Bangladesh Pratidin

ঢাকা, শুক্রবার, ৯ ডিসেম্বর, ২০১৬

প্রকাশ : ১১ সেপ্টেম্বর, ২০১৬ ১৬:১০
নওগাঁয় জমে উঠেছে কোরবানির পশুর হাট
অনলাইন ডেস্ক
নওগাঁয় জমে উঠেছে কোরবানির পশুর হাট

নওগাঁয় আসন্ন ঈদুল আজহা উপলক্ষে শেষ সময়ে জমে উঠেছে কোরবানির পশুর হাটগুলো। জেলার বড় হাটগুলোর মধ্যে মহাদেবপুর, সাপাহার. চৌবাড়িয়া, মাতাজিহাট, কির্ত্তীপুর হাট, হাট-চকগৌরী, আহাসনগঞ্জ হাটগুলোতে ব্যাপক গরু, ছাগল ও ভেড়ার আমদানি হচ্ছে।

এ বছর দেশি গরুর চাহিদা খুবই বেশি হওয়ায় এবং ভারত থেকে তেমন গরু না আসায় খামারিরা দামও পাচ্ছেন ভালো। বিগত কয়েকদিনের মধ্যে শেষ পর্যায়ে গরু ছাগলের আমদানি যেমন হয়েছে তেমনই বেচাকেনাও হয়েছে বেশি।

এসব হাটে আকৃতিভেদে ৩৩ হাজার টাকা থেকে ১ লাখ ৮০ হাজার টাকা পর্যন্ত গরুর দাম হাঁকাচ্ছেন বিক্রেতারা। গরু ১ লাখ ১০ হাজার টাকা পর্যন্ত বিক্রি হতে দেখা গেছে। তবে ৪০ থেকে ৬০/৬৫ হাজার টাকা ক্রেতাই বেশি। ৭০ থেকে ৮০ হাজার টাকায়ও গরু বিক্রি হচ্ছে। ছাগল সর্বোচ্চ ২৬ হাজার টাকায় বিক্রি হয়েছে। এ ছাড়াও ১৫ থেকে ২০ হাজার টাকা মূল্যে বেশি ছাগল বিক্রি হয়েছে। ৮ থেকে ১০ হাজার টাকা মূল্যেও ছাগলও বিক্রি হয়েছে।

সাপাহার হাটে গরু নিয়ে আসা জয়পুরহাটের এক গরু ব্যবসায়ী জানান, তার গরুর দাম ১ লাখ ৮০ হাজার টাকা চেয়েছেন তিনি। ক্রেতারা ১ লাখ ৩০ হাজারের বেশি দাম দিতে চাইছেন না।

ইসলামপুর গ্রামের খামারি স্বপন জানান, তিনি কোরবানি উপলক্ষে ১২টি গরু বিক্রির জন্য প্রস্তত করেন। এসব গরুর মূল্য হেঁকেছেন ৬০ থেকে ৭০ হাজার টাকা। এ পর্যন্ত তিনি গরু বিক্রি করেছেন ৪টি। এ দু’দিনে গরু বিক্রি করতে পারবেন বলে তিনি প্রত্যাশা করেন।

এদিকে ক্রেতা-বিক্রেতাদের নিরাপত্তার জন্য সাপাহার থানা পুলিশ প্রশাসনের পাশাপাশি হাট ইজারাদারের নিজস্ব লোকজন প্রতিনিয়ত কাজ করে যাচ্ছেন। এ বিষয়ে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার রাশিদুল হক বলেছেন, আসন্ন ঈদুল আজহা উপলক্ষে জেলার পশুর হাটের আইন-শৃঙ্খলা ও ক্রেতা-বিক্রেতাদের নিরাপত্তার জন্য অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে এবং জাল টাকা শনাক্তকরণ মেশিনের মাধ্যমে ক্রেতা-বিক্রেতাদের সেবা দেয়া হচ্ছে।

বিডি প্রতিদিন/ ১১ সেপ্টেম্বর ২০১৬/ এনায়েত করিম

আপনার মন্তব্য

সর্বশেষ খবর
up-arrow