Bangladesh Pratidin

ঢাকা, শুক্রবার, ৯ ডিসেম্বর, ২০১৬

প্রকাশ : ১০ সেপ্টেম্বর, ২০১৬ ১০:৫৩
পর্যটকদের স্বাগত জানাতে প্রস্তুত পাহাড় কন্যা বান্দরবান
বান্দরবান প্রতিনিধি
পর্যটকদের স্বাগত জানাতে প্রস্তুত পাহাড় কন্যা বান্দরবান

২দিন পরেই পবিত্র ঈদ-উল-আজহা। আর ঈদকে সামনে রেখে আমাদের দেশে শুরু হয় পর্যটন মৌসুম।

এবার পার্বত্য জেলা বান্দরবানে প্রায় ১০ লক্ষ পর্যটকের আগমনের আশা করছে পর্যটন সংশ্লিষ্টরা। আর পর্যটকদের আকৃষ্ট করতে নতুন সাজে সেজেছে পাহাড় কন্যা বান্দরবান।

বান্দরবানে রয়েছে প্রাকৃতিক ঝর্ণা, পাহাড়ের উপর লেক, দিগন্ত ছোঁয়া পাহাড়, ১১ আদিবাসীর বৈচিত্র্যময় কৃষ্টি-সংস্কৃতি। পাহাড়- খরস্রোত নদীর আর দিগন্ত বিস্তৃত সবুজ বনানী। আর এসব কিছু মিলিয়ে যে কোনো মানুষকে কাছে টানতে সক্ষম পার্বত্য জেলাটি।

মেঘলায় একই স্থানে রয়েছে দুটি ঝুলন্ত সেতু, যা দেশের অন্য কোথাও নেই। মেঘলায়ে আরো রয়েছে মিনি সাফারী পার্ক, শিশু পার্ক, প্রাকৃতিক লেক, চিড়িয়াখানা, চা বাগানসহ পর্যটকের মন ভোলানো সমস্ত আয়োজন। এছাড়াও শহর থেকে মাত্র দুই কিলোমিটার দূরে নীলাচল ‘পর্যটন স্পট’ রয়েছে, যেখানে পাহাড়ের সাথে আকাশ গড়ে তুলেছে মিতালী। দেশি-বিদেশি যে কোন পর্যটক স্পটটিতে গিয়ে মুগ্ধ হতে বাধ্য। এছাড়া এ জেলায় রয়েছে দেশের সর্বোচ্চ পর্বত শৃঙ্গ বিজয় (স্থানীয় ভাষায় তাজিংডং), দ্বিতীয় সর্বোচ্চ পর্বতশৃঙ্গ ক্যাওক্রাডংসহ অসংখ্য পাহাড়। রয়েছে বাংলার দার্জিলিং খ্যাত চিম্বুক পাহাড়। যেখানে অনায়াসে মেঘের ছোঁয়া পাওয়া যায়। এটি একটি স্বাস্থ্যকর স্থানও বটে। এছাড়াও রুমা উপজেলায় রিজুক ঝর্ণা নিজস্ব গতিতে সব মৌসুমেই থাকে সচল। জেলা শহরের অদূরে শৈলপ্রপাতের স্বচ্ছ পানি বয়ে চলছে অবিরাম ধারায়।

হোটেল মোটেল মালিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক সিরাজুল ইসলাম জানান, 'বাংলাদেশের সবচেয়ে আর্কষণীয় পর্যটন শহর বান্দরবান। এবারের ঈদে বান্দরবানে আমরা ১০ লক্ষ পর্যটকের প্রত্যাশা করছি। আর ঈদে হোটেল মোটেলগুলোতে দেওয়া হচ্ছে বিশেষ ছাড়'।

বাস মালিক কমিটির নেতা ইসলাম কোম্পনী জানান, 'ঈদের আগে পড়ে ১০ দিনের বাসের সকল টিকেট বুকিং হয়ে গেছে। জেলা প্রশাসক দীলিপ কুমার বণিক জানান পর্যটকদের স্বাগত জানাতে আমারা প্রস্তুত। পর্যটন এলাকাকে ঘিরে নেওয়া হয়েছে বিশেষ নিরাপত্তা ব্যাবস্থা'।


বিডি-প্রতিদিন/তাফসীর

আপনার মন্তব্য

সর্বশেষ খবর
up-arrow