Bangladesh Pratidin

ঢাকা, মঙ্গলবার, ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০১৬

প্রকাশ : ১১ জুন, ২০১৬ ১৬:৪৪
ফরিদপুরে লালমি বাঙ্গিতে কৃষকদের মুখে হাসি
কামরুজ্জামান সোহেল, ফরিদপুর
ফরিদপুরে লালমি বাঙ্গিতে কৃষকদের মুখে হাসি

ফরিদপুরের সদরপুরে লালমি-বাঙ্গির এ বছর বাম্পার ফলন হয়েছে। রমজানের শুরুতে লালমি-বাঙ্গি বিক্রি করে ভালো দাম পাওয়ায় বেশ খুশি এতদাঞ্চলের চাষীরা। সদরপুরের লালমি-বাঙ্গি চাষীরা এখন মাঠ থেকে লালমি-বাঙ্গি তোলা এবং বাজারজাতকরনে ব্যস্ত সময় পার করছেন। চাষীদের সাথে মাঠে কাজ করছে বাড়ির গৃহিনীরাও। 

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, ফরিদপুরের সদরপুর উপজেলার বিভিন্ন স্থানে বিগত ৫/৬ বছর আগে পরীক্ষামূলক ভাবে লালমি’র চাষ করা হয়। রমজানকে টার্গেট করে লাগানো এ লালমি-বাঙ্গি বিক্রি করে ভালো দাম পাওয়ায় দিনের পর দিন কৃষকেরা ঝুঁকছেন এটি আবাদে। বর্তমানে সদরপুর উপজেলার ৫টি ইউনিয়নের ৭৮ গ্রামে চাষ হচ্ছে লালমি-বাঙ্গির। স্থানীয় চাষী মুনসুর মাতুব্বর, সাহেব ফকির, আলেপ মাতুব্বসহ বেশ কয়েকজন চাষী জানান, গত কয়েক বছর ধরে লালমি-বাঙ্গি চাষ করে তারা বেশ লাভবান হচ্ছেন। প্রতি রমজানে তারা কয়েক লাখ টাকার লালমি-বাঙ্গি বিক্রি করে থাকেন। গত বছরের তুলনায় এ বছর দাম বেশ ভালো বলে জানান চাষীরা। গত বছর মধ্যম শ্রেণির ১শ লালমি-বাঙ্গির দাম ছিল ১ থেকে দেড় হাজার টাকা। বর্তমানে তা বিক্রি হচ্ছে দুই থেকে তিন হাজার টাকা শয়ে। তবে কৃষকেরা অভিযোগ করে বলেন, লালমি লাগানোর সময় প্রখর রোদে অনেক গাছ মরে গেছে। স্থানীয় কৃষি কর্মকর্তাদের কাছে ধর্না দিয়েই তারা কোন সাহায্য পাননি। ফলে উৎপাদন তুলনামুলক কম হওয়ায় দাম এবার একটু বেশী। প্রতিদিন সদরপুর থেকে ট্রাকে করে রাজধানী ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে যাচ্ছে ফরিদপুরের সুস্বাদু লালমি-বাঙ্গি। স্থানীয় কৃষি 

অফিস সূত্রে জানা গেছে, এ বছর সদরপুর উপজেলায় প্রায় ১ হাজার হেক্টর জমিতে লালমি-বাঙ্গির চাষ হয়েছে। আবহাওয়া ঠিক থাকলে প্রায় ১৭ কোটি টাকার লালমি-বাঙ্গি উৎপাদন হবে বলে আশা তাদের। 

 

বিডি-প্রতিদিন/ ১১ জুন, ২০১৬/ আফরোজ

 




আপনার মন্তব্য

সর্বশেষ খবর
up-arrow