Bangladesh Pratidin

ঢাকা, সোমবার, ২০ নভেম্বর, ২০১৭

ঢাকা, সোমবার, ২০ নভেম্বর, ২০১৭
প্রকাশ : সোমবার, ১৩ মার্চ, ২০১৭ ০০:০০ টা আপলোড : ১৩ মার্চ, ২০১৭ ০০:১৩
টেন্ডারে অনিয়ম : সরকারের ক্ষতি হচ্ছে ৫০ লাখ টাকা
বেলাল রিজভী, মাদারীপুর

মাদারীপুর গণপূর্ত বিভাগের টেন্ডারে অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে। এসব অনিয়মে প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে মদদ দিচ্ছেন সংশ্লিষ্ট অফিসের কর্মকর্তারা বলে জানিয়েছেন একাধিক ঠিকাদার।

সূত্র জানায়, মাদারীপুর জেলা কারাগারের মেডিকেল সেন্টার নির্মাণ কাজের জন্য গত বছরের ২২ আগস্ট ১ কোটি ৬৫ লাখ টাকার দরপত্র আহ্বান করা হয়। ২২টি ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান শিডিউল কিনলেও ৮টি ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান টেন্ডার ড্রপ করে। এর মধ্যে রাজশাহীর ব্রাদার্স কনস্ট্রাকশন সর্বনিম্ন দরদাতা হিসেবে ১ কোটি ২৪ লাখ টাকা ড্রপ করে। দরপত্র মূল্যায়ন কমিটি টেন্ডার যাচাই-বাছাই করে বরিশাল তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলীর কার্যালয়ে পাঠায়। দরপত্র মূল্যায়ন কমিটির যাচাই-বাছাইকৃত সব ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানকে দায়িত্বশীল নয় ঘোষণা করে দরপত্র বাতিল করে এবং পুনরায় দরপত্র আহ্বানের নির্দেশ দেয়। পিপিআর বিধান মোতাবেক সর্বনিম্ন দরদাতা কোনো কারণে অযোগ্য ঘোষিত হলে দ্বিতীয় সর্বনিম্ন দরদাতাকে নির্মাণ কাজটি প্রদানের নিয়ম রয়েছে। এভাবে দ্বিতীয় সর্বনিম্ন দরদাতা অযোগ্য ঘোষিত হলে এর পরের জনকে কাজ প্রদানের নিয়ম থাকলেও সেই নিয়মের তোয়াক্কা না করে ৮টি দরপত্রই বাতিল করে। এতে ঠিকাদারদের মাঝে ক্ষোভ বিরাজ করছে। এই দরপত্র বাতিল করার কারণে সরকার বিপুল পরিমাণ আর্থিক ক্ষতির সম্মুখীন হচ্ছে। জানা গেছে, স্থানীয় এক ঠিকাদারকে কাজ পাইয়ে দিতে মাদারীপুর গণপূর্ত বিভাগের স্টিমিটার মিজানুর রহমান, ইন্স্যুক্লের্ক জাহাঙ্গীর হোসেন এবং সাবেক নির্বাহী প্রকৌশলীর যোগসাজশে দরপত্র বাতিল করে ফের টেন্ডার আহ্বান করা হয়েছে। তারা তিনজনই অভিযোগ অস্বীকার করেছেন। দ্বিতীয়বার ডাকা টেন্ডারে ৩৭টি শিডিউল বিক্রি হলেও টেন্ডার ড্রপের দিন মাত্র ৩টি শিডিউল ড্রপ করা হয়। টেন্ডারে অংশগ্রহণকারী নবারুন এন্টারপ্রাইজ এবং শেখ এন্টারপ্রাইজ ১ কোটি ৬৫ লাখ ৪৪ হাজার ২০০ টাকা মূল্য নির্ধারণ করে টেন্ডার ড্রপ করে। এ ছাড়াও হামিম ইন্টারন্যাশনাল ১ কোটি ৬৯ লাখ ৩১ হাজার ১৮৬ টাকা মূল্য নির্ধারণ করে টেন্ডার ড্রপ করে। প্রথমবার আহ্বানকৃত দরপত্রের চেয়ে দ্বিতীয়বার আহ্বানকৃত দরপত্রে ৫০ লাখ টাকা বেশি খরচ হবে সরকারের।

এ ব্যাপারে মাদারীপুর গণপূর্ত অধিদফতরের নির্বাহী প্রকৌশলী আবু সালেহ মোহাম্মদ ফিরোজ এই টেন্ডার সংক্রান্ত বিস্তারিত তথ্য দিতে অস্বীকৃতি জানিয়ে বলেন, বিষয়টি সার্কেল অফিস ভালো বলতে পারবে, আমি নতুন এসেছি।

এই পাতার আরো খবর
up-arrow