Bangladesh Pratidin

ঢাকা, বৃহস্পতিবার, ২৩ নভেম্বর, ২০১৭

ঢাকা, বৃহস্পতিবার, ২৩ নভেম্বর, ২০১৭
প্রকাশ : শুক্রবার, ৩ মার্চ, ২০১৭ ০০:০০ টা আপলোড : ৩ মার্চ, ২০১৭ ০০:৩০
আওয়ামী লীগে কোন্দল সুবিধা পাবে বিএনপি
জগন্নাথপুর উপজেলা নির্বাচন
মাসুম হেলাল, সুনামগঞ্জ

সুনামগঞ্জের জগন্নাথপুর উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে দ্বিধাভিবক্ত আওয়ামী লীগে চরম কোন্দলের সুযোগ নেবে বিএনপি। শাসক দলের প্রার্থীর পাশাপাশি শক্তিশালী বিদ্রোহী প্রার্থী থাকায় একক প্রার্থী নিয়ে বেশ ভালো অবস্থানে আছে বিএনপি।

দলীয় প্রার্থী ও বিদ্রোহী প্রার্থীর সমর্থকদের পাশাপাশি নির্বাচনে আওয়ামী লীগের আরও বিদ্রোহী প্রার্থী রয়েছে— যদিও ভোটের মাঠে তারা সক্রিয় নন। শেষ মুহূর্তে নিজেদের মধ্যে দূরত্ব কমিয়ে আনতে না পারলে নিজেদের ঘাঁটিতে নির্বাচনের ফলাফল আওয়ামী লীগের প্রতিকূলে চলে যেতে পারে।   ২০০৯ সালের নির্বাচনে জগন্নাথপুরে চেয়ারম্যান পদের ফলাফল নিয়ে আওয়ামী লীগ প্রার্থী আকমল হোসেন ও বিএনপি প্রার্থী আতাউর রহমানের সমর্থকদের মধ্যে সংঘর্ষ হয়। ফলাফল নিয়ে জটিলতার পরিপ্রেক্ষিতে তিন বছর পরে একটি কেন্দ্রে পুনর্নির্বাচনের মাধ্যমে বিজয়ী হন আকমল। মামলা মোকদ্দমাকালীন তিন বছর বাদ দিয়ে নির্বাচিত চেয়ারম্যানের পূর্ণ মেয়াদে ক্ষমতায় থাকার কারণে আট বছর পর আগামী ৬ মার্চ নির্বাচনের দিনক্ষণ ধার্য করা হয়। নির্বাচনে এবারও আওয়ামী লীগ ও বিএনপি থেকে মনোনয়ন পেয়েছেন সাবেক দুই প্রতিদ্বন্দ্বী আকমল হোসেন ও আতাউর রহমান। অতীতের মতো এবারও দুই দলের মধ্যে হাড্ডাহাড্ডি লড়াইয়ের যে সম্ভাবনা দেখা দিয়েছিল শাসক দলের কোন্দলের করণে ভোটের মাঠে তা অনেকখানি অনুপস্থিত। বিগত পরিষদের জনপ্রিয় ভাইস চেয়ারম্যান ও উপজেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক মুক্তাদির আহমদ মুক্তা এবারের নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে প্রার্থী হয়েছেন। যদিও দলীয় শৃঙ্খলা ভাঙার অপরাধে তাকে দল থেকে বহিষ্কার করেছে আওয়ামী লীগ। এদিকে, জগন্নাথপুর উপজেলা আওয়ামী লীগ প্রতিমন্ত্রী মান্নান ও আবদুস সামাদ আজদপুত্র ডন বলয়ে দ্বিধাবিভক্ত। অপরদিকে বিএনপি প্রার্থী আতাউর রহমানের প্রচারণায় বিগত নির্বাচনে তার পরাজয়ের বিষয়টি আবেগ দিয়ে উপস্থাপন করছেন। তিনি দাবি করছেন, জোরপূর্বক তার বিজয় ছিনিয়ে নেওয়া হয়েছিল। যে কারণে তিনি মানুষের ভোটের অধিকার ফিরিয়ে দিতে আবারও প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।

up-arrow