Bangladesh Pratidin

প্রকাশ : শুক্রবার, ৭ সেপ্টেম্বর, ২০১৮ ০০:০০ টা প্রিন্ট ভার্সন আপলোড : ৬ সেপ্টেম্বর, ২০১৮ ২৩:৩৯
সংস্কার হয়নি পাহাড় ধসে বিধ্বস্ত সড়ক
ঝুঁকি নিয়ে চলছে যান, দুর্ভোগে জনসাধারণ
রাঙামাটি প্রতিনিধি
সংস্কার হয়নি পাহাড়  ধসে বিধ্বস্ত সড়ক

রাঙামাটিতে পাহাড় ধসে বিধ্বস্ত সড়কগুলো দেড় বছরেও সংস্কার হয়নি। দীর্ঘদিন ধরে মেরামত না করায় এ সব সড়ক চলাচলের অনুপযোগী হয়ে পড়েছে। তবু ঝুঁকি নিয়ে চলছে ছোট-বড় যানবাহন। খানাখন্দে ভরা সড়ক দিয়ে চলাচল করতে গিয়ে প্রতিনিয়ত দুর্ভোগের শিকার হচ্ছেন বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ।

রাঙামাটি সড়ক ও জনপথ (সওজ) বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী এমদাদ হোসেন জানান, ২০১৭ সালে অতিবৃষ্টির কারণে ব্যাপক পাহাড় ধস হয়। ধসেপড়া পাহড়ের ভারে বিধ্বস্ত হয়েছে জেলার বেশিরভাগ কাঁচা-পাকা সড়ক। আপতত বালির বস্তা ফেলে সড়কগুলো ঠিক রাখার চেষ্টা করছি। স্থায়ীভাবে সংস্কার না হলে এ সব সড়ক টিকিয়ে রাখা সম্ভব হবে না। এ কর্মকর্তা বলেন, ক্ষতিগ্রস্ত সড়কের স্থায়ী কাজের জন্য ১৫১টি স্থানের নকশা তৈরি করে ২৩০ কোটি টাকার প্রকল্প সংশ্লিষ্ট দফতরে পাঠানো হয়েছে। সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, ২০১৭ সালের ১৩ জুন প্রাকৃতিক দুর্যোগে লণ্ডভণ্ড হয় পুরো রাঙামাটি। পাহাড় ধসে বিধ্বস্ত হয় জেলার বিভিন্ন সড়কের ১৪৫টি স্থান। এর মধ্যে ১১৩টি স্থানে সড়ক ভেঙে যায়। এছাড়া শহরের তিনটি গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টে সড়ক ধসে সারা দেশের সঙ্গে রাঙামাটির যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছিল। সেই ক্ষত সারানোর আগেই চলতি বছর বর্ষায় নতুন করে সড়ক ভেঙে যায় আরও ছয়টি স্থানে। ফলে ক্ষতিগ্রস্ত সড়কের সংখ্যা দাঁড়ায় ১৫১টিতে। তার একটিও সংস্কার হয়নি।

সিএনজিচালিত অটোরিকশা চালক সমিতির নেতা বাবুল হোসেন বলেন, আঁকাবাঁকা পাহাড়ি সড়ক ভেঙে যাওয়া ভয়াবহ রূপ নিয়েছে। প্রায় প্রতিদিন এ সব সড়কে ঘটছে ছোট-বড় দুর্ঘটনা। বিভিন্ন স্থানে কংক্রিট উঠে গর্ত সৃষ্টি হয়েছে। কোথাও ভেঙে পড়েছে সড়কের বিরাট অংশ। তিনি জানান, এ সব সড়কে বালির বস্তা ফেলে কোনো রকম যোগাযোগ ব্যবস্থা চালু রাখা হলেও এড়ানো যাচ্ছে না দুর্ঘটনা। পর্যটন শহর রাঙামাটির সড়কগুলো দীর্ঘদিন বেহাল থাকায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন স্থানীয়রা।

up-arrow