Bangladesh Pratidin

প্রকাশ : ১ জুলাই, ২০১৬ ১৭:৪৪
আপডেট : ১ জুলাই, ২০১৬ ১৭:৪৫
ধরলায় তীব্র ভাঙ্গন, ৩৫ বসত ভিটা নদী গর্ভে
লালমনিরহাট প্রতিনিধি:
ধরলায় তীব্র ভাঙ্গন, ৩৫ বসত ভিটা নদী গর্ভে

লালমনিরহাটের পাটগ্রাম উপজেলার জোংড়া ইউনিয়নের বুক চিরে বয়ে গেছে খরস্রোতা ধরলা নদী। এ নদীর তীব্র ভাঙ্গনে বসত-ভিটা, আবাদি জমি ও রাস্তা হারিয়ে আতঙ্কিত বিলুপ্ত ছিটমহলের বাসিন্দারা।

পাটগ্রাম উপজেলার জোংড়া ইউনিয়নের অভ্যন্তরে থাকা ভারতীয় ছোট-বড় ১৮টি বিলুপ্ত ছিটমহল এ ইউনিয়নে যুক্ত হয়েছে। এসব ছিটমহলে প্রায় সহস্রাধিক পরিবারের বসবাস। বিলুপ্ত এসব ছিটমহলগুলোর নাম-বাঁশকাটা (১২১ বাঁশকাটা, ১২২ বাঁশ কাটা, ১১৯ বাঁশকাটা ইত্যাদি)। ধরলা নদীর কোল ঘেঁষে এসব বিলুপ্ত ছিটমহল।

সাবেক ছিটবাসীরা এবার বর্ষা মৌসুমের শুরুতেই ধরলা নদীর তীব্র ভাঙ্গনের কবলে পড়েছেন। গত তিনদিনে বিলিন হয়েছে ৩৫টি বসতভিটা। বসত-ভিটা, আবাদি জমি ও রাস্তা হারিয়ে আতঙ্কে-উদ্বিগ্ন হয়ে পড়েছে সাবেক ছিটমহলের বাসিন্দারা।

এদিকে উপজেলার জোংড়া সরকারেরহাট-বাউরা বাজার পর্যন্ত ২২ কিলোমিটার আঞ্চলিক পাকা সড়কটি অর্ধশত কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত আঞ্চলিক সড়কটিও ধসে যাওয়ার উপক্রম হয়েছে। যে কোনো মূহুর্তে নদী গর্ভে চলে যেতে পারে সেই পাকা রাস্তাটির অর্ধ কিলোমিটার অংশ।

উপজেলার জোংড়া ইউনিয়নের অভ্যন্তরে অবস্থিত বিলুপ্ত ১১৯ নম্বর বাঁশকাটা ছিটমহলের সাবেক সভাপতি নজরুল ইসলাম বলেন, প্রতিদিনই ভাঙ্গছে ধরলা। বসত-ভিটা, আবাদি জমি-রাস্তা সবই নদী গর্ভে যাচ্ছে। গত তিনদিনে ধরলার ভাঙ্গনে এ ছিটের ৩৫টি ঘরবাড়ি নদী গর্ভে চলে গেছে।

জোংড়া ইউনিয়ন চেয়ারম্যান শাহ মাহমুদুন্নবী শাহিন বলেন, গত তিনদিনে সাবেক বাঁশকাটা ছিটের ৩৫টি বসতবাড়ি নদী গর্ভে বিলিন হয়েছে। যে কোনো মূহুর্তে নদী গর্ভে বিলিন হতে পারে জোংড়া পাটগ্রাম আঞ্চলিক পাকা সড়কটিও।

এ ব্যাপারে জানতে চাইলে পাটগ্রাম উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা নুর কুতুবুল আলম সরজমিন পরিদর্শনের কথা জানিয়ে বলেন, কাফিরবাজার নামকস্থানে আঞ্চলিক পাকা রাস্তাটি ও সাবেক বাঁশকাটা ছিটমহলগুলো ধরলা নদীর ভাঙ্গন থেকে রক্ষায় বাঁশ ও বালুর বস্তা দিয়ে পাইলিং করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

বিডি-প্রতিদিন/ ০১ জুলাই ১৬/ সালাহ উদ্দীন

 

 

আপনার মন্তব্য

সর্বশেষ খবর
up-arrow