Bangladesh Pratidin

ঢাকা, সোমবার, ৫ ডিসেম্বর, ২০১৬

প্রকাশ : ১৯ সেপ্টেম্বর, ২০১৬ ১৮:১০
হিমছড়িতে অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ, ব্যবসায়ীদের ধর্মঘট
কক্সবাজার প্রতিনিধি:
হিমছড়িতে অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ, ব্যবসায়ীদের ধর্মঘট

কক্সবাজারের পর্যটন স্পট হিমছড়িতে বন বিভাগের জমিতে অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদের প্রতিবাদে ডাকা অনির্দিষ্টকালের ধর্মঘট চলছে।

সোমবার সকাল থেকে হিমছড়ি এলাকার ব্যবসীয়রা দোকানপাট বন্ধ রেখে ধর্মঘট পালন করছে। এতে করে অন্তত ১০ হাজার পর্যটক চরম দুর্ভোগে পড়েছে। বিরূপ প্রভাব পড়েছে পর্যটন শিল্পে।

একই সাথে বিনা নোটিশে দোকানপাট উচ্ছেদের অভিযোগে কক্সবাজার দক্ষিণ বনবিভাগের বিভাগীয় বনকর্মকর্তা আলী কবিরের অপসারণ ও শাস্তির দাবি করেছে হিমছড়ি বাজার ব্যবসায়ীরা। এ দাবিতে তারা বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ করেছে। সমাবেশে উচ্ছেদের নামে শতাধিক দোকান ভাংচুর, লুটপাট ও ১০ কোটি টাকার ক্ষয়ক্ষতি করা হয়েছে বলে অভিযোগ আনা হয়।

হিমছড়ি বাজার দোকান মালিক সমিতি আয়োজিত প্রতিবাদ সমাবেশে বক্তব্য রাখেন, হিমছড়ি বাজার দোকান মালিক সমিতির সভাপতি ও খুনিয়াপালং ইউপি চেয়ারম্যান আবদুল মাবুদ, সাধারণ সম্পাদক ও আওয়ামী লীগ নেতা কামাল উদ্দিন মেম্বার ও যুবলীগ নেতা আবদুল্লাহ বিদ্যুৎ মেম্বার, জেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগ নেতা ও সহ- সভাপতি নুরুল আলম নুরু প্রমূখ।

হিমছড়ি দোকান মালিক সমিতির সভাপতি ও খুনিয়াপালং ইউপি চেয়ারম্যান আব্দুল মাবুদ বলেন, ব্যবসায়ীদের ক্ষতির কারণে অন্তত ১০ হাজার পর্যটক চরম দুর্ভোগের শিকার হচ্ছে। এতে করে পর্যটন শিল্পে বিরূপ প্রভাব পড়েছে।
বিক্ষোভ মিছিলোত্তর সমাবেশের পর ব্যবসায়ী প্রতিনিধি দল বিকাল ৩টায় জেলা প্রশাসক মোঃ আলী হোসনের সাথে দেখা করেন।

কুরবানীর ঈদের ছুটিতে কক্সবাজার দক্ষিণ বনবিভাগের অধীনে কলাতলি রেঞ্জাধীন হিমছড়ি এলাকায় অবৈধ স্থাপনা গড়ে তুলে একটি চক্র। এসব স্থাপনা গড়ে তুলার কারণে পর্যটকদের চলাফেরায় বাধা সৃষ্টি হয়।
 
রবিবার এসব অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ অভিযান চালিয়েছে জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেটের নেতৃত্বে ভ্রাম্যমান আদালত।

উচ্ছেদ অভিযানে জব্দকৃত মালামাল বন কার্যালয়ে আনার পথে মালামাল ভর্তি দু’টি মিনি ট্রাক ভাংচুর ও মালামাল লুট করে দখলদাররা। তাদের মারধরে আহত হয়েছে ওই মিনি ট্রাকের ২ চালক।

কক্সবাজার দক্ষিণ বনবিভাগের বিভাগীয় বনকর্মকর্তা মোঃ আলী কবির জানান, প্রভাবশালী একটি চক্র বনবিভাগের জমি দখল করে স্থানীয় দখলবাজচক্র কোরবানের ঈদের আগের দিন রাতে ১০/১২টি অবৈধ স্থাপনা নির্মাণ করে। ঈদের ছুঠির কারণে বনকর্মী স্বল্প ছিল। তাই বিষয়টি জেলা প্রশাসককে অবহিত করা হয়। পরে ওই সব অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ করা হয়।

বিডি-প্রতিদিন/ ১৯ সেপ্টেম্বর, ২০১৬/ সালাহ উদ্দীন

 

আপনার মন্তব্য

সর্বশেষ খবর
up-arrow