Bangladesh Pratidin

ঢাকা, শুক্রবার, ১৮ আগস্ট, ২০১৭

ঢাকা, শুক্রবার, ১৮ আগস্ট, ২০১৭
প্রকাশ : বুধবার, ৮ ফেব্রুয়ারি, ২০১৭ ০০:০০ টা আপলোড : ৭ ফেব্রুয়ারি, ২০১৭ ২৩:৫৫
বুড়িমারী দিয়ে আসছে নিম্নমানের কমলা
লালমনিরহাট প্রতিনিধি

বুড়িমারী স্থলবন্দর হয়ে প্রতিনিয়তই শুল্ক ফাঁকি দিয়ে বাংলাদেশে ঢুকছে ভারত ও ভুটানের নিম্নমানের গুটি লুজ কমলা। বৈধভাবে বন্দরে প্রবেশ করা ভারত ও ভুটানের পণ্যবাহী ট্রাকগুলোর পিঠে চেপে আসছে শত শত প্লাস্টিকের ব্যাগভর্তি কমলা।

এতে সরকার হারাচ্ছে লাখ লাখ টাকা রাজস্ব। আর এ সব লুজ কমলা বাংলাদেশে প্রবেশ করলেই ভারতীয় ট্রাকপ্রতি দিতে হয় ৪৫০ রুপী। সরজমিনে দেখা গেছে, প্রতিদিন দুপুর ২টার পর শত শত ভারতীয় ট্রাকের উপর থেকে ত্রিপলে মোড়ানো ছোট ছোট প্লাস্টিকের ব্যাগভর্তি কমলা নামানো হচ্ছে। এ সব ব্যাগে রয়েছে ভারত ও ভুটানের পচা, অস্বাস্থ্যকর কমলা। বুড়িমারী বন্দরের সামনে এগুলো জমজমাট পাইকারী বিক্রি চলছে। প্রতিব্যাগ কমলা বিক্রি হচ্ছে ৩৫০ থেকে ৪৫০ টাকা। বিভিন্ন জেলার পাইকাররা কমলা কিনছেন। সব দেখেও না দেখার ভান করছেন স্থানীয় কাস্টমস বিভাগ, পুলিশ ও বিজিবি। বুড়িমারী বন্দর ও কাস্টমস কর্তৃপক্ষের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, এ সব অবৈধ পণ্যের ওপর তাদের কোনো নিয়ন্ত্রণ নেই। এগুলো রাজস্ববহির্ভূত। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক ব্যক্তি জানান, লুজ কমলার ব্যবসা নিয়ন্ত্রণ করে একটি সিন্ডিকেট। সিন্ডিকেট সদস্যরা প্রতিদিন হাতিয়ে নিচ্ছে বিপুল টাকা। সন্ধ্যার পর বিভিন্ন সেক্টরে টাকা ভাগাভাগি হয়। জলঢাকা থেকে আসা ব্যবসায়ী রফিকুল ইসলাম বলেন, ‘লুজ কমলার দাম কম, চাহিদা বেশি। তাই কমলা কিনতে বুড়িমারি এসেছি। ’ বন্দর সহকারী কমিশনার বেনজির আহম্মেদ জানান, সংঘবদ্ধ সিন্ডিকেটের কারণে বন্ধ করা যাচ্ছে না লুজ কমলা আমদানি। বুড়িমারী সিএন্ডএফ অ্যাসোসিয়েশনের এক নেতা নাম প্রকাশ না করা শর্তে জানান— পুলিশ, বিজিবি, কাস্টমস ও সরকার দলীয় নেতারা এ থেকে মাসোহারা পান। তাই অবৈধ জানা সত্ত্বেও কেউ পদক্ষেপ নিচ্ছে না।

এই পাতার আরো খবর
up-arrow