Bangladesh Pratidin

ঢাকা, শনিবার, ৩ ডিসেম্বর, ২০১৬

প্রকাশ : ৯ সেপ্টেম্বর, ২০১৬ ১৪:৫০
আত্মসমর্পণ করা ১৪ বনদস্যুকে বাগেরহাট কারাগারে প্রেরণ
বাগেরহাট ও শরণখোলা প্রতিনিধি
আত্মসমর্পণ করা ১৪ বনদস্যুকে বাগেরহাট কারাগারে প্রেরণ

সুন্দরবনের আত্মসমর্পণ করা বনদস্যু শান্ত ও আলম বাহিনীর প্রধানসহ ১৪ সদস্যকে শুক্রবার দুপুরে আদালতের মাধ্যমে বাগেরহাট কারাগারে পাঠানো হয়েছে। বাগেরহাট আদালতের সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট গৌতম মল্লিক বনদস্যুদের কারাগারে প্রেরণের আদেশ দেন।  

এর আগে বৃহস্পাতবার রাতে র‌্যাব-৮ এর ডিএডি আমজাদ হোসেন বাদি হয়ে অস্ত্র আইনে মামলা দায়ের করে ওই দুই বাহিনীর প্রধানসহ ১৪ বনদস্যুকে বাগেরহাটের শরণখোলা থানায় হস্তান্তর করেন।  

কারাগারে পাটানো বনদস্যুদের মধ্যে রয়েছে, বাগেরহাটের মোড়েলগঞ্জ উপজেলার জামিরতলা গ্রামের মৃত ইসমাইল তালুকদারের ছেলে শান্ত বাহিনীর প্রধান আব্দুল বারেক তালুকদার শান্ত (৪৫), একই এলাকার মৃত নাজেম আলী হাওলাদারের ছেলে মো. মনির হাওলাদা (৪৫), মোড়েলগঞ্জের গাবতলা গ্রামের মৃত সুলতান মোল্লার ছেলে দুলাল মোল্লা ভান্ডারী (৪০), বাগেরহাটের কচুয়া উপজেলার বগা গ্রামের মো. কেরামত হাওলাদারের ছেলে মো. ফরিদ হাওলাদার (২৬), একই এলাকার মকবুল হোসেন মোল্লার ছেলে আনিছুর রহমান মোল্লা (৩৫), মংলার জয়মনিরঘোল এলাকার রজব আলী শেখের ছেলে বশির আহমেদ শেখ (৪৭), একই এলাকার সাহেব আলী শেখের ছেলে মোস্তফা শেখ (৪৬), রামপালের বড়কাঠালিয়া গ্রামের হাবিব গাজির ছেলে ফরিদ গাজী (৩৮), একই এলাকার মো. ইউনুছ শেখের ছেলে  নুরুল ইসলাম শেখ (৪৪) ও জনাব আলী শেখের ছেলে মো. খোরশেদ শেখ (৫২)।  

এছাড়া বনদস্যু আলম বাহিনীর প্রধান সাতক্ষীরা জেলার শ্যামনগর উপজেলার মুন্সিগঞ্জের মো. আকবর সরদারের ছেলে মো. আলম সরদার (৩৪), একই এলাকার আকবর আলীর ছেলে মো. আসাদুজ্জামান (১৮) একই জেলার শ্যামনগর উপজেলার বুড়িগোয়ালী গ্রামের মো. এলাহী বক্স গাজীর ছেলে মো. হালিম গাজী (২৬) ও শ্যামনগর উপজেলার কাশিমাড়ি গ্রামের আনসার আলী গাজীর ছেলে মো. আবু বক্কর সিদ্দিক গাজী (২৭)।

বৃহস্পতিবার দুপুরে বরিশালে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামালের হাতে ২০টি আগ্নেয়াস্ত্র ও ১০০৮ রাউন্ড তাজা গুলি জমা দিয়ে সুন্দরবনের দুর্ধর্ষ এই দুই বনদস্যু বাহিনীর প্রধানসহ ১৪ সদস্য আত্মসমর্পন করে। আত্মসমর্পন করা এই বনদস্যুদের বাড়ি বাগেরহাট ও সাতক্ষীরা জেলায়।  

এর আগে আত্মসমর্পণ করতে বুধবার রাতে বাগেরহাটের পূর্ব সুন্দরবনের শরণখোলা রেঞ্জের সুপতি অভয়ারণ্য কেন্দ্রের শুকপাড়া এলাকায় বনদস্যু শান্ত বাহিনীর ১০ সদস্য এবং খুনের খাল এলাকায় আলম বাহিনীর ৪ সদস্য র‌্যাব-৮ এর উপ-অধিনায়ক মেজর আদনান কবীরের কাছে আগ্নেয়াস্ত্র ও গোলাবারুদ গুলি জমা দেয়।  

বিডি প্রতিদিন/ ০৯ সেপ্টেম্বর ২০১৬/ এনায়েত করিম

আপনার মন্তব্য

সর্বশেষ খবর
up-arrow