Bangladesh Pratidin

ঢাকা, রবিবার, ২৫ সেপ্টেম্বর, ২০১৬

আপডেট : ২১ জুন, ২০১৬ ১২:০০
চুয়াডাঙ্গায় ওষুধ আত্মসাতের অভিযোগে স্টোরকিপার গ্রেফতার
চুয়াডাঙ্গা প্রতিনিধি:
চুয়াডাঙ্গায় ওষুধ আত্মসাতের অভিযোগে স্টোরকিপার গ্রেফতার

বাইশ লাখ ৮০ হাজার টাকার সরকারি ওষুধ আত্মসাতের অভিযোগে চুয়াডাঙ্গা সিভিল সার্জন কার্যালয়ের জেলা রিজার্ভ স্টোরের স্টোরকিপার একেএম ফজলুল হককে গ্রেফতার করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। 

সোমবার বিকেলে চুয়াডাঙ্গা সিভিল সার্জন কার্যালয় এলাকা থেকে ফজলুল হককে গ্রেফতার করা হয়। গ্রেফতারের পর তাকে আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে পাঠানো হয়েছে।

মামলা সূত্রে জানা গেছে, চুয়াডাঙ্গা সিভিল সার্জন কার্যালয়ের জেলা রিজার্ভ স্টোরের সরকারি ওষুধ আত্মসাৎ ও আত্মসাতে সহায়তায় তৎকালীন সিভিল সার্জন নাজমুল হক ও স্টোরকিপার একেএম ফজলুল হকের বিরুদ্ধে অনুসন্ধান শুরু করে দুদক। অনুসন্ধানে দুদক দেখতে পায়, তারা ২২ লাখ ৮০ হাজার টাকা মূল্যের ওষুধ ঢাকা থেকে গ্রহণ করে তা চুয়াডাঙ্গা রিজার্ভ স্টোরে মজুদ না করে বিক্রি করে দেন।

এই অভিযোগে দণ্ডবিধির ৪০৮/১০৯ এবং ১৯৭৪ সালের দুর্নীতি প্রতিরোধ আইনের ৫ (২) ধারায় চুয়াডাঙ্গা সদর থানায় ২০১৪ সালের ১৫ ডিসেম্বর মামলা করা হয়। দুদকের কুষ্টিয়া সমন্বিত কার্যালয়ের উপসহকারী পরিচালক শহীদুল ইসলাম মোড়ল বাদী হয়ে মামলাটি করেন। চুয়াডাঙ্গা সদর থানার তৎকালীন ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আসাদুজ্জামান মুন্সী মামলাটি গ্রহণ করেন।

এদিকে চলতি বছরের ৩ জানুয়ারি দুদক খুলনা বিভাগীয় কার্যালয় মামলাটি তদন্তের জন্য দুদকের কুষ্টিয়া সমন্বিত কার্যালয়ের উপ-পরিচালক আবদুল গাফ্ফারকে তদন্ত কর্মকর্তা হিসাবে নিয়োগ করেন। মামলাটি বর্তমানে তদন্তাধীন রয়েছে।

তদন্ত কর্মকর্তা আবদুল গাফ্ফার জানান, মামলার প্রধান আসামি বরখাস্ত হওয়া সিভিল সার্জন নাজমুল হক পলাতক রয়েছেন। তাকে ধরতে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

২০০৫-২০০৬ অর্থ বছরে ওই দুর্নীতির ঘটনা ঘটে। ওই সময় নাজমুল হক সিভিল সার্জন হিসেবে চুয়াডাঙ্গায় কর্মরত ছিলেন। দুর্নীতির অভিযোগে ওই সময় তিনি বরখাস্ত হন। তার বাড়ি সিলেট জেলায়। একেএম ফজলুল হকের বাড়ি সাতক্ষীরার শ্যামনগর উপজেলার ইছাপুর গ্রামে। বর্তমানে তিনি সাতক্ষীরা সিভিল সার্জন কার্যালয়ে একই পদে কর্মরত ছিলেন।

 
বিডি প্রতিদিন/২১ জুন ২০১৬/হিমেল-০৭




আপনার মন্তব্য

সর্বশেষ খবর
up-arrow