Bangladesh Pratidin

ঢাকা, শুক্রবার, ৯ ডিসেম্বর, ২০১৬

প্রকাশ : সোমবার, ১২ সেপ্টেম্বর, ২০১৬ ০০:০০ টা আপলোড : ১২ সেপ্টেম্বর, ২০১৬ ০০:১৬
ভিজিএফের ১২৯ বস্তা চালসহ ব্যবসায়ী আটক
পাবনা প্রতিনিধি
ভিজিএফের ১২৯ বস্তা চালসহ ব্যবসায়ী আটক
পাবনার সাঁথিয়ায় জব্দ করা ভিজিএফের চাল —বাংলাদেশ প্রতিদিন

পাবনার সাঁথিয়া উপজেলার নাগ ডেমরা ইউনিয়ন পরিষদের ভিজিএফের বিক্রি করা ১২৯ বস্তা চালসহ এক ব্যক্তিকে আটক করেছে উপজেলা প্রশাসন। আটক ব্যক্তি সোনাতলা বাজারের ব্যবসায়ী শ্রী শ্যামল কুমার।

গতকাল দুপুরে সাঁথিয়া উপজেলার নাগ ডেমরা ইউনিয়নের সোনাতলা বাজার থেকে চালসহ ব্যবসায়ীকে আটক করা হয়। পাবনার সাঁথিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শফিকুল ইসলাম বলেন, গোপন সংবাদ মাধ্যমে জানতে পারি যে, ঈদ উপলক্ষে উপজেলার নাগ ডেমরা ইউনিয়ন পরিষদের হতদরিদ্রদের জন্য বরাদ্দকৃত ভিজিএফের চাল চেয়ারম্যান বিক্রি করে দিয়েছেন। এ ধরনের সংবাদের পরিপ্র্রেক্ষিতে উপজেলা প্রশাসন ও পুলিশকে সঙ্গে নিয়ে নাগ ডেমরা ইউনিয়নের সোনাতলা বাজারের ব্যবসায়ী শ্রী শ্যামল কুমারের দোকানে অভিযান চালিয়ে ১২৯ বস্তা বিক্রি নিষিদ্ধ খাদ্য অধিদফতরের বস্তা জব্দ করি। পরে ওই দোকানদারকেও আটক করা হয়। এ বিষয়ে উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা আবুল কালাম আজাদ বলেন, নাগ ডেমরা ইউনিয়ন পরিষদের ঈদের আগে মোট ২১ টন ৭০ কেজি চালের বরাদ্দ দেওয়া হয়। এই চালগুলো সমাজের অসহায় ও দরিদ্রদের জন্য।

নাগ ডেমরা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান হারুন অর রশিদ বলেন, বিষয়টি অস্বীকার করলেও স্থানীয়রা তার বিরুদ্ধে চাল বিক্রির অভিযোগ তুলেছেন। স্থানীয়দের অভিযোগ চেয়ারম্যান অস্বীকার করে বলেন, অন্য কোনো ইউনিয়নের চাল ওই ব্যবসায়ী ক্রয় করেছেন। সাঁথিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা নাসির উদ্দিন বলেন, এ বিষয়ে উপজেলা প্রশাসন আমাদের নিকট একটি এজাহার দিবেন বলে আমাদের জানানো হয়েছে। তবে তিনি থানার বাহিরে অবস্থান করার কারণে বিস্তারিত কিছুই বলতে পারেননি।

মাগুরায় ভিজিএফের চাল বিক্রির অভিযোগে চেয়ারম্যানের নামে মামলা : মাগুরার মহম্মদপুর উপজেলার নহাটা থেকে ঈদুল আজহা উপলক্ষে দুস্থদের মাঝে বরাদ্দকৃত ২২ বস্তা (১ হাজার ১০০ কেজি) ভিজিএফের  চাল উদ্ধারের ঘটনায় চেয়ারম্যানসহ ৩ জনের নামে মামলা হয়েছে। রবিবার বিকালে উপজেলা প্রকল্প কর্মকর্তা (পিআইও) মো. লাল্টু মিয়া বাদী হয়ে নহাটা ইউপি চেয়ারম্যান আলী মিয়াকে প্রধান আসামি ও নহাটা বাজারের ব্যবসায়ি সহোদর সমির কুমার দে ও আনন্দ  কুমার দের নামে  মহম্মদপুর থানায় মামলা দায়ের করেন।

এই পাতার আরো খবর
up-arrow