Bangladesh Pratidin

প্রকাশ : মঙ্গলবার, ১৭ এপ্রিল, ২০১৮ ০০:০০ টা প্রিন্ট ভার্সন আপলোড : ১৬ এপ্রিল, ২০১৮ ২৩:২৯
আ.লীগ নেতাদের নামে মামলা হয়রানি নির্যাতনের অভিযোগ
মেঘনা উপজেলা
দাউদকান্দি (কুমিল্লা) প্রতিনিধি

কুমিল্লার মেঘনায় একাধিক আওয়ামী লীগ, যুবলীগ নেতার নামে ‘মিথ্যা’ মামলা অথবা এজাহারে নাম না থাকলেও গ্রেফতার, নির্যাতনের অভিযোগ উঠেছে। এর মধ্যে এক নেতা সম্প্রতি চট্টগ্রাম বিভাগীয় ডিআইজি বরাবর লিখিত অভিযোগ করেন। অভিযোগটি বর্তমানে এএসপি মোস্তাফা কামাল তদন্ত করছেন। মামলা, হয়রানি নির্যাতনের শিকার নেতারা হলেন— চালিয়াভাঙ্গা ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি ও ইউপি চেয়ারম্যান আবদুল লতিফ, উপজেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক, উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান তাজুল ইসলাম তাজ, উপজেলা আওয়ামী লীগের সদস্য ইউপি চেয়ারম্যান সানাউল্লাহ শিকদার, রাধানগর ইউপি চেয়ারম্যান উপজেলা আওয়ামী লীগের সদস্য আ. বাতেন, চালিয়াভাঙ্গা ইউপি আ.লীগের সাধারণ সম্পাদক নুরুল আমিন মেম্বার, রাধানগর ইউনিয়ন যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক ডা. আক্তার হোসেন, চন্দনপুর ইউপি চেয়ারম্যান ও ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি আহসান উল্লাহ মাস্টার। উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান তাজুল ইসলাম তাজ বলেন— ওসি সামসুদ্দিন মেঘনা থানায় যোগদান করার পর উপজেলা ও আওয়ামী লীগের নেতাকর্মী ছাড়াও  বিভিন্ন ইউনিয়নের চেয়ারম্যানও মামলার আসামি হয়েছেন। অথচ বিগত দুই বছরে মেঘনায় বিএনপির নেতা-কর্মীরা কোন মামলা-হয়রানির শিকার হননি। কেবল মাত্র বেগম খালেদা জিয়া গ্রেফতার হওয়ার পর দু/একজন নেতা কর্মী গ্রেফতার হয়েছেন। এদিকে মেঘনা থানা ওসি সামসুদ্দিনের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন— সাঁড়াশি অভিযানের কারণে মেঘনায় এখন মাদক নেই। আওয়ামী লীগ নেতা-কর্মীদের হয়রানি প্রসঙ্গে বলেন, কেউ আইনের ঊর্ধ্বে নয়। তাছাড়া কাউকে হয়রানি করা হয়নি। চালিয়াভাঙ্গা ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি ও ইউপি চেয়ারম্যান আব্দুল লতিফ লিখিত অভিযোগে উল্লেখ করেন— গত বছর ১৫ অক্টোবর রাতে স্থানীয় চালিয়াভাঙ্গায় আমির হোসেন নামে এক ব্যক্তিকে অজ্ঞাত সন্ত্রাসীরা হত্যা করে। ওই হত্যামামলায় এজাহারে নাম না থাকলেও তাকে এবং একই ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক নুরুল আমিন মেম্বারকে গ্রেফতার ও নির্যাতন করা হয়।

অভিযোগে উল্লেখ করা হয়— মেঘনা মাদকের আখড়ায় পরিণত হয়েছে। মাদক বিক্রি হচ্ছে ওমরাকান্দা ব্রিজ এলাকা, লুটেরচর ব্রিজের নিচে, কাশীপুর বাজার, বড়কান্দা বাজার, চালিয়াভাঙ্গা, সেননগর, চন্দনপুর, মানিকাচরসহ ১৫-১৬টি স্থানে। জুয়ার আসর বসছে রাধানগর ও মানিকাচর বাজার এলাকায়।

up-arrow