Bangladesh Pratidin

ঢাকা, শনিবার, ১০ ডিসেম্বর, ২০১৬

প্রকাশ : মঙ্গলবার, ৬ সেপ্টেম্বর, ২০১৬ ০০:০০ টা আপলোড : ৬ সেপ্টেম্বর, ২০১৬ ০০:০৭
কোরবানির পশুহাট
বেড়েছে দেশি গরুর চাহিদা
প্রতিদিন ডেস্ক

বগুড়ার বিভিন্ন পশুহাটে ক্রেতা-বিক্রেতার ভিড় বেড়েছে। হাটগুলোতে এবার কোরবানিযোগ্য দেশি গরু-ছাগলের আমদানিও ভালো।

ক্রেতাদেরও বেশি পছন্দ দেশি গরু। জেলার খামারিরা এবার পাঁচ লাখ ৭৪ হাজার ৫৬৩টি গবাদি পশু কোরবানিযোগ্য করে তুলেছেন। জানা যায়, গত বছর বগুড়ার হাটগুলোতে ভারতীয় গরু সরবরাহ কম ছিল। এ কারণে জেলায় দেশি জাতের গরুর চাহিদা বেড়ে যায়। গত বছরের এ চাহিদা মাথায় রেখে খামারিদের মাঝে এ বছর গরু লালন-পালনের ইচ্ছাও বেড়ে যায়। কোরবানির হাটকে সামনে রেখে বগুড়ায় খামারিরা পশু তাজাকরণ শুরু করেছেন। বেশি লাভের আশায় খামারিরা গরু হাটে তুলতে শুরু করেছেন। গতকাল বগুড়া সদরের সুলতানগঞ্জ হাটে গিয়ে দেখা যায় দেশি গরুতে সয়লাব বাজার। ক্রেতারা বেশি কিনছেন দেশি জাতের গরু। ৩০ হাজার থেকে লাখ টাকার উপরে গতকাল একটি গরু বিক্রি করতে দেখা গেছে। নাটোরে দাম কমার আশঙ্কা : কোরবানির ঈদ সামনে রেখে নাটোরের হাটগুলো জমে উঠেছে। হাটে দেশি গরু-ছাগলের আমদানি চোখে পড়ার মতো। বিক্রেতাদের মতে, গরুর বাজার ভালো। ক্রেতারাও সাধ্যের মধ্যে দেশি গরু কিনতে পেরে খুশি। তবে ভারত থেকে গরু আমদানি হলে দেশীয় গরুর দাম পড়ে যাবে এমন আশঙ্কা ব্যবসায়ীদের। এ ক্ষেত্রে তারা লোকসানের মুখে পড়বেন বলে জানান। উত্তরাঞ্চলের সর্ববৃহৎ পশুর হাট নাটোরের তেবারিয়ায় গত রবিবার গরুর আমদানি ছিল প্রচুর। এখন পর্যন্ত বাজারে দেশীয় গরুর দাম বেশ ভালো। বিক্রেতাদের দাবি, তাদের যে পরিমাণ দেশি গরু রয়েছে তাতেই কোরবানির চাহিদা পূরণ হবে। চাঁপাইয়ে আসছে ভারতীয় গরু : কিছু দিন বন্ধ থাকার পর গত তিন দিন ধরে চাঁপাইনবাবগঞ্জের সবকটি বিটে ভারতীয় গরু আসছে। আগামী কয়েক দিন এই হারে গরু আসতে থাকলে দাম কিছুটা কমবে বলে আশা করছেন ক্রেতা-বিক্রেতারা। বিভিন্ন সীমান্ত দিয়ে গরু আসায় কয়েক দিনের মধ্যেই পশুর হাটগুলো জমে উঠবে বলে ধারণা করা হচ্ছে। ভারত থেকে গরু না আসায় গত সপ্তাহেও গরু বেচাকেনা হচ্ছিল দেড় থেকে দিগুণ দামে। বর্তমানে যে হারে গরু আসছে তাতে দাম সহনীয় পর্যায়ে চলে আসবে এমনটাই জানালেন ব্যবসায়ীরা। নোয়াখালীতে দাম চড়া : জেলায় কোরবানির পশুর হাটে পর্যাপ্ত গরু থাকলেও এখনো পুরোপুরি জমে উঠেনি। গত বছরের তুলনায় বাজারে বিদেশি গরু কম। চাহিদা বেশি থাকায় দাম চড়া দেশি গরুর। খামারিরা বলছেন— এবারও ভারতের গরুর ওপর নির্ভর না করে দেশি গরুতেই কোরবানির চাহিদা মেটাবেন নোয়াখালীবাসী। আগমী ৩-৪ দিনের মধ্যে জেলার ঐতিহ্যবাহী দত্তেরহাট, হাউজিং মাঠ, একলাশপুর বাজার, থানার হাট, আটকপালিয়া বাজারসহ বিভিন্ন হাট জমজমাট হয়ে উঠবে বলে জানান তারা।

এই পাতার আরো খবর
up-arrow