Bangladesh Pratidin

ঢাকা, বৃহস্পতিবার, ৮ ডিসেম্বর, ২০১৬

প্রকাশ : শুক্রবার, ১৪ অক্টোবর, ২০১৬ ০০:০০ টা আপলোড : ১৩ অক্টোবর, ২০১৬ ২৩:০৮
সান্তাহারে রোদ-বৃষ্টিতে নষ্ট হচ্ছে কোটি টাকার ওয়াগন
আদমদীঘি (বগুড়া) প্রতিনিধি
সান্তাহারে রোদ-বৃষ্টিতে নষ্ট হচ্ছে কোটি টাকার ওয়াগন
সান্তাহার রেলওয়ে ডিপোতে খোলা আকাশের নিচে পড়ে থাকা ওয়াগন —বাংলাদেশ প্রতিদিন

বগুড়ার আদমদীঘি উপজেলার সান্তাহার রেলওয়ে জংশন ইয়ার্ডে ডিপোতে ফেলে রাখা হয়েছে মালবাহী ৯০টি বিসি এবং ২৫টি বিসিএফজি বা হপার ওয়াগন। মেটালিসটিক রাবার ইউনিট নামক একটি অতি প্রয়োজনীয় যন্ত্রাংশের অভাব এবং চাহিদা না থাকার অজুহাত দেখিয়ে বছরের পর বছর এগুলো পড়ে আছে খোলা আকাশের নিচে।

রোদ-বৃষ্টিতে নষ্ট হয়ে চলাচল অনুপযোগী হয়ে পড়ছে কোটি কোটি টাকার চলাচলযোগ্য এ সব বিসি ওয়াগন। প্রতিটি ওয়াগনে ১৬টি করে মেটালিসটিক রাবার ইউনিট প্রয়োজন হয় বলে জানিয়েছে সান্তাহার রেলওয়ের একটি সূত্র।

ইতিমধ্যে ৪০টি বিভিন্ন টাইপের ওয়াগন আরসি তালিকায় উঠেছে। ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ যে কোনো সময় এই ওয়াগনগুলো কন্ডেম ঘোষণা করতে পারে। এদিকে মড়ার উপর খাঁড়ার ঘা হিসাবে দেখা দিয়েছে সান্তাহার ইয়ার্ড বা ওয়াগন ডিপোর মজুদ। পাবনার ঈশ্বরদী ইয়ার্ড বা ওয়াগন ডিপো থেকে প্রায় ৫০ ওয়াগন সৈয়দপুর কারখানায় পাঠানোর উদ্দেশ্যে সান্তাহার ডিপোতে পাঠানো হয়েছে। ফলে সান্তাহার ডিপোর মজুদ বেড়ে চলেছে। জানা যায়, ৭/৮ বছর আগে ভারত ও ইংল্যান্ড থেকে মেটালিসটিক রাবার ইউনিট নামক যন্ত্রাংশ আমদানি করা হয়। সেগুলো দিয়ে মেরামতের পর কিছুদিন চলার পরই তা অকেজো হয়ে পড়ে। পরবর্তীতে আর কোনো টেকসই যন্ত্রাংশ আমদানির উদ্যোগ নেওয়া হয়নি। সান্তাহার রেলওয়ের ক্যারেজ ডিপোর হেড টিএক্সআর আশরাফুল ইসলাম জানান, মালামাল পরিবহনে এসব ওয়াগনের তেমন চাহিদা না থাকায় সংশ্লিষ্ট প্রশাসন ওয়াগনগুলো মেরামতের জন্য প্রয়োজনীয় যন্ত্রাংশ সংগ্রহ করার ব্যাপারে আগ্রহ দেখাচ্ছে না। এছাড়া সান্তাহার ডিপোতে থাকা সি টাইপ ৫২টি ওয়াগন পিওএইচ (পিওরিটিক্যাল টাইম ওভার) তালিকাভুক্ত করা হয়েছে বলেও জানিয়েছেন ওই কর্মকর্তা।

এই পাতার আরো খবর
up-arrow