Bangladesh Pratidin

ঢাকা, শনিবার, ৩ ডিসেম্বর, ২০১৬

প্রকাশ : শনিবার, ১৫ অক্টোবর, ২০১৬ ০০:০০ টা আপলোড : ১৫ অক্টোবর, ২০১৬ ০২:১৯
ডেকে নিয়ে ব্যবসায়ী কাউছার হত্যা
দেড় মাসেও গ্রেফতার হয়নি আসামি
টঙ্গী প্রতিনিধি

ধরাছোঁয়ার বাইরে হত্যা মামলার আসামিরা। টঙ্গীর পাশে উত্তরখান মৈনারটেক উজামপুর এলাকার এক ব্যবসায়ী কাউছার বেপারী এলাকার চিহ্নিত সন্ত্রাসী কর্তৃক হত্যাকাণ্ডের ঘটনার দেড় মাস পার হলেও ঘটনার সঙ্গে জড়িত মূল হোতাদের গ্রেফতার করতে পারেনি পুলিশ। এ নিয়ে নানা প্রশ্ন জনমনে। কেউ বলছেন পুলিশ ম্যানেজ, আবার কেউ বলছেন আওয়ামী লীগ নেতারা হত্যা মামলার আসামিদের আশ্রয়-প্রশ্রয় দিয়ে রাখছেন। চাঞ্চল্যকর হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় জড়িত প্রকৃত আসামিদের গ্রেফতারের দাবিতে এলাকাবাসী বেশ কয়েকবার মানববন্ধনও  করেছেন।

নিহতের স্বজন আছেদ ও এলাকাবাসী জানান, ঘটনার দিন বেলা ১১টার সময় পূর্বশত্রুতার জের ধরে মোতাহার হোসেন শিপন, মামুন, এমরানের নির্দেশে ফয়জুলের মাধ্যমে মোবাইল ফোনে বাসা থেকে ডেকে নিয়ে যান সাউন্ড সিস্টেম ব্যবসায়ী কাউছারকে। কাউছার ফোন পেয়ে মোটরসাইকেলযোগে সিদ্দারটেক এলাকায় পৌঁছলে কিছু বুঝে ওঠার আগেই শিপন, মামুন, এমরানসহ ৭-৮ জনের একদল সন্ত্রাসী তাকে লাঠিসোঁটা. চাপাতি ও রড দিয়ে পিটিয়ে রক্তাক্ত অবস্থায় মৃত ভেবে পাশের একটি বিলের পানিতে ফেলে রেখে পালিয়ে যায়। খবর পেয়ে স্থানীয় লোকজন তাকে উদ্ধার করে টঙ্গী সরকারি হাসপাতাল, পরে মহাখালী আয়েশা মেমোরিয়াল হাসপাতালে ভর্তি করা হলে পাঁচ দিন পর চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যায়। পরিবারের অভিযোগ— নৃশংস খুনের ঘটনার কোন ক্লু কিংবা মূল হোতাদের গ্রেফতারের নামে কালক্ষেপণ করছে পুলিশ।

এ ব্যাপারে উত্তরখান থানার ওসি শেখ সিরাজুল হকের সঙ্গে যোগাযোগ করলে তিনি বলেন, দুজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। অন্যদের গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে। 

উল্লেখ্য, গত ৩১ আগস্ট বেলা সাড়ে ১১টায় সিদ্দারটেক এলাকায় কাউছারকে রড দিয়ে পিটিয়ে আহত করে সন্ত্রাসীরা। পরে গত ৫ সেপ্টেম্বর চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান। এ ঘটনায় নিহতের বড় ভাই আছেদ মিয়া বাদী হয়ে শিপন, এমরান, মামুন, আয়নাল, বাপ্পিসহ ১০ জনের বিরুদ্ধে উত্তরখান থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন।

এই পাতার আরো খবর
up-arrow