Bangladesh Pratidin

ঢাকা, রবিবার, ২৬ ফেব্রুয়ারি, ২০১৭

প্রকাশ : ২ সেপ্টেম্বর, ২০১৬ ১৪:৪৭
আপডেট : ২ সেপ্টেম্বর, ২০১৬ ১৪:৫১
একটি এনার্জি বাতির বৈদ্যুতিক বিল হাজার টাকা!
অনলাইন ডেস্ক
একটি এনার্জি বাতির বৈদ্যুতিক বিল হাজার টাকা!

কুড়িগ্রামের নাগেশ্বরী উপজেলার ভিতরবন্দ ইউনিয়নে একটি বৈদ্যুতিক এনার্জি বাতি জ্বালানোর জন্য আগস্ট মাসে বৈদ্যুতিক বিল এসেছে ১ হাজার ৬’শ ৪৮ টাকা। খোজ নিয়ে জানা যায়, নাগেশ্বরী পল্লী বিদ্যুতের অভ্যন্তরে একটি অসাধু চক্র শতশত ভুতূড়ে বিল তৈরি করে লাখ লাখ টাকা হাতিয়ে নিচ্ছে।

এমন ভুতূড়ে বিলের ভূক্তভোগী ভিতরবন্দ ইউনিয়নের রসুলপুর গ্রামের রিকশা চালক হোসেন আলী। তিনি জানান, ৫ হাজার টাকা খরচ করে পল্লী বিদ্যুতের মেকানিক দিয়ে বাড়িতে বিদ্যুৎ সংযোগ নেন তিনি। বাড়িতে তার মেয়ে ষষ্ঠ শ্রেণীর ছাত্রী হোসনে আরার পড়াশুনার জন্য একটি মাত্র বৈদ্যুতিক এনার্জি বাতি জ্বালানো হয়। আগস্ট মাসে এই একটি বাতি জ্বালানোর জন্য তার বৈদ্যুতিক বিল এসেছে ১ হাজার ৬’শ ৪৮ টাকা।

বিল সংশোধনের জন্য নাগেশ্বরী পল্লী বিদ্যুতের ডেপুটি জেনারেল ম্যানেজার (ডিজিএম) আকতারুজ্জামানের সঙ্গে দেখা করেন হোসেন আলী। ডিজিএম বিল পরিশোধ করে মিটার পরিবর্তনের আবেদন করার জন্য হোসেন আলীকে পরামর্শ দেন বলে জানান তিনি। হোসেন আলী বলেন, ‘ডিজিএম তার বিল সংশোধন করে না দিলে উর্ধতন কর্তৃপক্ষ বরাবর অভিযোগ করাসহ আদালতের আশ্রয় নিবো’।  

সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায় রিকশা চালক হোসেন আলীর বাড়িতে একটি শোবার ও একটি রান্নাঘর রয়েছে। শোবার ঘরে একটি এর্নাজি বাতি থাকলেও রান্নাঘরে কোন বৈদ্যুতিক বাতি নেই। তার আবাসিক মিটার নং -০০০২৬১৯৬, হিসাব নং ০৯/৩৫১/৩২৫০, বিল  নং -০৮১৬৩৫১৩২৫০।

এ ব্যাপারে ডিজিএম আকতারুজ্জামান বলেন, ‘মিটারে যে রিডিং এসেছে তা পরিশোধ করে মিটার পরিবর্তনের জন্য আবেদন করতে হবে। এ ছাড়া অন্য কোন উপায় নাই’।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, ডিজিএম এর প্রত্যক্ষ মদদে নাগেশ্বরী পল্লী বিদ্যুতের অভ্যন্তরে একটি অসাধু চক্র শত শত ভুতূড়ে বিল তৈরি করে এবং অবৈধ সংযোগ দিয়ে লাখ লাখ টাকা হাতিয়ে নিচ্ছে।

বিডি-প্রতিদিন/তাফসীর

আপনার মন্তব্য

সর্বশেষ খবর
up-arrow