Bangladesh Pratidin

ঢাকা, শুক্রবার, ২৪ নভেম্বর, ২০১৭

ঢাকা, শুক্রবার, ২৪ নভেম্বর, ২০১৭
প্রকাশ : বৃহস্পতিবার, ১৬ ফেব্রুয়ারি, ২০১৭ ০০:০০ টা আপলোড : ১৫ ফেব্রুয়ারি, ২০১৭ ২৩:২৬
ওসি ও ছয় কনস্টেবলের বিরুদ্ধে হত্যা মামলা
ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রতিনিধি

ব্রাহ্মণবাড়িয়া শহরে আল আমিন নামে এক যুবককে বাড়ি থেকে ধরে নিয়ে গুলি করে হত্যার অভিযোগে পুলিশ কর্মকর্তাসহ ছয় কনস্টেবল এবং দুই সোর্সের বিরুদ্ধে আদালতে মামলা হয়েছে। অতিরিক্ত চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট শফিকুল ইসলামের আদালতে এ মামলা করেন আল আমিনের মা নেসা বেগম।

৭ ফেব্রুয়ারি শহরের কান্দিপাড়া মহল্লার আল আমিনের গুলিবিদ্ধ লাশ উদ্ধার করা হয়। তার বুক ও পেটে একাধিক গুলির দাগ ছিল। নেসা বেগম ১৩ ফেব্রুয়ারি মামলা করেন। এতে সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মঈনুর রহমান, এসআই আশরাফ, পুলিশের সোর্স খোকন ও সুমনকে আসামি করা হয়েছে। আদালত পিবিআইকে তদন্তের নির্দেশ দিয়েছেন। পুলিশ অবশ্য বলেছে, আল আমিন মাদক ব্যবসার আধিপত্য নিয়ে দুই গ্রুপের মধ্যে সংঘর্ষে নিহত হয়। তার স্ত্রীসহ পরিবারের সদস্যরা জানান, পুলিশ প্রকাশ্যে তাকে বাড়ি থেকে ধরে নিয়ে নির্যাতন করলে সে মারা যায়। এদিকে এ ঘটনায় সদর থানা পুলিশের দায়ের করা হত্যা ও অস্ত্র উদ্ধার মামলায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। সদর থানার এসআই নারায়ণ চন্দ্র দাস পৃথক দুটি মামলা করেন। মামলার আরজিতে উল্লেখ করা হয়, পরিকল্পিত হত্যাকাণ্ড। ওই মামলায় ভারতের হাসপাতালে ভর্তি কিডনি ও হার্ট আক্রান্ত রোগী এবং কারাগারে আটক একাধিক ব্যক্তিকে হত্যা ও অস্ত্র মামলার আসামি করা হয়েছে।

অনুসন্ধানে জানা যায়, পুলিশের দায়ের করা মামলার ৯ নম্বর আসামি কালু মিয়া কিডনি ও হার্টের রোগী। মামলার ১১ দিন আগেই ভারতের জিবি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন তিনি। গতকাল সকালে তার সঙ্গে কথা হয়। তিনি জানান, তিনি এখন আগরতলায় জিবি হাসপাতালের দ্বিতীয় তলার ১১ নম্বর ওয়ার্ডের ৫ নম্বর সিটে রয়েছেন। একই মামলার ৩ নম্বর আসামি জাকির হোসেন দীর্ঘদিন ধরে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা কারাগারে আটক ছিলেন। ১২ ফেব্রুয়ারি তিনি জামিনে বের হন। অন্য আসামি এরশাদ মিয়া দীর্ঘদিন ধরে কারাগারে। সূত্র বলছে, এরা সবাই মাদক ব্যবসার সঙ্গে সম্পৃক্ত। স্থানীয় সূত্র জানায়, হাসপাতালে ভর্তি কিডনি ও হার্টের রোগী এবং কারাগারে আটক ব্যক্তি কীভাবে গোলাগুলিতে অংশ নিলেন?

এই পাতার আরো খবর
up-arrow