Bangladesh Pratidin

ঢাকা, শনিবার, ১৮ নভেম্বর, ২০১৭

ঢাকা, শনিবার, ১৮ নভেম্বর, ২০১৭
প্রকাশ : বৃহস্পতিবার, ১৬ ফেব্রুয়ারি, ২০১৭ ০০:০০ টা আপলোড : ১৫ ফেব্রুয়ারি, ২০১৭ ২৩:২৬
রাতের নিয়োগ পরীক্ষায় লেনদেন ৫০ লাখ টাকা
শেরপুর প্রতিনিধি

শ্রীবরর্দী উপজেলা ভায়াডাঙ্গা এএম সিনিয়র মাদ্রাসায় শিক্ষক নিয়োগে অনিয়মের অভিযোগ পাওয়া গেছে। রাতের বেলা পরীক্ষার আয়োজন করে হাতিয়ে নেওয়া হয়েছে অর্ধ কোটি টাকা।

শেরপুর সরকারি মহিলা কলেজে গত ৩০ জানুয়ারি রাতে নিয়োগ পরীক্ষা নেওয়া হয়েছে। এ ব্যাপারে ওই কলেজের অধ্যক্ষকেও জানানো হয়নি। মাদ্রাসা সুপার হুসাইনুজ্জামান প্রথমে অভিযোগ অস্বীকার করলেও পরে বলেন— এতো টাকা নয়, তিনজনের কাছ থেকে ১৭ লাখ ৮০ হাজার টাকা নেওয়া হয়েছে। মাদ্রাসার সভাপতি এমএ মোনায়েমের দাবি, তিনি ঘটনার কিছুই জানেন না। জানা যায়, ২০১৩ সালের ১০ নভেম্বর আরবী, গণিত, এবতেদায়ি সাধারণ, কৃষি ও মৌলভী পদে নিয়োগ দিতে পত্রিকায় বিজ্ঞাপন দেওয়া হয়। নিয়মানুযায়ী বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের ছয় মাসের মধ্যে নিয়োগ না হলে তার কার্যকারিতা থাকে না। তাই আগের তারিখ ব্যবহার করে পরীক্ষা নেওয়া হয়। পরীক্ষায় অংশ নেন ১৫ জন। পাঁচজন সিন্ডিকেট নির্ধারিত, বাকিরা ড্যামি প্রার্থী। ওই পরীক্ষায় ডিজি প্রতিনিধি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন তৎকালীন শ্রীবর্দী সরকারি কলেজের অধ্যক্ষ একেএম নাসির উদ্দিন (বর্তমানে টিটি কলেজের অধ্যক্ষ) ২০১৫ সালে সরকার বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে পরিচালনা কমিটির ক্ষমতায় নিয়োগ বন্ধ করে দেয়। ৩-৪ মাস আগে কৌশলে ওই নিয়োগটি দেওয়ার জন্য বুদ্ধি আঁটে মাদ্রাসা সুপার আবুল কালাম মো. হুসাইনুজ্জামান, তার সহযোগী শ্রীবর্দী কামিল মাদ্রাসার শিক্ষক আব্দুল বাতেন। ডিজি প্রতিনিধি নাসির উদ্দিন জানান, কয়েকজন বিশিষ্ট লোক, মাদ্রাসা সুপার, নতুন-পুরাতন কমিটি ও বাতেনের অনুরোধে পরীক্ষাটি নেওয়া হয়েছে। তবে এটি বেআইনি তাই পরীক্ষা বাতিল করা হয়েছে। জেলা শিক্ষা কর্মকর্তা সৈয়দ উদ্দিন বলেন, ‘এটি অনৈতিক কাজ। আমার কাছে এখনো কোনো কাগজ আসেনি। এলে দেখব। ’

এই পাতার আরো খবর
up-arrow