Bangladesh Pratidin

ঢাকা, বৃহস্পতিবার, ২৩ নভেম্বর, ২০১৭

ঢাকা, বৃহস্পতিবার, ২৩ নভেম্বর, ২০১৭
প্রকাশ : ১ জুলাই, ২০১৬ ১৩:৪৬ অনলাইন ভার্সন
আপডেট : ১ জুলাই, ২০১৬ ১৩:৪৯
নেত্রকোনায় জলাবদ্ধতায় চরম দুর্ভোগে মানুষ, দেখার যেন কেউ নেই
নেত্রকোনা প্রতিনিধি
নেত্রকোনায় জলাবদ্ধতায় চরম দুর্ভোগে মানুষ, দেখার যেন কেউ নেই

শতাধিক বছর পেরিয়ে নেত্রকোনা পৌরসভাটি প্রথম শ্রেনীতে উন্নীত হলেও এর সেবার মান এখনো প্রথম শ্রেনীর হয়নি বলে নাগরিকদের অভিযোগ। একটু বৃষ্টি হলেও ঘরবৈঠক হতে হয় অনেককে।

পৌরবাসী নিয়মিত পৌরকর পরিশোধ করে আসলেও সে পরিমাণ সেবা তারা পাচ্ছেন না বলেও জানান।
জানা গেছে, ১৮৮৭ সালে ৩টি ওয়ার্ড নিয়ে পৌরসভাটি স্থাপিত হয়। পরবর্তীতে ৯০ দশকের পরে এটি প্রথম শ্রেনীতে উন্নীত করা হয়। এরপর নাগরিকদের সুবিধা চিন্তা করে ৩টি ওয়ার্ডকে বর্ধিত করে ৯টি ওয়ার্ড গঠিত হয়েছে। বর্তমানে পৌরসভাটিতে এক লাখ ২ হাজারের অধিক মানুষের বসবাস রয়েছে। প্রতি ৫ বছর অন্তর অন্তর নির্বাচন হলে জনপ্রতিনিধি বদলালেও কিছু কিছু এলাকাবাসীর ভাগ্য বদল হয়না। পৌরসভার বেশ কিছু ওয়ার্ডে এখনো পূর্বের ন্যায় জলাবদ্ধতা রয়েই গেছে। ৯নং ওয়ার্ডের পশ্চিম ও দক্ষিণ বলাইনগুয়া, হাসপাতালের লিং রোড, কুড়পাড়সহ বেশ কিছু এলাকায় রাস্তা-ড্রেইন একাকার হয়ে থাকে বর্ষা মৌসুমে। একটু বৃষ্টি হলেই দুর্ভোগের আর সীমা থাকে না। জুতা হাতে নিয়ে চলাফেরা করতে হয়। স্কুল কলেজের শিক্ষার্থীরা পড়ে বিকাকে। ময়লা পানি পাড়াতে হয় সকলকে।

এলাকার মালেক মাস্টার, মুক্তিযোদ্ধা খোরশেদ আলম, আবুল হোসেন, রেনু বেগম, মোকাম্মেল হক রানা, পুতুল রানী সূত্রধরসহ অনেকেই ক্ষোভের সঙ্গে জানান, বর্ষা আসলেই এই এলাকার কোমলমতি শিশুদের স্কুলে যাওয়া বন্ধ হয়ে যায়। হাসপাতালে জরুরি ভিত্তিতে কোনো রোগী নিয়ে যাওয়া যায় না। দিনরাত ড্রেনের পানি রাস্তায় পড়ে থাকে। বেশি বৃষ্টি হলে হাঁটু পানি পারি দিতে হয়। ঘরের আশপাশে পুকুরের মত পরিস্থিতি হয়। চারদিকে পানি জমা হয়ে থাকে। ছোট বাচ্চাদের নিয়ে ভয়। নামাজ পড়তে মসজিদে যাওয়া যায় না। শরীর নাপাক হয়ে পড়ে। ঘর থেকে বের হতেই দুর্গন্ধে টিকা যায় না। ’

এসকল সমস্যা নিয়ে আমরা একক বা দলগতভাবেও বারবার পৌরসভার কর্তৃপক্ষের কাছে গিয়েছি, কোনো লাভ হয়নি। এটা কেমন ধরনের প্রথম শ্রেণীর পৌরসভা হয়? এমন প্রশ্ন ছুড়েন ভুক্তভোগীরা। এমনি অবস্থায় ৮ নং ওয়ার্ডের মধ্য নাগড়া এবং আনন্দ বাজারের পশ্চিম নাগড়া, ১ নং ওয়ার্ডের বর্শিকুড়া, ২ নং ওয়ার্ডের সাতপাই, ৩ নং ওয়ার্ডের মঈনপুরসহ অনেক এলাকা জলাবদ্ধতায় বাড়িঘরের মানুষ আটকা পড়ে।

বিডি-প্রতিদিন/১ জুলাই ২০১৬/শরীফ

আপনার মন্তব্য

এই পাতার আরো খবর
up-arrow