Bangladesh Pratidin

ঢাকা, শুক্রবার, ৯ ডিসেম্বর, ২০১৬

প্রকাশ : সোমবার, ৩ অক্টোবর, ২০১৬ ০০:০০ টা আপলোড : ২ অক্টোবর, ২০১৬ ২৩:১১
১০ টাকা দরে চাল ক্রয় থেকে বঞ্চিত ১১ হাজার পরিবার
ফুলবাড়ী ও মোরেলগঞ্জ
প্রতিদিন ডেস্ক

দিনাজপুরের ফুলবাড়ী এবং বাগেরহাটের মোরেলগঞ্জে সরকার ঘোষিত ১০ টাকা কেজি দরে চাল কেনা থেকে বঞ্চিত হয়েছেন ১১ হাজারেরও বেশি পরিবার। এতে হতাশাগ্রস্ত হয়ে পড়েছেন হতদরিদ্র এসব পরিবারের সদস্যরা।

এর জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের স্বজনপ্রীতি, অদক্ষতা ও অবহেলাকে দায়ী করেছেন ভুক্তভোগীরা। প্রতিনিধিদের পাঠানো খবর— দিনাজপুর : সরকারের বিশেষ কর্মসূচির আওতায় সারা দেশে ১০ টাকা দরে চাল বিক্রি শুরু হলেও সে সুবিধা পাননি ফুলবাড়ী উপজেলার শিবনগর ইউপির এক হাজার ২০০ দরিদ্র পরিবার।   উপজেলা খাদ্য কর্মকর্তা বলছেন, সংশ্লিষ্ট ইউনিয়নের চেয়ারম্যান যথাসময় উপকারভোগীদের তালিকা সরবরাহ না করায় কার্ড দেওয়া সম্ভাব হয়নি। ইউপি চেয়ারম্যানের ভাষ্য, তালিকা গত ২৮ আগস্ট জমা দিলেও সেপ্টেম্বরে চাল পাননি দরিদ্র পরিবারগুলো। শিবনগর ইউপির হতদরিদ্র ছাত্তার, ইয়াছিন অভিযোগ করে বলেন, ‘১ হাজার ২০০ পরিবারের বরাদ্দ থাকলেও ইউপি চেয়ারম্যান পাঁচ হাজার লোকের ছবি তুলেছেন। ছবি তোলা বাবদ প্রত্যেকের কাছ থেকে নিয়েছেন ৩০-৫০ টাকা। ’ ফুলবাড়ী উপজেলা খাদ্য কর্মকর্তা জানান, ২৮ আগস্ট তালিকা দিলেও তাতে উপকারভোগীর ছবি ও জাতীয় পরিচয়পত্রের ফটোকপি ছিল না। ইউএনও জানান, বারবার চেয়ারম্যানকে অনুরোধ করা সত্ত্বেও যথাসময় তালিকা জমা দেননি। এদিকে ১০ টাকা দরে চাল বিতরণ কর্মসূচিতে অনিয়ম-দুর্নীতির প্রতিবাদে হাজার হাজার দরিদ্র বঞ্চিত মানুষ গতকাল মিছিল নিয়ে খানসামা ইউএনও অফিস ঘেরাও করেন। মোরেলগঞ্জ : বাগেরহাটের মোরেলগঞ্জের ১০ হাজার হতদরিদ্র পরিবার সেপ্টেম্বর মাসে ১০ কেজি টাকা দরে চাল ক্রয়ের সুবিধা থেকে বঞ্চিত হয়েছেন। উপজেলা খাদ্য কর্মকর্তা বলেন, ‘অনেক ইউনিয়ন থেকে যথাসময় তালিকা দেওয়া হয়নি। ইউপি চেয়ারম্যান রাজ্জাক মজুমদার, শাহচান মিয়া, জাহাঙ্গীর আলম জানান, খাদ্যগুদামে চাল না থাকায় তারা চাল সংগ্রহ করতে পারেননি। জানা যায়, মোরেলগঞ্জ উপজেলার ১৬টি ইউনিয়নে সুবিধাভোগী ২৬ হাজার ৪৫৪ জন। এর মধ্যে ছয়টি ইউনিয়নের ৯ হাজার ৮৮৯ জন এই চাল কিনতে পারেননি। ইউনিয়নগুলো হচ্ছে— পঞ্চকরণ, পুটিখালী, দৈবজ্ঞহাটি, চিংড়াখালী, বহরবুনিয়া ও জিউধরা। অভিযোগ আছে, এই ছয় ইউনিয়নের চেয়ারম্যান, ডিলার ও ক্ষমতাসীন দলের নেতা-কর্মীরা ডিলার নিয়োগ থেকেই দ্বন্দ্বে জড়িয়ে পড়েন। ফলে সময়মতো কাগজপত্র জমা দিতে পারেননি।

এই পাতার আরো খবর
up-arrow