Bangladesh Pratidin

ঢাকা, শনিবার, ১৯ আগস্ট, ২০১৭

ঢাকা, শনিবার, ১৯ আগস্ট, ২০১৭
প্রকাশ : শনিবার, ২৫ ফেব্রুয়ারি, ২০১৭ ০০:০০ টা আপলোড : ২৫ ফেব্রুয়ারি, ২০১৭ ০০:০৯
চৌহালী রক্ষাবাঁধে ধস
সিরাজগঞ্জ প্রতিনিধি
চৌহালী রক্ষাবাঁধে ধস
ভাঙছে চৌহালী শহর রক্ষাবাঁধ। ছবিটি গতকাল তোলা —বাংলাদেশ প্রতিদিন

শুষ্ক মৌসুমেও যমুনা নদীর পানির প্রবল স্রোতের কারণে ১০৭ কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত চৌহালী রক্ষাবাঁধে ধস নেমেছে। বৃহস্পতিবার দুপুরে বাঁধের টাঙ্গাইলের নাগরপুর অংশের খাসশাহজানী (খগেন ঘাট) এলাকায় আকস্মিক এ ধস নামে।

এতে বাঁধের প্রায় ৩৬ মিটার এলাকার সিসিব্লক ও জিওব্যাগ নদীগর্ভে বিলীন হয়ে যায়। অভিযোগ রয়েছে, নদীর তলদেশে বালিভর্তি জিও ব্যাগ ডাম্পিং কাজে ফাঁকি-অনিয়ম ও দুর্নীতির কারণে এই ধস নেমেছে। এদিকে অসময়ে শহর রক্ষাবাঁধে ধস নামায় এলাকাবাসীর মধ্যে ভাঙন আতঙ্ক বিরাজ করছে। তবে পাউবো বলছে, আতঙ্কের কিছু নেই। জানা যায়, চৌহালী রক্ষায় ২০১৬ সালে টাঙ্গাইল পানি উন্নয়ন বোর্ডের তত্ত্বাবধানে খাসকাউলিয়া থেকে আটাপাড়া পর্যন্ত পাঁচ কিলোমিটার বাঁধ নির্মাণের প্রকল্প গ্রহণ করা হয়। প্রকল্পের প্রথম পর্যায়ে ১ঃ৩ হারে ঢালু (স্লাপ) করে নদীর পানির স্তর থেকে পার পর্যন্ত বালি ভর্তি জিও ব্যাগ ডাম্পিং করে বসানো হয়। যাতে স্রোতের আঘাত থেকে অস্থায়ীভাবে নদীর পাড় ভাঙনরোধ হয়। বর্তমানে দ্বিতীয় পর্যায়ে নদীপাড়ের ঢালুতে সিসিব্লক বিছিয়ে স্থায়ী ভাঙনরোধের কাজ করা হচ্ছে। এ অবস্থায় বৃহস্পতিবার দুপুরের দিকে খগেন ঘাট এলাকায় ধস নামে। এতে ৩৬ মিটার এলাকা নদীগর্ভে বিলীন হয়ে যায়। এলাকাবাসীর অভিযোগ, বাঁধের তলদেশে সঠিকভাবে বালুভর্তি জিও ব্যাগ ডাম্পিং না করার এবং শিডিউল অনুযায়ী উন্নত-প্রযুক্তি ব্যবহার না করে যেনতেনভাবে কাজ করায় এ ধস নেমেছে। তবে টাঙ্গাইল পানি উন্নয়ন বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী শাহজাহান সিরাজ বলেন, ধসে যাওয়া পয়েন্টে পানির গভীরতা প্রায় ১৯ মিটার। এ পয়েন্টের পশ্চিম প্রান্তে চর পড়ায় পানি সরাসরি পূর্ব প্রান্তে বাঁধ এলাকায় আঘাত হানছে। পানির প্রচণ্ড চাপের কারণে নিচ থেকে মাটি সরে যাওয়ায় এ ধসের ঘটনা ঘটেছে। সংস্কার কাজ শুরু করা হয়েছে। এ ছাড়াও কাজের গুণগত মান ভালো হয়েছে বলেও এই কর্মকর্তা দাবি করেছেন।

এই পাতার আরো খবর
up-arrow