Bangladesh Pratidin

প্রকাশ : শুক্রবার, ৩ ফেব্রুয়ারি, ২০১৭ ০০:০০ টা আপলোড : ২ ফেব্রুয়ারি, ২০১৭ ২৩:১৪
কবি নজরুল বিশ্ববিদ্যালয়ে নিয়োগে অনিয়ম!
ময়মনসিংহ প্রতিনিধি

ময়মনসিংহের ত্রিশালে কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয়ে বিভিন্ন পদে লোকবল নিয়োগে অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে। এ নিয়ে প্রতিষ্ঠানের ভেতরে-বাইরে রয়েছে ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া। বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার আমিনুল হক অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, ‘সব নিয়োগই বিধি মেনে দেওয়া হয়েছে। ’ বিশ্ববিদ্যালয়ের সিন্ডিকেট সদস্য প্রিন্সিপাল জাকির হোসাঈন বলেন, ‘সিন্ডিকেটে এ সব বিষয় উত্থাপন হয় না। ’ ভিসি প্রফেসর মোহিতউল আলমকে তার মুঠোফোনে কল দিলে তিনি মিটিংয়ে আছেন বলে লাইন কেটে দেন।

বিশ্ববিদ্যালয় সূত্র জানায়, সাম্প্রতিক সময়ে যোগ্যতা না থাকা সত্ত্বেও ভিসি প্রফেসর ড. মোহিতউল আলমের ভাগ্নে আদনান মুন্নাকে ইলেক্ট্রিশিয়ান হিসেবে চাকরি দেওয়া হয়েছে। একইভাবে ভিসির বাসার কেয়ারটেকারের আত্মীয় সারোয়ার বিশ্ববিদ্যালয়ের ঢাকাস্থ লিয়াজোঁ অফিসে সহায়ক, ভিসির ছেলের শ্যালক সামিউল ইসলাম নেটওয়ার্ক ইঞ্জিনিয়ার, রেজিস্ট্রার আমিনুলের ভাতিজা সোহেল লিয়াজোঁ অফিসে, ডেপুটি রেজিস্ট্রার এহসান হাবিবের মামাতো ভাই মাহবুবুল ইসলাম ডেপুটি চিফ ইঞ্জিনিয়ার পদে চকরি পেয়েছেন।

এছাড়া এহসানের ভাই মেহেদী উল্লাহকে ফোকলোর বিভাগের শিক্ষক, আরেক ভাই ইমতিয়াজকে সেকশন অফিসার, নাট্যকলা বিভাগের শিক্ষক রুহুল আমীনের ভাই রাকিবুল হাসানকে পরিবেশ বিজ্ঞান বিভাগে শিক্ষক, নাট্যকলা বিভাগের মামুন রেজার স্ত্রী নুসরাত শারমীনকে শিক্ষক, সংগীত বিভাগের সুশান্ত কুমারের স্ত্রী ইন্দ্রানীকে শিক্ষক, স্টোর অফিসার নাজমুল হুদার সমন্ধি আল আমিনকে পরিবহন বিভাগের মেকানিক্যাল ইঞ্জিনিয়ার করা হয়েছে। বর্তমানে বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পাস করা ভিসির ছেলে ওয়াদুদ উল আলমকে ইংরেজি বিভাগে প্রভাষক পদে নিয়োগের সব প্রক্রিয়া সম্পন্ন। বিশ্ববিদ্যালয় নীল দলের সাধারণ সম্পাদক মাসুদ রানা বলেন, সম্প্রতি আরো সাতটি পদে প্রায় ৩৫ কর্মকর্তা-কর্মচারী নিয়োগ প্রক্রিয়ায় কর্মরত শিক্ষক, কর্মকর্তা-কর্মচারীর স্বজনদের চাকরি দেওয়ার অনৈতিক প্রতিযোগিতা চলছে।

এই পাতার আরো খবর
up-arrow