রাম হাট এলাকায় রেললাইন ঘিরেই নির্মিত হয়েছে বিভিন্ন পাকা স্থাপনা। ইচ্ছেমতো স্থাপনা গড়ে তোলায় অনেক সময় বোঝা যায় না এখানে রেললাইন রয়েছে। ট্রেন নির্বিঘ্ন চলাচলের জন্য সোমবার রেলওয়ে পশ্চিমাঞ্চলের প্রধান ভূসম্পতি কর্মকর্তা আবদুল মান্নানের নেতৃত্বে উচ্ছেদ অভিযান চালানো হয়। উপস্থিত ছিলেন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সামছুজ্জোহাসহ রেলের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা। জানা যায়, সোমবার দুপুর পর্যন্ত স্টেশন এলাকা থেকে রাজাবাজার রেলওয়ে ব্রিজ পর্যন্ত অবৈধ অস্থায়ী স্থাপনা উচ্ছেদ করা হয়। তবে থেকে গেছে রেললাইনের ২০ ফুটের মধ্যে অনেক পাকা স্থায়ী স্থাপনা। উচ্ছেদ অভিযান শেষে বিকালে ভাসমান হকারদের সেখানে আবারও বসতে দেখা গেছে। অভিযানের নেতৃত্বে থাকা আবদুল মান্নান জানান, লোকবল আর প্রয়োজনীয় বাজেট না থাকায় অনেক সময় ঠিকঠাক অভিযান চালানো যায় না। অবৈধ দখলদার চিহ্নিত করতে যে লোকবল রয়েছে তা যথেষ্ট নয়। তিনি আরও জানান, অবৈধ স্থাপনার বিষয়ে আবারও জরিপ করে শিগগিরই অভিযান চালানো হবে। রেলওয়ে লালমনিরহাট বিভাগীয় ভূসম্পত্তি কর্মকর্তা রেজোয়ানুল হক জানান, রেললাইন সংলগ্ন স্থাপনা ট্রেন চলাচলে ঝুঁকি তৈরি করে। এবারের অভিযানে বিপুল পরিমাণ জমি পুনরুদ্ধার হয়েছে। বগুড়া রেলওয়ে স্টেশন মাস্টার বেনজুরুল ইসলাম জানান, পর্যায়ক্রমে আরও অভিযান পরিচালনা করা হবে।

এই পাতার আরো খবর
up-arrow