Bangladesh Pratidin

ঢাকা, বুধবার, ১৮ অক্টোবর, ২০১৭

ঢাকা, বুধবার, ১৮ অক্টোবর, ২০১৭
প্রকাশ : মঙ্গলবার, ২১ ফেব্রুয়ারি, ২০১৭ ০০:০০ টা আপলোড : ২০ ফেব্রুয়ারি, ২০১৭ ২৩:০৮
পাঁচ ট্রেনের আসন কমিয়ে অর্ধেক, ভোগান্তিতে যাত্রী
ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রতিনিধি

ঢাকা-চট্টগ্রাম ও ঢাকা-সিলেট রেলপথের অনেক স্টেশনের চেয়ে ব্রাহ্মণবাড়িয়া স্টেশনের রাজস্ব আয় বেশি। কিন্তু বার বার রেলওয়ের কোপানলে পড়তে হয় এখানকার যাত্রীদের।

সম্প্রতি পাঁচটি আন্তঃনগর ট্রেনে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার যাত্রীদের আসন বরাদ্দ কমিয়ে অর্ধেক করা হয়েছে। আজ কমানো হবে চট্টগ্রামগামী মহানগর ট্রেনের আসন বরাদ্দ। যেখানে আসন সংখ্যা বাড়ানো দরকার সেখানে কমানো হচ্ছে। এতে ব্রাহ্মণবাড়িয়া রেলযাত্রীদের মধ্যে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। অন্যান্য ট্রেনেও যাত্রী অনুপাতে আসন নেই।

ব্রাহ্মণবাড়িয়া রেল স্টেশন সূত্র জানায়, গত ১৪ জানুয়ারি থেকে ঢাকাগামী মহানগর গোধূলি, মহানগর এক্সপ্রেস, তূর্ণা নিশীথা, চট্টগ্রামগামী মহানগর প্রভাতী ও তূর্ণা নিশীথায় ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আসন কমিয়ে দেওয়া হয়। মঙ্গলবার (আজ) থেকে চট্টগ্রামগামী মহনগর এক্সপ্রেস ট্রেনে শোভন শ্রেণির আসন সংখ্যা ১২৫ থেকে কমিয়ে ৬০ করা হবে। রেলসূত্র জানায়, এসব ট্রেনে নতুন কোচ (সবুজ রংয়ের) সংযোজনের পরই ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আসন কমানো হয়েছে। ঢাকা-চট্টগ্রাম, ঢাকা-সিলেট, ঢাকা-নোয়াখালী পথে চলাচলকারী অন্য আন্তঃনগর ট্রেনেও ব্রাহ্মণবাড়িয়ার যাত্রীদের জন্য পর্যাপ্ত আসন বরাদ্দ নেই।

প্রতিটি ট্রেনে আসনের দ্বিগুণ-তিনগুণ যাত্রী দাঁড়িয়ে ভ্রমণ করছেন।

জানা গেছে, প্রতিদিন তিন হাজারের অধিক যাত্রী এই স্টেশন থেকে বিভিন্ন ট্রেনে নানা গন্তব্যে যাতায়াত করেন। বিপরীতে বিভিন্ন আন্তঃনগর ট্রেনে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার যাত্রীদের জন্য আসন আছে এক হাজার। ঢাকাগামী উপকূল এক্সপ্রেসে শোভন শ্রেণির আসন বরাদ্দ রয়েছে ১৭০টি। কিন্তু এই ট্রেনটিতে অতিরিক্ত দুই থেকে আড়াইশ যাত্রী ভ্রমণ করছেন। সিলেট থেকে ঢাকামুখী জয়ন্তিকা এক্সপ্রেসে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার যাত্রীদের জন্যে আসন বরাদ্দ মাত্র ১০টি। অথচ এই ট্রেনে ব্রাহ্মণবাড়িয়া থেকে ঢাকা যাচ্ছেন দুই শতাধিক যাত্রী। একই অবস্থা অন্য রুটগুলোতে চলাচল করা বিভিন্ন ট্রেনের। সকালে উপকূল এক্সপ্রেসের ঘণ্টা দেড়েক পর সিলেট থেকে আসা কালনী এক্সপ্রেস ব্রাহ্মণবাড়িয়া অতিক্রম করে। কিন্তু এই ট্রেনটির ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় যাত্রবিরতি নেই।

স্টেশনের কর্মকর্তারা বলছেন, এই ট্রেনটি যাত্রাবিরতি করলে উপকূল ও চট্টলার যাত্রী চাপ অনেক কমে যেত। ব্রাহ্মণবাড়িয়ার ভারপ্রাপ্ত রেলস্টেশন মাস্টার মো. শোয়েব বলেন, পাঁচটি আন্তঃনগর ট্রেনের আসন কমিয়ে দেওয়ার পরও টিকিট আগের মতই বিক্রি হচ্ছে। আসন না থাকায় যাত্রীদের ভোগান্তিতে পড়তে হচ্ছে।

এই পাতার আরো খবর
up-arrow