Bangladesh Pratidin

ঢাকা, শুক্রবার, ৯ ডিসেম্বর, ২০১৬

প্রকাশ : মঙ্গলবার, ৪ অক্টোবর, ২০১৬ ০০:০০ টা আপলোড : ৩ অক্টোবর, ২০১৬ ২৩:৩১
‘অবৈধ’ ডায়াগনস্টিক সেন্টারে প্রতারণার শিকার রোগী
মাদারীপুর প্রতিনিধি

মাদারীপুরের টেকেরহাটে সরকারি অনুমোদন ছাড়াই চলছে একাধিক ডায়াগনস্টিক সেন্টার। এসব ডায়াগনস্টিক সেন্টারে গিয়ে প্রতারণার শিকার হচ্ছেন সাধারণ মানুষ।

রমরমা বাণিজ্য চললেও এ ব্যাপারে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কোনো মাথাব্যথা নেই। এসব প্রতিষ্ঠানে নেই প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত কোনো টেকনোলজিস্ট। অনেক সময় তাদের ভুল রিপোর্টের কারণে পঙ্গুত্ববরণ করতে হয় কোনো কোনো রোগীকে। টেকেরহাটের প্রায় অর্ধশত হাতুরে চিকিৎসক এসব ডায়াগনস্টিক সেন্টারে রোগী পাঠান নানা পরীক্ষার জন্য। যদিও হাতুরে ডাক্তারদের রোগ নির্ণয়ের জন্য ডায়াগনস্টিক সেন্টারে পাঠানোর বিধান নেই। সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, সরকারি নিয়ম অনুযায়ী পরিবেশ অধিদফতরের ছাড়পত্র, সিভিল সার্জন অফিস থেকে সুপারিশ নিয়ে স্বাস্থ্য অধিদফতর থেকে লাইসেন্স গ্রহণপূর্বক কোনো ডায়াগনস্টিক সেন্টার বা প্রাইভেট ক্লিনিক স্থাপন করা যাবে। এর বাইরে ডায়াগনস্টিক সেন্টার বা ক্লিনিক স্থাপন করা হলে সেখানে চিকিৎসা সেবার মতো গুরুত্বপূর্ণ কাজ করা যাবে না। যদি কেউ এ ধরনের ডায়াগনস্টিক সেন্টার বা প্রাইভেট ক্লিনিক গড়ে তুলে ব্যবসা পরিচালনা করেন তাদের বিরুদ্ধে সিভিল সার্জন বা ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে ব্যবস্থা নেওয়ার বিধান রয়েছে। এ ব্যাপারে ‘অবৈধ’ জননী ডায়াগনস্টিক সেন্টারের পরিচালক শেখ বিদ্যুৎ বলেন, ‘আমরা মৌখিক অনুমোদন পেয়েছি। এখনো কাগজপত্র পাইনি। ’ মাদারীপুর সিভিল সার্জন ডা. দিলীপ কুমার দাস জানান, টেকেরহাটের জননী ডায়াগনস্টিক সেন্টার অনুমোদনের জন্য আবেদন করলেও অনুমোদন প্রদান করেনি কর্তৃপক্ষ। তাদের ডায়াগনস্টিক সেন্টার পরিদর্শনকালে বেশকিছু অসঙ্গতি পাওয়া গেছে। যদি কেউ চিকিৎসার নামে প্রতারণা করে তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

এই পাতার আরো খবর
up-arrow