Bangladesh Pratidin

ঢাকা, শনিবার, ৩ ডিসেম্বর, ২০১৬

প্রকাশ : বুধবার, ১৯ অক্টোবর, ২০১৬ ০০:০০ টা আপলোড : ১৮ অক্টোবর, ২০১৬ ২৩:০৮
পিবিআইর রিপোর্ট বাতিল করে পুনরায় তদন্ত দাবি
মসজিদ সংক্রান্ত মামলা
টাঙ্গাইল প্রতিনিধি

দেলদুয়ার উপজেলার ঘুনিকিশোর গ্রামে মাদক বিক্রেতাকে মসজিদের সেক্রেটারি সাজিয়ে মসজিদ ভাঙচুর, কোরআন শরিফ চুরি ও আইনশৃঙ্খলা বিঘ্নকারী হিসেবে ১১ জনের বিরুদ্ধে দ্রুত বিচার আদালতে মামলা করা হয়। টাঙ্গাইল জেলা পিবিআই’র (পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন) তদন্তকারী কর্মকর্তা মামলার বিষয়ে মসজিদ কমিটি বা গ্রামবাসীকে কোনো প্রকার জিজ্ঞাসাবাদ করেনি। বাদীর বাড়িতে বসে ও তাদের লোকজন পিবিআই অফিসে ডেকে তদন্ত রিপোর্ট তৈরি করা হয়েছে বলে সংবাদ সম্মেলনে অভিযোগ করেন ভুক্তভোগীরা। তারা পিবিআইর রিপোর্ট বাতিল ও পুনরায় তদন্ত করে প্রকৃত ঘটনা যাচাইয়ের দাবি জানিয়েছেন। টাঙ্গাইল প্রেসক্লাবে গতকাল সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে ঘুনিকিশোর পল্লী জামে মসজিদের বর্তমান সেক্রেটারি ইউপি সদস্য রাসেল মিয়া বলেন, গ্রামের সাহাদত হোসেনের প্রতিষ্ঠিত ও তার দানে জামে মসজিদ নিয়ে সম্প্রতি একটি মহল নানাভাবে গ্রামবাসীকে হয়রানি করে আসছে। তার ধারাবাহিকতায় জনৈক মাদক বিক্রেতা রফিকুল ইসলামকে মসজিদের ভুয়া সেক্রেটারি সাজিয়ে প্রকৃত কমিটি ও গ্রামবাসী ১১ জনের নামে মামলা দিয়ে গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গকে নাজেহাল করছে চক্রটি। মামলার দায়িত্বপ্রাপ্ত তদন্তকারী কর্মকর্তা পিবিআইর এসআই শফিকুর রহমান সম্প্রতি মসজিদ কমিটি ও গ্রামবাসীকে অভিযোগের বিষয়ে কোনো প্রকার জিজ্ঞাসাবাদ ছাড়াই রিপোর্ট তৈরি করেছেন। পিবিআই রিপোর্টে দেখানো হয়েছে মসজিদটি ভেঙে ফেলা হয়েছে। প্রকৃত পক্ষে মসজিদ পরিচালনা কমিটি রেজ্যুলেশন করেই পুরান টিনের ঘর ভেঙে তিনতলা বিশিষ্ট মসজিদ ঘর নির্মাণ করেছে। যেখানে গ্রামবাসী জুমার নামাজসহ পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ আদায় করছেন। সংবাদ সম্মেলনে আরও উপস্থিত ছিলেন, মসজিদ কমিটির সহ-সভাপতি সেকান্দার হোসেন কাদরী, সদস্য শাহীন আলম, মানিক মিয়াসহ গ্রামের গণ্যমান ব্যক্তিরা। এসআই শফিকুর রহমান জানান, আদালত আমাকে ওই মামলা তদন্তের দায়িত্ব দিয়েছেন। আমি দায়িত্ব সঠিকভাবে পালন করার চেষ্টা করেছি। তদন্ত রিপোর্ট জমা দিয়েছি, সিদ্ধান্ত নেবেন আদালত।’

এই পাতার আরো খবর
up-arrow