Bangladesh Pratidin

ঢাকা, রবিবার, ২৫ সেপ্টেম্বর, ২০১৬

আপডেট : ১৩ জুন, ২০১৬ ১৮:২২
কর্তৃপক্ষের ভুলে সেট পরিবর্তন
নালিতাবাড়ীতে এইচএসসি পরীক্ষার্থীদের মানববন্ধন
শেরপুর ও নালিতাবাড়ী প্রতিনিধি:
নালিতাবাড়ীতে এইচএসসি পরীক্ষার্থীদের মানববন্ধন

শেরপুরের নালিতাবাড়ী উপজেলায় রোববার অনুষ্ঠিত উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষায় ‘খ’ সেটের স্থলে ভুলে ‘ক’ সেটের প্রশ্নপত্র দিয়ে পরীক্ষা গ্রহণের অভিযোগ পাওয়া গেছে। এর প্রতিবাদে আজ দুপুরে নাজমুল স্মৃতি মহাবিদ্যালয়ের পরীক্ষার্থীরা মানববন্ধন করেছে।

শিক্ষার্থী,অভিবাবক ও নাজমুল স্মৃতি মহাবিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ সূত্রে জানা গেছে, গত ১২ জুন রোববার বিকালে ছিল ঢাকা বোর্ডের উচ্চ মাধ্যমিক (এইচএসসি) রসায়ন, ইসলামের ইতিহাস ও সাধারণ ইতিহাসের দ্বিতীয় পত্রের পরীক্ষা। এ পরীক্ষায় ঢাকা বোর্ডের সকল কেন্দ্রে ‘খ’ সেট প্রশ্নে পরীক্ষা হলেও কর্তৃপক্ষের ভুলের কারণে নালিতাবাড়ী কেন্দ্রে ‘ক’ সেট প্রশ্নে পরীক্ষা নেওয়া হয়েছে। 

পরীক্ষার পর বিষয়টি জানাজানি হলে শিক্ষার্থী অভিভাবকরা গতকাল রাতেই পরীক্ষা কেন্দ্রের হল সুপার নাজমুল স্মৃতি মহবিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ একেএম মোয়াজ্জেম হোসেনকে বিষয়টি অবহতি করেন। পরে তিন খোঁজখবর নিয়ে বিষয়টি ভুল হয়েছে বলে স্বীকার করেন। তিনি আজ একটি লিখিত আবেদন নিয়ে ঢাকা বোর্ডের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রকের কাছে গেছেন। এদিকে পরীক্ষা অংশগ্রহণকারীরা বিষয়টি সংশোধন করতে ও এর প্রতিবাদে দুপুরে উপজেলা পরিষদের সামনের সড়কে মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করেছে।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, রোববার দুপুরে থানা থেকে পরীক্ষার প্রশ্নপত্র আনতে কেন্দ্রের হল সুপারের পক্ষে প্রভাষক মো.রফিকুল ইসলাম, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার পক্ষে উপজেলা একাডেমিক সুপার ভাইজার শাহ জামাল ও শহীদ আবদুর রশিদ মহিলা কলেজের পক্ষে প্রভাষক আবুল কালাম আজাদ ১২ জুনের প্রশ্ন পত্রের স্থলে ভুলবশত ১২ মে প্রশ্নপত্র খাম খুলে ‘ক’ সেট দেখতে পান। সে অনুযায়ী  বিজ্ঞান বিভাগের রসায়ন দ্বিতীয় পত্রের ১২১ জন ও মানবিক বিভাগের ইসলামের ইতিহাসের ৫০০ জন ও সাধারণ ইতিহাসের ৭৭ জন পরীক্ষার্থী  ‘খ’ সেটের স্থলে ‘ক’ সেটের প্রশ্নপত্রে পরীক্ষা দেয়।

উল্লেখ্য গত ১২ মে অনুষ্ঠিতব্য পরীক্ষা অনির্দিষ্ট কারণবশত পিছিয়ে ১২ জুন করা হয়। ১২ মে’র জন্য নির্ধারিত ছিল ‘ক’ সেটের প্রশ্ন এবং পিছিয়ে যাওয়া ১২ জুনের পরীক্ষার জন্য প্রশ্ন পত্র ছিল ‘খ’ সেটের। নাজমুল স্মতি মহা বিদ্যালয়ের মানবিক বিভাগের একজন পরীক্ষাথী বলেন,‘এটা কর্তৃপক্ষের গাফলতির কারনে এমন হয়েছে। পরীক্ষার্থীদের বিষয়টি বিশেষ ভাবে বিবেচনা করতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে আবেদন করছি।’

পরীক্ষা কেন্দ্রের হল সুপার  একেএম মোয়াজ্জেম হোসেন  ভুলক্রমে ১২ জুনের স্থলে ১২ মে'র প্যাকেটের প্রশ্নপত্রে পরীক্ষা নেওয়া কথা  স্বীকার করে বলেন, শিক্ষার্থীদের যেন কোন প্রকার ক্ষতি না হয়। তার জন্য  পরীক্ষা নিয়ন্ত্রকের কাছে আবেদন করেছি। আশা করছি শিক্ষার্থীরা ক্ষতিগ্রস্ত হবে না।


বিডি প্রতিদিন/১৩ জুন ২০১৬/হিমেল-১৫




আপনার মন্তব্য

সর্বশেষ খবর
up-arrow