Bangladesh Pratidin

প্রকাশ : ১৬ জুলাই, ২০১৬ ১৬:২৩
আপডেট : ১৬ জুলাই, ২০১৬ ১৬:২৯
কলেজ জাতীয়করণের দাবিতে সড়ক অবরোধ
পাবনা প্রতিনিধি:
কলেজ জাতীয়করণের দাবিতে সড়ক অবরোধ

পাবনার ডা: জহুরুল কামাল ডিগ্রী কলেজ জাতীয়করণের দাবিতে মানববন্ধন ও ঢাকা-পাবনা মহাসড়ক অবরোধ করেছে এলাকাবাসী ও কলেজের শিক্ষার্থীরা। শনিবার সকাল ১১ টার দিকে মহাসড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ করেন তারা।  

সম্প্রতি দেশের বিভিন্ন উপজেলা সদরের একটি করে কলেজ জাতীয়করণের ঘোষিত তালিকায় পাবনার সুজানগর উপজেলার দুলাই ডা: জহুরুল কামাল ডিগ্রী কলেজের নাম না থাকায় তারা ক্ষুব্ধ হয়। এরই জের ধরে এলাকাবাসী ও শিক্ষার্থীরা সকাল ১১ টার দিকে গাছের গুড়ি ফেলে ও টায়ার জ্বালিয়ে বিক্ষোভ কর্মসূচী শুরু করে। এ সময় রাস্তার উভয় পাশে শতাধিক যাত্রীবাহী বাসসহ বিভিন্ন যানবাহন আটকা পরে। রাস্তায় তীব্র যানজটের সৃষ্টি হয়। পরে ঘন্টা দুয়েক পর সুজানগর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ সাখাওয়াত হোসেন ও থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা নূর ইসলাম সঙ্গীয় ফোর্স নিয়ে ঘটনাস্থলে এসে যান চলাচল স্বাভাবিক করার চেষ্টা করেন।  

এলাকাবাসীর দাবি জাতীয়করণের সকল শর্ত পুরনের পরেও প্রভাবশালী মহল এই কলেজকে বাদ দিয়ে উপজেলা সদরের একটি কলেজকে জাতীয়করণের তালিকাভুক্ত করেছেন। তারা এই সিদ্ধান্ত বাতিল করে ডা: জহুরুল কামাল ডিগ্রী কলেজটি জাতীয়করণের দাবি জানান।  

এ বিষয়ে দুলাই ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান শাজাহান আলী জানান, কলেজটি জাতীয়করণের প্রক্রিয়া প্রায় সম্পন্ন ছিল। স্থানীয় এমপি ও এ ব্যাপারে প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন। কিন্তু অজ্ঞাত কারণে সুজানগর উপজেলায় অন্য একটি কলেজকে জাতীয়করণের ঘোষণা দেয়া হয়েছে। এ সিন্ধান্ত আমরা এলাকাবাসী কিছুতেই মেনে নেব না।

কলেজের শিক্ষক শাহান শাহ বলেন, আমাদের কলেজে প্রায় সাড়ে তিন হাজার ছাত্র ছাত্রী, নিজস্ব জমি, আর্থিক সঙ্গতি সব শর্ত পূরণ করার পরও সরকারীকরণ করা হচ্ছে এমন একটি কলেজকে যা যোগ্যতায় আমাদের চেয়ে অনেক পিছিয়ে। সরকারের এ সিন্ধান্তে আমরা খুবই মর্মাহত হয়েছি। আমরা এ সিন্ধান্ত পুনঃর্বিবেচনার আবেদন করছি।

কলেজের একাধিক শিক্ষর্থী জানান, এ সিদ্ধান্ত বাতিল না করলে দুর্বার আন্দোলন গড়ে তোলা হবে।

সুজানগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা নূর ইসলাম বলেন, এ ঘটনার পর পরই আমরা ঘটনাস্তলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনার চেষ্টা চালাই। পরে স্থানীয় লোকজন ও শিক্ষার্থীদের আশ্বাস দেওয়ার পর তারা অবরোধ পত্যাহার করে নেয়।
 
সুজানগর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ সাখাওয়াত হোসেন বলেন, বিষয়টিতো আমার হাতের কাজ না, তারপরেও বিষয়টি আমি উর্দ্ধতন কর্তৃপক্ষকে অবহিত করবো ।

 

বিডি প্রতিদিন/১৬ জুলাই ২০১৬/হিমেল-০৮

আপনার মন্তব্য

সর্বশেষ খবর
up-arrow