Bangladesh Pratidin

ঢাকা, শনিবার, ১৮ নভেম্বর, ২০১৭

ঢাকা, শনিবার, ১৮ নভেম্বর, ২০১৭
প্রকাশ : শুক্রবার, ২৪ ফেব্রুয়ারি, ২০১৭ ০০:০০ টা আপলোড : ২৪ ফেব্রুয়ারি, ২০১৭ ০২:০০
পাঁচ কোটি টাকার চাঁদা দাবি!
টঙ্গী প্রতিনিধি

গাজীপুরের টঙ্গী সাতাইশ এলাকায় জমিজমা সংক্রান্ত ঘটনায় আবাসন প্রকল্প ছায়াকুঞ্জের পরিচালক কামরুজামান কামরুলের বিরুদ্ধে পাঁচ কোটি টাকার চাঁদা দাবির অভিযোগ পাওয়া গেছে। এ ঘটনায় বুধবার রাতে আলমগীর কবির নামে এক ব্যক্তি টঙ্গী মডেল থানা অভিযোগ দায়ের করেন।

এ বিষয়ে অভিযুক্ত কামরুল অভিযোগ মিথ্যা দাবি করে বলেন, আলমগীর ভুয়া দলিল বানিয়ে ওই জমি দাবি করছেন। থানার ওসি ফিরোজ তালুকদার জানান— অভিযোগ পেয়েছি। তদন্ত করে মামলা নেওয়া হবে। অভিযোগে উল্লেখ করা হয়— আলমগীর টঙ্গী থানাধীন সাতাইশ কাকিল সাতাইশ ও গুশুলিয়া মৌজায় ২০০৮ সালে ১১৮৮৫ নম্বর আম মোক্তারনামা দলিলমূলে ২৩ একর ৪৬ শতাংশ জমির মালিক হন। পরে ছায়াকুঞ্জের মালিক শামীমা আক্তার সুমি ও ওহাব অ্যান্ড সন্স-এর কাছে ৫৬ শতাংশ জমি বিক্রি করেন। অপরদিকে অভিযুক্ত কামরুজ্জামানের কাছে আরো এক একর ৩৭ শতাংশ জমি বিক্রির জন্য বায়না ও চুক্তিপত্রে আবদ্ধ হন। ২০০৯ সালে জমির নগদ মূল্য পরিশোধ না করে বাকিতে জমি রেজিস্ট্রি দিতে চাপ দেন কামরুজ্জামান। এমনকি রেজিস্ট্রি না করেই শত কোটি টাকার জমি দখল করে বাড়িঘর নির্মাণ করেন। বর্তমানে ওই জমিতে বহুতল ভবন নির্মাণের জন্য প্রস্তুতি নিলে আলমগীর বাধা দিলে স্থানীয় প্রভাব খাটিয়ে প্রাণনাশের হুমকিসহ উল্টো পাঁচ কোটি টাকা চাঁদা দাবি করেন। এছাড়া বাদী আলমগীরের বোন ফেরদৌসী বেগম তার নিজ জমি থেকে ৩৫ শতাংশ ছায়াকুঞ্জের মালিকের কাছে বিক্রি করলে কামরুজ্জামান জালিয়াতির আশ্রয় নিয়ে ভুয়া আবেদন বানিয়ে জোত বাতিলের জন্য এসিল্যান্ডে মোকদ্দমা করেন। পরে ওই মোকদ্দমায় বাদী কামরুল নিজেই বিবাদী সেজে মোকদ্দমার জবাব দেন। এ নিয়ে ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়।

এই পাতার আরো খবর
up-arrow