Bangladesh Pratidin

ঢাকা, বুধবার, ৭ ডিসেম্বর, ২০১৬

প্রকাশ : শনিবার, ৮ অক্টোবর, ২০১৬ ০০:০০ টা আপলোড : ৮ অক্টোবর, ২০১৬ ০০:১২
ফরিদপুরে দফায় দফায় হামলা বাড়িঘর ভাঙচুর, আহত ১০
ইউপি নির্বাচন পরবর্তী বিরোধের জের
ফরিদপুর প্রতিনিধি

ফরিদপুরের নগরকান্দা উপজেলার তালমা ইউনিয়নের কোনাগ্রামে দুই ইউপি সদস্যের মধ্যে ইউপি নির্বাচন পরবর্তী বিরোধের জেরে তিন দিন ধরে দফায় দফায় হামলায় বৃদ্ধসহ ১০ জন আহত ও বাড়িঘর ভাঙচুর হয়েছে বলে জানা গেছে। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানায়, পূর্বশত্রুতার জের ধরে ও এলাকায় আধিপত্য বিস্তার করতে উপজেলার তালমা ইউনিয়নের কোনাগ্রামে সাবেক ইউপি সদস্য শাহাবুদ্দিন মাতুব্বর ও তার সমর্থকরা তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে মঙ্গলবার সন্ধ্যায় বর্তমান ইউপি সদস্য শাহাজাহান শেখের সমর্থকদের উপর হামলা চালায়।

এতে প্রায় সাত-আটজন আহত হয়। আহতদের মধ্যে মোবারেক শেখ, খালেক মোল্লা, ইউনুস মোল্লা মারাত্মক আহত হন। এদের প্রথমে নগরকান্দা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়। পরে আশঙ্কাজনক অবস্থায় ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে রেফার্ড করা হয়েছে। হামলার প্রতিবাদ করায় বুধবার সন্ধ্যায় রেজাউল শেখকে পিটিয়ে আহত করে পুকুরের পানিতে ফেলে দেওয়া হয়। এলাকায় উত্তেজনা ছড়িয়ে দিতে এবং নিজেদের অবস্থান প্রমাণ করতে বৃহস্পতিবার সকালে আরেক দফা হামলা চালিয়ে ফয়সালকে পিটিয়ে আহত করে শাহাবুদ্দিনের সমর্থকরা। শাহাবুদ্দিন মাতুব্বর বলেন, আমার এলাকার ভ্যানচালক জাফরকে আমি ১০ টাকা মূল্যে চাল পেতে একটি কার্ড করে দেই। জাফর আমার দল করায় মঙ্গলবার সন্ধ্যায় শাহাজাহান মেম্বারের সমর্থকরা জাফরের বাড়িঘর ভাঙচুর করে। এর পরেই আমার সমর্থকরা হামলা চালিয়ে ওদের বেশ কয়েকজনকে পিটিয়ে আহত করে। এ সময় ওদের পাঁচ-ছয়টি দোকান ও কয়েকটি বাড়িঘর ভাঙচুর করা হয়েছে। বুধবার ও বৃহস্পতিবারেও ওদের লোকদের পেটানো হয়েছে। আমার দলের একজনকেও হাসপাতালে ভর্তি করে রেখেছি। শাহাজাহান শেখ বলেন, সম্প্রতি আমার দলের একজনকে শাহাবুদ্দিনের লোকেরা পিটিয়ে আহত করে। এ কারণে ফরিদপুর আদালতে একটি মামলা দেওয়া হয়েছে। এই মামলা দেওয়ার কারণেই শাহাবুদ্দিনের নির্দেশে তার সমর্থকরা দফায় দফায় হামলা চালাচ্ছে। তাদের ভয়ে আমাদের অনেকেই এখন গ্রাম ছাড়া। সবার মধ্যে আতঙ্ক বিরাজ করছে। নগরকান্দা থানার ওসি সৈয়দ আবদুল্লাহ বলেন, পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছিল। এলাকায় এখন শান্তিপূর্ণ অবস্থা বিরাজ করছে। এখন পর্যন্ত থানায় কোনো পক্ষেরই মামলা হয়নি।

এই পাতার আরো খবর
up-arrow